জয় কিষাণ: ১০ অক্টোবর ২০২২

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 5

কৃষক আন্দোলনকে দুর্বল করতেই ট্রাক্টর-ট্রলি বন্ধের নির্দেশ যোগী সরকারের: রাকেশ টিকায়েত

উত্তরপ্রদেশের কানপুর জেলায় ট্রাক্টর-ট্রলি উল্টে ২৬ জন লোকের মৃত্যু এবং অন্যান্যদের গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় ২ অক্টোবর একটি সরকারি নির্দেশে বলা হয় যে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সড়ক নিরাপত্তার বিষয়ে নাগরিকদের আরো সচেতন থাকার জন্য অনুরোধ করছেন। ওই নির্দেশনামাতেই ট্রাক্টর-ট্রলি বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করে ইউপি সরকার। আর এরপরেই যোগী সরকারের এহেন নির্দেশে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েত।

উত্তরপ্রদেশের পিলভিতে গত মঙ্গলবার রাকেশ টিকায়েত বলেন, কৃষকদের আন্দোলনকে দমন করার জন্যেই ট্রাক্টর-ট্রলি বন্ধ করা হচ্ছে। তাঁর বক্তব্য, “ট্রেন অথবা অন্যান্য পরিবহনের দুর্ঘটনার পর কি সেগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ? ট্রাক্টর পরিবহনের নিষেধাজ্ঞার পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে এবং এর মধ্যে দিয়ে কৃষক আন্দোলনকে দুর্বল করার চেষ্টা হচ্ছে।” তাঁর সাফ কথা, কৃষকদের কৃষিপণ্য-সহ অন্যান্য নানা ক্ষেত্রে মূল পরিবহন ট্রাক্টর-ট্রলি। এই পরিবহন ব্যবস্থাকে বন্ধ করা হলে কৃষকেরা জোর আন্দোলনে নামবেন বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন। এই ব্যাপারে উত্তরপ্রদেশের সরকারকে লিখিত দেওয়া হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। লখিমপুরে কৃষক শহিদ বার্ষিকী পালন অনুষ্ঠানে ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন-এর নেতা চৌধুরী রাকেশ টিকায়েত এ কথা বলেন।

সূত্র- নব ভারত

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষকের দুরাবস্থায় কেন্দ্রীয় সরকার ও কর্ণাটক সরকারকে আক্রমণ রাহুল গান্ধির

ভারত জোড়ো যাত্রা থেকে ফের একবার কেন্দ্রীয় সরকারকে কৃষক-শ্রমিক-সহ খেটে খাওয়া মানুষের বিরোধী বলে আক্রমণ করলেন রাহুল গান্ধি। গত শুক্রবার রাহুল তাঁর মা কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধিকে নিয়ে ভারত জোড়ো যাত্রায় পথ হাঁটেন। সেখানেই তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের পাশাপাশি কর্ণাটক সরকারকেও কৃষকের দুরবস্থার জন্য তুলোধনা করেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাহুল গান্ধি ট্যুইট করে জানান, কর্ণাটকে তিনি একজন মহিলার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন, যাঁর স্বামী একজন কৃষক ছিলেন এবং তিনি মাত্র পঞ্চাশ হাজার টাকা ঋণের জন্য আত্মহত্যা করেছেন। রাহুল গান্ধির সাফ বক্তব্য, কেন্দ্রের সরকার ভারতকে দুই ভাগে ভাগ করেছে — উচ্চবিত্তের ভারত ও দরিদ্রের ভারত। একদিকে কেন্দ্রীয় সরকার বড়লোকেদের ৬ শতাংশ হারে ঋণ দিচ্ছে এবং তা মকুবও করে দিচ্ছে, অন্যদিকে ঋণের দায়ে জর্জরিত কৃষক আত্মহত্যা করছেন। এই বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে সাম্য ও সমানাধিকারের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ ভারত গড়ার ডাক দিয়েছেন রাহুল গান্ধি।

সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে কৃষক বিক্ষোভ

ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন (উগ্রাহান)-এর ডাকে পাঞ্জাবের সাঙ্গরুরে পাতিয়ালা সড়কে রবিবার থেকে মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানের স্থানীয় বাসভবনের কাছে কৃষকেরা অনির্দিষ্টকালের জন্য বিক্ষোভ শুরু করেছেন।

কৃষকদের বিভিন্ন অমীমাংসিত দাবি নিয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ও পাঞ্জাবের আপ সরকারের বিরুদ্ধে এই বিক্ষোভ। “কৃষকদের দাবিসমূহ বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে। পরবর্তী সরকারগুলি কৃষকদের সাহায্য করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁদের আর্থিক অবস্থা ক্রমশ খারাপ হচ্ছে,”, বলেছেন সংগঠনের সভাপতি যোগিন্দর সিং উগ্রাহান

রাজ্য সরকারের কাছে তাঁদের দাবির মধ্যে রয়েছে তুলো ও অন্যান্য ফসলের ক্ষতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের অবিলম্বে আর্থিক সহায়তা প্রদান এবং সম্প্রতি ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের বিশেষ মূল্যায়ন, জল প্রকল্পের জন্য একটি বিশেষ বাজেট বরাদ্দ, এবং মদের কারখানা বন্ধ করা।

বিকেইউ (উগ্রাহান) এর সাধারণ সম্পাদক সুখদেব সিং কোকরি কালান বলেন, “সারা রাজ্যের কৃষকরা সাঙ্গরুরে পৌঁছেছেন এবং আগামী দিনে আরও বিক্ষোভে যোগ দেবেন। আমরা সব ব্যবস্থা করে ফেলেছি”।

সূত্র: দ্য ট্রিবিউন

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

অতিবৃষ্টির জেরে যোগীরাজ্যে কৃষক আত্মঘাতী, বিঘার পর বিঘা জমির ফসল নষ্ট

শনিবার উত্তরপ্রদেশের বরবাঁকি জেলায় আত্মঘাতী হলেন এক কৃষক। তঁর নাম ঘনশ্যাম বর্মা। আত্মঘাতী কৃষকের স্ত্রী জানিয়েছেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে ঋণ নিয়ে এবার চাষ করেছিলেন ঘনশ্যাম। মনে করেছিলেন, এবার ফসল উঠলে সঠিক দাম পাবেন। সেই টাকায় ধার শোধ করবেন। কিন্তু অতিবৃষ্টির জেরে মাঠের ফসল মাঠেই শেষ! এর জেরেই তিনি আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেন।

জানা গিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের অন্তত ৩০টি জেলায় অতিবৃষ্টি হয়েছে। ফলে নষ্ট হয়েছে বিঘার পর বিঘার ফসল। শুধু মাত্র শ্রাবস্তী জেলায় ৩ হাজার শতাংশ বেশি বৃষ্টি হয়েছে। বরাবাঁকি জেলাতেও একই অবস্থা।

সূত্র- আনন্দবাজার

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

আরও খবর

তিন বছরে কেরালার কৃষকদের ঋণের বোঝা বেড়েছে দ্বিগুণ

কেরলের একটি স্বাধীন কৃষক সংগঠন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশন। এই সংগঠনটির উদ্যোগে চলা একটি সমীক্ষায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। এতে দেখা যাচ্ছে, বাম শাসিত কেরালার ৭২ শতাংশ কৃষক ঋণের জালে বন্দি। এছাড়াও জানা যাচ্ছে, গত তিন বছরে এই রাজ্যে কৃষকের ঋণের পরিমান দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সূত্র- অনলাইন মনোরমা

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষকের থেকে লুট: ৮ অক্টোবর ২০২২

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *