জয় কিষাণ: ১১ অক্টোবর ২০২২

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 3

কৃষকদের ক্ষতিপূরণের টাকা আটকে রেখেছে একাধিক ব্যাঙ্ক, অভিযোগ কেপিআরএস-এর

কৃষকদের জন্য বরাদ্দ ক্ষতিপূরণের টাকা বিভিন্ন ব্যাঙ্ক আটকে রেখেছে বলে অভিযোগ করল কর্ণাটক প্রান্ত রাইথা সংঘ বা কেপিআরএস।
এছাড়াও কেপিআরএস-এর তরফ থেকে সাম্প্রতিক বন্যায় ফসলের ক্ষতির জন্য পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ টাকা দাবি করা হয়েছে। উল্লেখ্য, কর্ণাটক সরকার কৃষকদের ৭০০০ টাকা প্রতি হেক্টর অর্থ প্রদানের কথা জানালেও, ক্ষতিপূরণের এই অর্থ ব্যাঙ্কগুলো আটকে রেখেছে বলে অভিযোগ করেছেন কেপিআরএস-এর নেতা শরণবাসাপ্পা মামশেট্টি। তিনি বলেন, “এর ফলে ক্ষতিপূরণ প্রদানের সরকারি উদ্দেশ্য ব্যর্থ হয়েছে।” তাঁর দাবি, রাজ্য সরকারকে একর প্রতি ২৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
গত সোমবার কর্ণাটকের কালাবুরাগীতে একটি সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখার সময় কৃষক নেতা শরণবাসাপ্পা মামশেট্টি এই দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, জেলা প্রশাসক এবং জেলা পঞ্চায়েতের মুখ্য আধিকারিকের এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা উচিৎ।

সূত্র- দ্য হিন্দু

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

ফসল সংগ্রহে দেরি, পাঞ্জাবে কৃষক বিক্ষোভ অব্যাহত

গত সোমবার পাঞ্জাবের কাপুরথালা-সুলতানপুর লোধি সড়ক অবরোধ করেছিলেন পাঞ্জাবের কৃষকরা। তাঁদের অভিযোগ, সরকারি নির্দেশের কারণে ধান বপন প্রক্রিয়া এবছর বিলম্বিত হয়েছে। আন্দোলনরত কৃষকরা জানান, উৎপাদিত ফসল বাজারে নিয়ে আসা হলেও কেউ কোনো ফসল ক্রয় করতে প্রস্তুত নয়। এই অভিযোগে কৃষকরা তুমুল বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন, প্রশাসনের তরফে কৃষকদের শান্ত করার চেষ্টা করা হয়, কিন্তু কোন লাভ হয়নি।

সূত্র: দ্য ট্রিবিউন

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

অতিবৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতির জেরে কৃষকদের অবস্থা কোভিড সময়কালের চেয়েও ভয়ঙ্কর

ভারতের আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুসারে উত্তরপ্রদেশের ৬৭টি জেলায় অতিবৃষ্টি হয়েছে। যার জেরে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে ফসলের। উত্তরপ্রদেশ সরকার গোটা রাজ্য জুড়ে ক্ষতি পরিমাণ খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছে যোগী প্রশাসন। কিন্তু কৃষকেরা জানাচ্ছেন তাঁদের অবস্থা এখন কোভিডকালের থেকেও ভয়ঙ্কর।
শাহজানপুর জেলার কৃষক প্রীতমপাল সিং-এর কথাই ধিরা যাক। তাঁর বক্তব্য, এখনও পর্যন্ত আমার জন্য এটা অত্যন্ত শোকের বছর, যা করোনা অতিমারীর থেকেও অনেক বেশি খারাপ। প্রথমে স্বল্প বৃষ্টিপাতের জন্য গতবারের থেকেও অর্ধেকের কম ফসল ফলানো গেছে। আর সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টির কারণে সেই ফসলও নষ্ট হয়ে গেছে।

সূত্র- এনডিটিভি

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

দীপাবলিতে মিষ্টান্ন কেনার অর্থ নেই, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীকে আবেগঘন চিঠি কৃষক সন্তানের

মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডেকে লেখা মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলি জেলার ১১ বছর বয়সী কৃষক সন্তানের একটি চিঠি সোশ্যাল মিডিয়ায় মানুষের হৃদয় গলিয়ে দিয়েছে। উল্লেখ্য, অতিবৃষ্টির কারণে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ায় মহারাষ্ট্রের কৃষকরা সাম্প্রতিক সময়ে বিপুল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। উৎসবের মরসুমে তাঁদের মাথায় হাত। এই অবস্থায় হিঙ্গোলি জেলার ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র প্রতাপ কাওয়ারখে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীকে একটি আবেগঘন চিঠিতে জানিয়েছে, তাদের ফলানো সয়াবিন অতিবৃষ্টিতে নষ্ট হয়ে গেছে। তাই দশেরা কিংবা দীপাবলি পালন তো দূরঅস্ত, এখন তাঁদের নুন আনতে পান্তা ফুরোনোর অবস্থা! এই কিশোর তার হৃদয় বিদারক চিঠিতে বর্ণনা করেছে যে কীভাবে তার মা দশেরার সময় ‘পুরান পলি’ (মারাঠি মিষ্টান্ন বিশেষ) তৈরি করতে অস্বীকার করেছেন, কারণ তার মায়ের বক্তব্য, বিষ কেনার মতো টাকাও তাঁদের হাতে নেই। চিঠির শেষের দিকে এই কিশোর মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপও দাবি করেছে। পাশাপাশি তার অনুরোধ, কৃষকদের পাশে দাঁড়াক মহারাষ্ট্র সরকার। প্রয়োজন মতো আর্থিক সাহায্যের ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এই কিশোর।

সূত্র- এবিপি লাইভ

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *