জয় কিষাণ: ১৯ অক্টোবর ২০২২

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 6

নিয়মমাফিক কিস্তির টাকাকে ‘উপহার’ বলে প্রচার চালাচ্ছে জুমলাবাজ সরকার

নিয়মমাফিকভাবেই প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার ১২তম কিস্তির টাকা কৃষকদের অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। কিন্তু সেই টাকাকে ‘দীপাবলি’-র উপহার বলে প্রচার শুরু করল বিজেপি ও সবকটি বিজেপির মুখপত্র হিসাবে কাজ করা গণমাধ্যম, যেগুলি গদি-মিডিয়া বলে পরিচিত।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী-কিষাণ যোজনায় কৃষকদের চার মাস অন্তর দু’হাজার টাকা করে বছরে মোট ছ’হাজার টাকা দেওয়া হয়। সেই টাকাই পৌঁছেছে কৃষকদের অ্যাকাউন্টে। এর সঙ্গে উপহারের কোনো সম্পর্ক নেই বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জয় কিষাণ আন্দোলনের সর্বভারতীয় সভাপতি অভীক সাহা এই বিষয়ে বলেন, “মোদি-শাহের নেতৃত্বে যে ইউনিয়ন সরকার চলছে, তাদের হাজারও প্রতিশ্রুতি কোনোভাবেই বাস্তবায়িত হয়নি, উল্টে তাঁরা নানা ধরনের মিথ্যাচার করছেন। কৃষকদের আয় বছরে দ্বিগুণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এই সরকার, কিন্তু তার ধারেকাছেও পৌঁছায়নি কৃষকের আয়। দিল্লির ঐতিহাসিক কৃষক আন্দোলনের সময়ে সরকার সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার বিভিন্ন দাবি মেনে নিয়েছে বলে জানিয়েছিল, যার জেরে অবস্থান প্রত্যাহার করে নেন কৃষকেরা, কিন্তু সেই দাবিগুলো প্রায় কোনো অংশেই পূরণ করা হয়নি। এভাবেই এরা ভাঁওতা দিয়ে যায়। তাই এখন জুমলাবাজ এই মোদি সরকার কিষাণ যোজনার নিয়মতান্ত্রিক কিস্তির টাকাকে উপহার বলে প্রচার চালাচ্ছে। এই মিথ্যাচার রাজনৈতিক শিষ্টাচার বিরোধীও এবং কুরুচিকর। বিজেপির পক্ষেই এমনটা সম্ভব।”

ঋণের জালে দুর্দশায় বালুরঘাটে কৃষকের আত্মহত্যা

সমগ্র দেশের মতো পশ্চিমবঙ্গেও কৃষকের আত্মহত্যার খবর একেক করে সামনে আসছে। মঙ্গলবার রাতে বালুরঘাটের পতিরাম এলাকার বাসিন্দা, পেশায় কৃষক দুলাল বর্মণ কীটনাশক খেয়ে আত্মঘাতী হলেন। গত সোমবার প্রথমে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। এরপর বিষয়টি নজরে আসতেই তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় ওই কৃষকের। জানা গেছে, এই কৃষক সমবায় থেকে ঋণ নিয়ে কয়েক বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছিলেন কিন্তু তার মধ্যে ৫ বিঘা জমির ধান নষ্ট হয়ে যায়। এই বিপুল ক্ষতির ধাক্কায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি, আর তখনই চরম সিদ্ধান্ত নেন।

সূত্র- টিভি নাইন বাংলা

 বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

ফসলের বর্জ্য থেকে যাতে দূষণ না ছড়ায় তার জন্য যান্ত্রিক পরিকাঠামো তৈরির দাবি কৃষকদের

লুধিয়ানা: পরিবেশ দূষণের কারণে পাঞ্জাব-হরিয়ানায় কৃষকদের ফসলের বর্জ্য পোড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্র। কিন্তু সঠিক পরিকাঠামো না থাকায় বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। এই ব্যাপারে পাঞ্জাবের লুধিয়ানায় ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন (বিকেইউ- লাখোওয়াল) দাবি করল, ফসলের বর্জ্য থেকে যাতে দূষণ না ছড়ায় তার জন্যে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা সরকারকে অবিলম্বে যান্ত্রিক পরিকাঠামো তৈরি করতে হবে। সরকার ব্যর্থ হলে যদি কৃষকেরা বর্জ্য, পোড়ায় সেক্ষেত্রে বিকেইউ তাঁদের সমর্থন করবে বলে সরকারকে হুঁশিয়ার করা হয়েছে।

সূত্র- দ্য ট্রিবিউন

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষকদের আত্মহত্যার বিষয়ে কেন্দ্রের লুকোনো তথ্য সামনে, ক্ষেত্র সমীক্ষায় আকাশ-পাতাল ফারাক

কেন্দ্রের কৃষক বিরোধী অবস্থানের ফলে কৃষক আত্মহত্যা এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। কিন্তু কৃষক আত্মহত্যার পরিসংখ্যান নিয়ে মোদি সরকারের কারচুপি অব্যাহত। লুধিয়ানার পাঞ্জাব কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (PAU) সম্প্রতি ২০০০-২০১৮ সাল পর্যন্ত পাঞ্জাবের ২৩টি জেলার কৃষকদের আত্মহত্যার পরিসংখ্যান তুলে ধরেছে। যার সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যাচ্ছে, ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর (NCRB) পরিসংখ্যান কার্যত কৃষকের আত্মহত্যার ঘটনাকে আড়াল করেছে।

কিন্তু এ বছরের জুলাই মাসে সাংসদ সুরেশ দানোর্কারের একটি প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর পাঞ্জাব কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমীক্ষাকে কার্যত উড়িয়ে দেন।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১ আগস্ট বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে দাবি করেন যে মোদি জমানায় কোনো কৃষক আত্মহত্যা করেনি। সম্প্রতি, সাংসদ দানোর্কারের প্রশ্ন ছিল, পাঞ্জাব কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমীক্ষা অনুসারে পাঞ্জাবের ছটি জেলায় ২০০০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ৯২৯১ জন কৃষক আত্মহত্যা করেছেন, সরকার এই সত্যটি সম্পর্কে অবহিত কিনা! এই প্রশ্নটিকে পাশ কাটিয়ে কেবল এনসিআরবির তথ্যেই আস্থাজ্ঞাপন করেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী।

সূত্র- দ্য ওয়্যার

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

অন্ধ্রপ্রদেশে অমরাবতীর কৃষকদের বিপুল পদযাত্রায় অবরুদ্ধ সড়ক

“এক রাজ্য এক রাজধানী”র দাবিতে কৃষকদের বিপুল পদযাত্রায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়ল অন্ধ্রপ্রদেশের মহা সড়ক। সোমবার কোভভুরু থেকে রাজামহেন্দ্রভরম পর্যন্ত অমরাবতীর কৃষকদের মহা পদযাত্রার সময় গোদাবরী নদীর ৪র্থ ব্রিজ ঘন্টা দুয়েকেরর জন্য অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে।

সূত্র- ডেকান ক্রনিক্যাল

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষক বিরোধী মোদির দলকে নয় কেসিআরকে নির্বাচিত করুন, আহ্বান জানালেন কেটি রামারাও

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষক বিরোধী নীতির ফল ভুগতে হচ্ছে সমগ্র ভারতের কৃষকদের। এমনটাই বক্তব্য তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির সাধারণ সম্পাদক কেটি রামা রাওয়ের। তিনি মুনুগোড এলাকার ভোটারদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “বিজেপিকে হটিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কেসিআরকে পুনর্নির্বাচিত করতে হবে।” তিনি আরো বলেন, “মোদি সরকার কৃষিক্ষেত্রে পাম্প সেটে মিটার বসানোর পরিকল্পনা করছে আর অন্যদিকে কে সি আর কৃষক বন্ধু হিসেবে রাইথু বন্ধু স্কিম চালু করেছেন।”

সূত্র- দ্য নিউ ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে কৃষক বিক্ষোভ অব্যাহত

ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের নেতৃত্বে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ অব্যাহত। ক্ষতিগ্রস্থ ফসলের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি-সহ আরো বেশ কিছু দাবিতে হাজার হাজার কৃষক সাংরুরে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন।

শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী কৃষকেরা তাঁদের দাবিতে অনড়। যতক্ষণ পর্যন্ত তাঁদের দাবি মানা না হচ্ছে তাঁরা বিক্ষোভ চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন কৃষক সংগঠনগুলি। 

সূত্র- দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন


কৃষকের থেকে লুট: ১৮ অক্টোবর ২০২২

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *