জয় কিষাণ: ৩ নভেম্বর ২০২২

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 6

চাষির বিরুদ্ধে ধানের অবশিষ্টাংশ পোড়ানোর মিথ্যে অভিযোগ আনল পাঞ্জাব প্রশাসন

মঙ্গলবার পাঞ্জাবের লুধিয়ানা জেলার রাচ্চিন গ্রামের এক ধান চাষির বিরুদ্ধে ফসলের অবশিষ্টাংশ পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ করলেন রাজস্ব আধিকারিকেরা। যদিও ধান কাটার মতো অবস্থায় আসেনি ,তবু ঐ ধান চাষি তাঁর ফসলের অবশিষ্টাংশ পুড়িয়ে দিয়েছেন, এই অভিযোগে তাঁকে অভিযুক্ত করা হয়।

প্রসঙ্গত পাঞ্জাব-হরিয়ানার কৃষকেরা তাঁদের ফসলের অবশিষ্টাংশ পুড়িয়ে দেওয়ার জন্য পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের পরিবেশ দূষিত হয় বলে অনেকদিন ধরে মিডিয়ায় তোলপাড় হচ্ছে। সম্প্রতি ফসলের বর্জ্য পোড়ানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

চাষিদের দাবি, রাজস্ব বিভাগের এই অভিযোগের ফলে তাঁদের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। হয়রানির শিকার হয়েছেন তাঁরা। রাইকোটের মহকুমা শাসক বলেন যে, সাধারণত উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে পাঠানো ছবির পরেও আধিকারিকরা সশরীরে সেই জায়গায় গিয়ে দেখে বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। এমনকি যদি কিছু অসাবধানতায় পাঠানো হয়, তবে মনোনীত আধিকারিকরা সত্যতা যাচাই করার পরে প্রকৃত ব্যবস্থা নেওয়া হয়ে থাকে।

ধান চাষি পরদীপ সিং বলেন, “একজন কৃষি আধিকারিককে আমাদের ক্ষেতে পরিদর্শন করতে দেখে আমরা অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। আমরা কেন ফসলের বর্জ্য পোড়াচ্ছি তার ব্যাখ্যা তিনি করতে বলেন”। ঐ গ্রামের চাষিদের বক্তব্য অনুযায়ী তাঁরা সাম্প্রতিক অতীতে কখনই ফসলের বর্জ্য পোড়াননি।

সূত্র- দ্য ট্রিবিউন

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

পশ্চিমবঙ্গে আলুর দাম না মেলায় আত্মঘাতী কৃষক

আলুর বন্ডের দাম হঠাৎ অর্ধেক হয়ে যাওয়ায় মানসিক অবসাদে আত্মঘাতী বর্ধমানের আলু চাষি। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার বর্ধমানের সুলতানপুর পঞ্চায়েতের গোপালপুর এলাকায়। মৃত কৃষকের নাম সুচাঁদ মণ্ডল (৫২)।

সূত্রের খবর, আত্মঘাতী কৃষক হঠাৎ আলুর বন্ডের দাম হ্রাস পেয়ে অর্ধেক হয়ে যাওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। এর জেরেই তিনি গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন বলে পরিবারের দাবি। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির গোয়ালঘরে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে পরিবারের লোকেরা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

এদিনই ময়নাতদন্তের পর মৃতদেহটি পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। কৃষকের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাড়ে চার বিঘা জমিতে তিনি আলু চাষ করেছিলেন৷ বৃষ্টির কারণে প্রথমবার আলুর বীজ নষ্ট হয়ে যাওয়ার জন্য, দু’বার করে তা লাগাতে হয়েছিল৷ প্রথম দিকে আলুর ভালো দাম থাকলেও তিনি বিক্রি করেননি। স্টোরে মজুত করেছিলেন কিছুটা বেশি লাভের আশায়৷ কিন্তু গত দু’সপ্তাহ ধরে আলুর বন্ডের দাম হঠাৎ অর্ধেক হয়ে যাওয়ায় মানসিক দুশ্চিন্তায় ছিলেন৷ সামনেই ফের আলু চাষ করতে অনেক অর্থের প্রয়োজন৷ সেই অর্থের জোগান নিয়েও তিনি দুশ্চিন্তায় ছিলেন বলে দাবি পরিবারের৷

একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

সূত্র- এই সময়

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

‘শিল্প নয় জমি চাই’ দাবিতে পথে নামল সিপিএম

পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তনের পর বাম আমলে অধিগৃহীত জমিতে কোনো শিল্প গঠনের উদ্যোগ নেয়নি বর্তমান সরকার। আর তাই এবার জমিদাতা কৃষকেরা পথে নামলেন। ঘটনাটি বোলপুরের শিবপুর মৌজার ঘটনা। যদিও রাজ্যে আসীন তৃণমূল সরকারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে অধিগৃহীত জমিতে শিল্প হবে। তৎকালীন শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় শিবপুরে কেমিক্যাল হাবের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এর ফলে জমিদাতা চাষিরা কাজ পাওয়ার আশায় বুক বেঁধেছিলেন। কিন্তু প্রতিশ্রুতিই সার। কোনো শিল্পই ঐ অধিগৃহীত জমিতে গড়ে ওঠেনি।

পরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঐ জমিতে আবাসন প্রকল্প ও বিশ্ব ক্ষুদ্র বাজার হওয়ার কথা ঘোষণা করলে বেঁকে বসেন জমিদাতা কৃষকেরা। তাঁরা জমি ফেরত চাইতে থাকেন। কিন্তু শাসক দলের চাপে পড়ে আন্দোলন বেশি দূর গড়ায়নি। এরপর তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল গরু পাচার কাণ্ডে জেলে যাওয়ার পর থেকেই জমি ফেরতের দাবি তীব্র হয়।

মঙ্গলবার সিপিএম সমর্থক জমিদাতা চাষিরা জমি ফেরতের দাবিতে পথে নামেন। শিল্প না হলে তাঁদের জমি ফেরত দেওয়া হোক, এই ছিল দাবি। এদিন বোলপুরের কাশীপুর গ্রাম থেকে জমি ফেরতের দাবিতে মিছিল করেন কৃষকেরা।

সারা ভারত কৃষক সভার রাজ্য সম্পাদক অমল হালদার এবং সিআইটিইউ-এর পশ্চিমবঙ্গ কমিটির সাধারণ সম্পাদক অনাদি সাহু একাধিক সংগঠনের তরফে যৌথ বিবৃতিতে সর্বস্তরের জনগণকে এই লড়াইতে শামিল হওয়ার আহ্বান জানান।

সূত্র- ই টিভি ভারত

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

বাংলায় পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে চাষিদের ক্ষোভ তুলে ধরছে বিরোধীরা

কেন্দ্রে বিজেপি শাসিত সরকারের কৃষক বিরোধিতা সারা দেশ-সহ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নিন্দিত হয়েছে। আমাদের রাজ্যেও কৃষকদের অবস্থা উন্নত নয়। আর এই অবস্থাকেই পাখির চোখ করতে চাইছে সিপিএম-সহ বিরোধীরা।

পঞ্চায়েত ভোটকে সামনে রেখে উৎসবের মরশুম শেষ হতেই ময়দানে নেমে পড়ল সিপিএম। তাদের অভিযোগ, রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন পঞ্চায়েতে সীমাহীন দুর্নীতি করেছে তৃণমূল। সেই সঙ্গে বিরোধীরা শিক্ষা দুর্নীতির কথাও তুলে ধরেছেন। তারা এগুলিকেই আগামী পঞ্চায়েত ভোটে হাতিয়ার করতে চান। সেই কারণেই সারা ভারত কৃষক সভা, সারা ভারত খেতমজুর ইউনিয়ন, সিটু সহ বিভিন্ন বাম সংগঠন মঙ্গলবার থেকেই জেলায় জেলায় পদযাত্রার ডাক দিয়েছে। কৃষক সভার নেতা বিপ্লব মজুমদার বলেন, “গ্রামের মানুষের এখন ভয় ভাঙছে। শাসকদলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁরা এখন মুখ খুলছেন। আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে শাসকদলের ভোট লুঠ বন্ধ করতে হবে। পঞ্চায়েতে চুরি ঠেকাতে হবে। তাই আমরা গ্রাম জাগাও কর্মসূচি হাতে নিয়েছি।”

শাসক দলের অন্দরে বাইরে সমস্যায় থাকলেও তারাও প্রচারে জোর দিয়েছে। মঙ্গলবার  থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের প্রকল্প ‘দুয়ারে সরকার’ ফের চালু হল। তা চলবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত।

সুত্র- কলকাতা টিভি

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষকের থেকে লুট: ১ নভেম্বর ২০২২

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *