জয় কিষাণ: ৬ নভেম্বর ২০২২

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 5

কৃষকদের নিয়ে উপরাষ্ট্রপতির বক্তব্যে ক্ষুব্ধ চাষিরা

বৃহস্পতিবার পাঞ্জাবের চণ্ডীগড়ে উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখর বলেন কৃষকরা উদীয়মান ভারতের মেরুদণ্ড এবং শিল্প, কৃষিকে নতুন গতিপথে চালিত করছেন। পাঞ্জাবের চণ্ডীগড়ে ১৫তম কৃষি ও খাদ্য প্রযুক্তি মেলায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, “কৃষকদের আরো ভালোভাবে সুস্থায়ী কৃষি এবং খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ডিজিটাল রূপান্তর সম্পর্কে জানাতে হবে। যাতে তাঁরা অর্থনৈতিকভাবে সুস্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করেন”।

যদিও কৃষকদের বক্তব্য, অনুযায়ী কেন্দ্রের কৃষক বিরোধী নীতির ফলে তাঁরা অসহায়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। কৃষকেরা আত্মহত্যা করছেন সারা দেশ জুড়ে অথচ কেন্দ্র বা রাজ্য হাত পা গুটিয়ে বসে আছে। অথচ উপরাষ্ট্রপতি তাঁদের বিকল্পের সন্ধান দিতে চাইছেন। কৃষকদের জীবন-মরণ সমস্যাকে চিহ্নিত না করে উপরাষ্ট্রপতির এই অযাচিত জ্ঞান দেওয়াকে ভালো চোখে দেখছেন না কৃষকেরা। তাঁদের দাবি শুধু ভাষণ নয় সরকারকে কার্যকরী পদক্ষেপ নিতে হবে।  

সূত্র- দ্য ইকনমিক টাইমস

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

ওড়িশায় সেচের জন্য খালের জল ছাড়ার দাবিতে সড়ক অবরোধ কৃষকদের

কৃষক রবিশস্য সেচের জন্য খালগুলি থেকে জল ছাড়ার দাবিতে শুক্রবার ওড়িশার কৃষকেরা কেন্দ্রপাড়া-গনডাখিয়া সড়ক অবরোধ করলেন। কালো ছোলা, সবুজ ছোলা, আলু, আখ এবং অন্যান্য শাকসবজি চাষের জন্য কেন্দ্রপাড়া, পট্টমুন্ডাই, জাম্বু এবং মারসাঘাই খালগুলির ওপর নির্ভর করেন চাষিরা।

চাষিদের অভিযোগ, কিছু জেলে কেন্দ্রপাড়া খালের আনিকুট গেটে তালা দিয়ে জল বন্ধ করে দিয়েছেন। যদিও বাকিগুলোর সংস্কারের ধীর গতি কৃষকদের উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে। গণ্ডাখিয়ার আরাখিতা রাউত জানান, তিনি দুই একর জমিতে সবুজ ছোলা চাষ করেছেন কিন্তু খাল দিয়ে তাঁর জমিতে জল সরবরাহ না হওয়ায় ফসল শুকিয়ে যাচ্ছে। সেখানকার অনান্য কৃষকরাও একই কথা জানান।

এই অবরোধের ফলে নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন। সেচ কর্তারা পুলিশের সহায়তায় সেদিনই কেন্দ্রপাড়া খালের আনিকূট গেট খুলে দেন। সেচ বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী উমেশ শেঠি জানান, “অন্যান্য খালগুলি যুদ্ধকালীন তৎপরতায় সংস্কার করা হচ্ছে এবং এক সপ্তাহের মধ্যে কৃষকরা তাদের রবি ফসলের জন্য জল পাবেন।”

সূত্র- দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

অতিরিক্ত সার কিনতে বাধ্য করা দোকানগুলির প্রতি ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানাল তামিলনাডু প্রশাসন

বৃহস্পতিবার তামিলনাড়ুর ভিরুধুনগরের কালেক্টর জে.মেঘানাথ রেড্ডি সারের দোকানগুলিকে সতর্ক করে বলেন যে কৃষকদের ন্যায্য মূল্যে সার বিক্রি করতে হবে। তিনি বলেন দোকানগুলির, কৃষকদের কেবলমাত্র সরকার নির্ধারিত মূল্যেই সার বিক্রি করা উচিত।

এ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ইতিমধ্যেই কৃষক সংগঠন  জয় কিষাণ আন্দোলন হুগলিতে আন্দোলন শুরু করেছে। অন্যান্য দাবির পাশাপাশি তাঁরা কৃষকদের এই হয়রানিরও বিরোধিতা করছেন।

বিগত কিছুদিন ধরেই দেখা যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সারের দোকানগুলি কৃষকদের অতিরিক্ত সার কিনতে বাধ্য করছে। ভিরুধুনগরের কালেক্টর জে.মেঘানাথ রেড্ডি আরও বলেন, “যেসব সার ভর্তুকি মূল্যে বিক্রি করা হয়েছে তা শুধুমাত্র পয়েন্ট-অফ-সেল মেশিনের মাধ্যমে বিক্রি করতে হবে এবং শুধুমাত্র চাষের এলাকা ভিত্তিক সঠিক পরিমাণে বিক্রি করতে হবে। এ ছাড়াও কৃষকের আধার নম্বর নথিভুক্ত করতে হবে। এছাড়া স্টকের প্রাপ্যতা এবং মূল্য তালিকা প্রকাশ্যে আনা উচিত। কৃষকরা যে সার কিনেছেন তার রসিদ দিতে হবে”। এর অন্যথা হলে কঠোর ব্যবস্থা নিতেও প্রশাসন পিছপা হবে না বলে এদিন বলেন তিনি।

সূত্র- দ্য হিন্দু

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষকদের খড় পোড়ানো থেকে বিরত থেকে অন্য উপায়ের খোঁজ করতে বললেন উপরাষ্ট্রপতি

শুক্রবার পাঞ্জাবের চণ্ডীগড়ে ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখর পাঞ্জাব ও হরিয়ানার কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন যে তাঁদের অবশ্যই খড় পোড়ানোর পরিবর্তে চাষের বিকল্প উপায়গুলি সন্ধান করতে হবে, কারণ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে মোকাবিলা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

এদিকে উপরাষ্ট্রপতির এই বক্তব্যের পর সাধারণভাবেই অখুশি কৃষকেরা। সম্প্রতি, জলবায়ু দূষণের কারণে ফসলের অবশিষ্টাংশ পোড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে পাঞ্জাব ও হরিয়ানা প্রশাসন। কিন্তু উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাব কৃষকদের বিপাকে ফেলেছে। এছাড়াও কেন্দ্রের কৃষক বিরোধী নীতির ফলে কৃষকেরা এমনিতেই কোণঠাসা হয়ে আছেন। তাঁর মধ্যে উপরাষ্ট্রপতির এই বক্তব্য তাঁদের মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দেবে বলেই মনে করা যায়।

সূত্র- দ্য হিন্দুস্তান টাইমস

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

জিএম সর্ষে চাষের বিরুদ্ধে কৃষকদের প্রতিরোধ

শুক্রবার দেশের একদল বিজ্ঞানী এবং কৃষক ঘোষণা করেন কেন্দ্রের জিএম সর্ষে চাষে উৎসাহ দেওয়ার বিরুদ্ধে তাঁরা প্রতিরোধ গড়ে তুলবেন। তাঁরা ‘সরিষা সত্যাগ্রহ’ নামে একটি মঞ্চের ব্যানারে একটি বিবৃতিতে বলেছেন, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে এবং অহিংসভাবে তাঁদের প্রতিরোধ চালিয়ে যাবেন। কারণ, জিএম সরিষা চাষ একটি অপরিবর্তনীয়, জবাবদিহির অযোগ্য দুঃসাহসিক কাজ বলে তাঁরা মনে করেন।

এই দলটি তাঁদের বিবৃতিতে বলেন, কিছু বছর আগে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী সরকারি বিজ্ঞানীদের দ্বারা গঠিত একটি কমিটি তাঁদের মূল্যায়নের পর জিএম ফসলের ওপর স্থগিতাদেশ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।

সূত্র- দ্য টেলিগ্রাফ  

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষকের থেকে লুট: ৪ নভেম্বর ২০২২

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *