জয় কিষাণ: ১৩ অক্টোবর

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 3

মহারাষ্ট্রে কৃষকের মৃত্যু মিছিল, ৮ মাসে আত্মহত্যা ১৮০০’র বেশি কৃষকের

রাজ্য সরকারের ত্রাণ এবং পুনর্বাসন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী এই বছরের জানুয়ারি থেকে অগস্ট এর মধ্যে ১৮৭৫ জন কৃষকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। একইভাবে গত বছর ঋণের জালে জড়িয়ে পড়ায় আত্মঘাতী কৃষকের সংখ্যা ১৬০৫।

ফসলের নিম্নমূল্য, রাজ্য সরকারের উদাসীনতা, নিম্নমানের সেচ ব্যবস্থা, ভর্তুকির দুর্নীতি, উচ্চঋণের বোঝা, অতিবৃষ্টির কারণে ফসলের অপচয় কৃষকদের আত্মহত্যার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

কৃষক নেতা কিশোর তেওয়ারি অভিযোগ করেন যদিও মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে কৃষকদের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন কিন্তু তৃণমূল স্তরে সরকার কৃষকদের কাছে এখনও পৌঁছতে ব্যর্থ । তিনি বলেন যে আত্মহত্যাপ্রবণ জেলাগুলিতে এখনও মহারাষ্ট্র সরকারের তরফ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

সূত্র: দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

আখচাষিরা পাঁচ বছরে সর্বনিম্ন বকেয়া আদায় করেছেন চিনিকল থেকে

সরকারি তথ্য অনুযায়ী পাঞ্জাবের আখচাষিরা পাঁচ বছরে সর্বনিম্ন বকেয়া আদায় করেছেন চিনিকল থেকে। পাঞ্জাবের খাদ্য ও জনবন্টন বিভাগ থেকে পাওয়া সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী ২০২১-২২ সালে চিনিকলগুলো থেকে আখচাষিরা বকেয়া ৫৯১০ কোটি টাকা আদায় করেছেন, যা কিনা পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

আরেকটি রাজ্য যেখানে আখের বকেয়া বেশি তা হল গুজরাট। গুজরাটে, ২০২১-২২ মৌসুমে ৩৮৯১ কোটি টাকার মধ্যে ২৮৯২ কোটি টাকা কৃষকদের দেওয়া হয়েছে। এখনও অবধি বকেয়া রয়েছে ১০৩৫ কোটি টাকা (৩৪.৫ শতাংশ)।

সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষকদের পদযাত্রায় বাধা, ক্ষুব্ধ অন্ধ্রপ্রদেশের কৃষকেরা

একটি রাজ্য, একটি রাজধানী- এই স্লোগানকে সামনে রেখে শ্রীকাকুলাম থেকে অমরাবতী পর্যন্ত কৃষকদের পদযাত্রার সামনে বাধা সৃষ্টি করল অন্ধ্রের শাসক দল। গত দু’দিন ধরে মন্ত্রী কারমুরি ভেঙ্কটা নাগেশ্বর রাও-এর নেতৃত্বে ওয়াই এস আরসিপি কর্মীরা পদযাত্রাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। ফলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চরমে। এক রাজ্য এক রাজধানী স্লোগানের বিপরীতে অন্ধ্রের শাসক দলের পালটা স্লোগান, ‘ভুয়ো যাত্রী গো ব্যাক’। প্রশ্ন উঠেছে কৃষকদের নির্ধারিত পদযাত্রা কর্মসূচী চলা সত্ত্বেও কীভাবে ওই একই জায়গায় শাসক দলের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের জমায়েতের মদত দিল প্রশাসন।

সূত্র: দ্য হান্সইন্ডিয়া

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

সরকারের বেঁধে দেওয়া দামের নিচে বাজরা বিক্রি হরিয়ানায়

হরিয়ানার রেওয়ারি জেলার কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত পণ্য বাজরা বেসরকারি ক্রেতাদের কাছে ন্যূনতম সহায়ক মূল্যের অনেক কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার বাজরার জন্য ন্যূনতম মূল্য হিসাবে প্রতি কুইন্টাল ২৩৫০ টাকা নির্ধারণ করেছে। কিন্তু এটি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫০ থেকে ১৮২৫ টাকার মধ্যে।

যদিও স্থানীয় শস্য বাজারে এখনও পর্যন্ত ৭১০০০ কুইন্টাল বাজরার আসার খবর পাওয়া গেছে, রাজ্য সরকার এখনও ঘোষণা করেনি যে বাজরা বেঁধে দেওয়া ন্যূনতম বিক্রয় মূল্যে কেনা হবে কি না।

জৈতপুর গ্রামের কৃষক কুলদীপ বলেন, প্রতি কুইন্টাল ১৮০০ টাকা দরে একজন ব্যক্তিগত ক্রেতার কাছে ৫০ কুইন্টাল বাজরা বিক্রি করতে হয়েছে। তাঁর কথায়, “আমি সরকারের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে পারতাম না কারণ পরবর্তী ফসলের জন্য বীজ, সার, ডিজেল ইত্যাদি কেনার জন্য আমার অর্থের প্রয়োজন ছিল।

রেওয়াড়ির বেওপার মন্ডল নিউ গ্রেইন মার্কেটের সভাপতি রাধেশ্যাম মিত্তল বলেন, সরকারকে ঘোষণা করা উচিত যদি তাঁরা ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে বাজরা কিনতে চান কারণ কৃষকরা এটির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।

সূত্র: দ্য ট্রিবিউন

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষকের থেকে লুট: ১২ অক্টোবর

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *