জয় কিষাণ: ২০ নভেম্বর ২০২২

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 9

সাড়ম্বরে পালিত হল কিষাণ বিজয় দিবস

টানা ৩৮৩ দিন সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার নেতৃত্বে আন্দোলন চালিয়ে ভারতের কৃষকেরা গত বছর অর্থাৎ ২০২১ সালের ১৯ নভেম্বর মোদি সরকারকে ৩টি কালা কৃষি আইন রদ করতে বাধ্য করেছিল। সেই বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শনিবার গোটা দুনিয়াব্যাপী পালিত হল কৃষকদের বিজয় দিবস বা ফতেহ দিবস।

উল্লেখ্য, ভারতের কৃষক ও ক্ষেতমজুরদের লাগাতার বিক্ষোভের মুখে গত বছর অর্থাৎ ২০২১ সালের ৯ ডিসেম্বর ২০২১ মোদি সরকার লিখিত আশ্বাস দেয়, সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার প্রতিনিধিত্বে এমএসপি আইন প্রণয়নের জন্যে একটি কমিটি গঠন করা হবে। এমএসপির আইন তৈরির পাশাপাশি কৃষকদের অন্যান্য দাবিগুলিও পূরণ করার আশ্বাস দিয়েছিল বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। সেই আশ্বাসের ভিত্তিতেই দিল্লি সীমান্তে তাঁদের ঐতিহাসিক সংগ্রাম স্থগিত রেখে, কৃষকেরা গত বছর ১১ ডিসেম্বর তাঁদের বাড়ি ফিরে গিয়েছেন।

ঐতিহাসিক এই কৃষক আন্দোলনে শাহাদত বরণ করে শহিদ হয়েছিলেন ৭৩৪ জন সংগ্রামী কৃষক। তাঁদের রক্তে লাল হয়েছিল কৃষিনিবিড় ভারতের মাটি। কৃষকদের এই সংগ্রাম স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এবং দীর্ঘতম গণ-বিক্ষোভ।

এই পটভূমিতে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা আজ ১৯ নভেম্বর ২০২২ নরেন্দ্র মোদি কর্তৃক ৩টি কালো কৃষি আইন প্রত্যাহারের ঘোষণার প্রথম বার্ষিকী বিজয় দিবস বা ফতেহ দিবস হিসাবে পালন করেছে। এদিন গোটা দুনিয়ার বিভিন্ন রাষ্ট্রে এবং আমাদের দেশে কিষাণ বিজয় দিবস পালিত হয়। দেশের পাশাপাশি এ রাজ্যের প্রতিটি গ্রামে ও শহরে কৃষকরা/সমর্থকরা প্রদীপ বা মোমবাতি জ্বালিয়ে বিজয় উৎসব করেন, বিতরণ করা হয় মিষ্টান্ন। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা পশ্চিমবঙ্গ শাখার বিভিন্ন শরিক সংগঠন এ রাজ্যের জেলায় জেলায় এদিন বিজয় দিবস পালন করেছে।

অন্যদিকে ফতেহ দিবস পালনের পাশাপাশি আগামী ২৬ নভেম্বর গোটা দেশব্যাপী রাজভবুন অভিযান কর্মসূচী সফল করতেও এদিন দেশব্যাপী সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার উৎসাহ উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো। আগামী ২৬ তারিখ থেকেই মোর্চা নয়া পর্যায়ে দেশব্যাপী কৃষক আন্দোলন শুরু করতে চলেছে বলে জানিয়েছেন সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার নেতৃবৃন্দ।

২৬ নভেম্বর ‘রাজভবন চলো’ কর্মসূচি সমর্থনের জন্য গণসংগঠনগুলিকে আবেদন সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার

সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার ডাকে আগামী ২৬ নভেম্বর গোটা দেশের সবকটি রাজ্যে ‘রাজভবন চলো’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। কৃষকদের একগুচ্ছ দাবিকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজ্যের রাজ্যপালের মাধ্যমে দেশের রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি প্রদানের জন্যেই এই ‘রাজভবন চলো’ কর্মসূচি। এই কর্মসূচিকে সমর্থনের পাশাপাশি কৃষক আন্দোলনকে সংহতি জানানোর ব্যাপারে বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গ ও গণসংগঠনের কাছে আবেদন জানালো ‘সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা পশ্চিমবঙ্গ’।

সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা এক প্রেস বিবৃতিতে জানিয়েছে, যেসব দাবিতে রাজভবন অভিযান কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে, সেগুলো হল, ১। সমস্ত ফসলের জন্য সব কৃষককে সি-২ প্লাস ৫০ শতাংশ হারে ন্যূন্যতম সহায়ক মূল্য প্রদানের বিষয়টি আইনিভাবে নিশ্চিত করা ২। ঋণগ্রস্ত কৃষককে দেনার বোঝা থেকে মুক্তি দিতে ঋণ মকুব প্রকল্প চালু করা ৩। বিদ্যুৎ সংশোধনী বিল ২০২০ প্রত্যাহার ৪। লখিমপুর খেরিতে কৃষক ও সাংবাদিক হত্যায় অভিযুক্ত দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রাষ্ট্রীয় প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্রকে মন্ত্রীত্ব থেকে বহিষ্কার করার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ করা ৫। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে ফসলের ক্ষতির জন্য কৃষকদের দ্রুত ক্ষতিপূরণ দিতে ব্যাপক কার্যকরী ফসল বিমা প্রকল্প কার্যকর করা ৬। প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি স্তরের কৃষক এবং কৃষিমজুরদের জন্য মাসিক ৫ হাজার টাকার পেনশন চালু করা ৭। কৃষক আন্দোলনের সময় চাষিদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও কৃষক আন্দোলনে শহিদ কৃষকদের পরিবার পিছু ক্ষতিপূরণ। এইসব কেন্দ্রীয় দাবিগুলোর পাশাপাশি রাজ্যস্তরের স্থানীয় দাবিদাওয়াগুলোও স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হবে বলে জানিয়েছে সংযুকক্ত কিষাণ মোর্চা।

আরো জানানো হয়েছে, কৃষকদেরকে ‘ঋণমুক্তি-পুরো দাম’ ও ‘ঋণ থেকে মুক্তি এবং সম্পূর্ণ পারিশ্রমিকের মূল্য’ বিষয়গুলো সরকার যতক্ষণ না পর্যন্ত পূরণ না করবে, ততদিন দেশব্যাপী ব্যাপক সংগ্রামের প্রস্তুতি নিতে চলেছে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা। দেশের বৃহত্তর এই কিষাণ জোটের বক্তব্য, সমস্ত ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য প্রদানের বিষয়টি আইনিভাবে নিশ্চিত করা এবং ঋণমুক্তি হল প্রধান দাবি।

উল্লেখ্য, এই ভুবনায়িত নয়া-উদার অর্থনীতির জেরেই দেশের কৃষি সঙ্কট যেমন বেড়ে চলেছে, ঠিক সেভাবেই আত্মঘাতী কৃষকের সংখ্যাও বেড়ে চলেছে। ১৯৯৫ সাল থেকে ভারতে ৪ লাখেরও বেশি কৃষক আত্মহত্যা করে মারা গেছেন এবং প্রায় ৬৮ শতাংশ কৃষক পরিবার ঋণ ও আর্থিক সঙ্কটে জর্জরিত।

গণসংগঠনসমূহের প্রতি মোর্চার তরফে অভীক সাহার বক্তব্য, “কৃষি ক্ষেত্রে কর্পোরেট হামলার অর্থই দেশের খাদ্য স্বনির্ভরতায়, বীজ-সার্বভৌমত্বে এবং প্রাণ-প্রকৃতির সমন্বয়বাদী দেশের অর্থনীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের মেরুদণ্ডে আঘাত। আরও যেটা বলার, দেশের মেহনতি মানুষকে নানাভাবে পর্যুদস্ত করতেই ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়িত করার চেষ্টা প্রবলভাবে জারি আছে, জারি আছে একটি মাত্র ধর্ম, একটিমাত্র ভাষা এবং একটি মাত্র সংস্কৃতির নিরিখে হিন্দি-হিন্দু-হিন্দুস্তানি ভারত নির্মাণের অপচেষ্টা যা আসলে ভারতের বর্ণগত, ধর্মীয়, ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য খারিজ করার মাধ্যমে বহুত্ববাদী ভারতের ঐক্যকে বিনষ্ট করার শামিল।” মোর্চার আহ্বান, “কৃষক আন্দোলন কৃষক-কৃষিমজুর ও শ্রমিকের হক প্রতিষ্ঠার স্লোগানকে সামনে আনার পাশাপাশি ভারতের বহুত্ববাদী ঐতিহ্যকে অক্ষুণ্ণ রাখারও শপথ নিয়েছিল। আর তাই কৃষিজীবী মানুষের দাবিদাওয়া সম্পূর্ণভাবে আদায় করার সংগ্রাম আসলে ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয়, বহুত্ববাদী, ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক ও সমাজবাদী কাঠামোকে রক্ষা করার এক বৃহত্তর গণতান্ত্রিক সংগ্রামেরই অংশ। আগামী ২৬ নভেম্বর সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার ডাকে ‘রাজভবন চলো’ কর্মসূচিকে সমর্থন করে আগামীদিনের কৃষিসংগ্রাম তথা ভারতের সার্বিক গণতান্ত্রিক সংগ্রামের সঙ্গে একাত্ম হতে হবে।”

কিষাণ আন্দোলন আগামী দিনে ফ্যাসিবাদ মুক্ত এক বহুত্ববাদী, গণতান্ত্রিক, সমন্বয়বাদী কৃষিনিবিড় ভারত গঠন করবে বলেও জানিয়েছে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা।

কিষাণ-মজদুরের স্বরাজ কায়েমের শপথ সংগ্রামী চাষি-ক্ষেতমজুরদের

শনিবার ছিল ১৯ নভেম্বর। ঐতিহাসিক কৃষক আন্দোলনের বিজয়ের বর্ষপূর্তি। এই উপলক্ষে গোটা দেশে ফতেহ দিবস বা কিষাণ দিবস পালন করলেন কৃষক ও ক্ষেতমজুররা। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার নেতৃত্বে এদিন বিজয় দিবস পালিত হয়। মিষ্টি বিতরণ-সহ নানা উৎসবমুখরতায় এই দিনটি পালিত হলেও, এদিন থেকেই নতুন করে দেশব্যাপী কৃষক আন্দোলন তৈরি করার সংকল্প নিয়েছে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা। ২৬ নভেম্বর রাজভবন অভিযানের মধ্যে নব-পর্যায়ে আন্দোলন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন কিষাণ মোর্চার নেতৃবৃন্দ। নবপর্যায়ে কৃষক আন্দোলন শুরু হওয়ার প্রাক পর্যায়ে অর্থাৎ কিষাণ বিজয় দিবসে এদিন এ রাজ্য থেকে শুরু করে গোটা দেশের সংগ্রামী চাষি আর ক্ষেতমজুররা শপথ নিয়েছেন, যতক্ষণ না পর্যন্ত কর্পোরেট লুঠ আর জাতিবাদি ও সাম্প্রদায়িক হাঙ্গামাকে প্রতিহত করে গোটা দেশে কিষাণ-ক্ষেতমজুর আর শ্রমিকের স্বরাজ কায়েম হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। সংগ্রামী কৃষক নেতাদের বক্তব্য, এবারের সংগ্রাম কর্মজীবী মানুষের সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম ভূমিনিবিড় মানুষের সংগ্রাম।

ক্রমেই উত্তাল হচ্ছে পাঞ্জাবের কৃষক আন্দোলন, সামলাতে না পেরে কুৎসা রাজ্য সরকারের

সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা’র ‘চাক্কা জ্যাম’ বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনে পড়ল। ক্রমশ আরও কৃষক এই আন্দোলনে যোগ দেওয়ায় বিপাকে পড়েছে পাঞ্জাব সরকার। আন্দোলনরত ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের (একতা সিধুপুর) কর্মীদের দাবিগুলি হল, ফসলের ক্ষতির সম্মুখীন হওয়া কৃষকদের ক্ষতিপূরণ, চিনিকলগুলিতে মাড়াই শুরু করা এবং যে কৃষক পরিবারের সদস্যরা তিনটি কৃষি কালা আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের সময় মারা গেছেন তাঁদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া। তাঁদের অভিযোগ পাঞ্জাব সরকার কৃষকদের এই দাবিগুলির বিষয়ে উদাসীন। কৃষকদের এই আন্দোলনকে কুৎসা করে কালিমালিপ্ত করার চক্রান্ত করছে রাজ্য সরকার এই অভিযোগও তাঁরা করেছেন।

এদিকে বিকেইউ’র সিধুপুর শাখার নেতাকর্মীরা এখনও মানসা, তালওয়ান্দি সাবো ও ফরিদকোটে সড়ক অবরোধ করে তাঁদের ন্যায্য দাবি দাওয়া আদায়ের আন্দোলনে অনড়। মানসার জেলা প্রশাসক বলদীপ কৌড় আন্দোলনরত কৃষকদের সড়ক অবরোধ না করে আলাপ আলোচনায় বসতে অনুরোধ জানিয়েছেন।

সুত্র- হিন্দুস্তান টাইমস

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

এনটিপিসি দাদরির কৃষকদের অধিগৃহীত জমির বর্ধিত ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার

বৃহস্পতিবার উত্তরপ্রদেশের দাদরির কৃষকদের থেকে কেড়ে নেওয়া জমির জন্য কোনো বর্ধিত ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করল ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কর্পোরেশন, দাদরি। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এনটিপিসি দাদরি প্রকল্প সাইটের কাছাকাছি ভারতীয় কিষাণ পরিষদের নেতৃত্বে ২৪টি গ্রামের কৃষকরা ১৯৭০ সালের প্রথম দিকে তাপবিদ্যুৎ কর্পোরেশন দ্বারা অধিগ্রহণ করা জমির বর্ধিত ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি অন্যান্য দাবিতে প্ল্যান্টের বাইরে এবং রসুলপুর গ্রামেও বিক্ষোভে বসেছিলেন।

জমি অধিগ্রহনের সময় যে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল এনটিপিসি কর্তৃপক্ষ তার কোনোটিই তারা পূরণ করেনি, তাই এই আন্দোলন বলে জানান ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের সদস্য প্রবীণ চৌহান। এনটিপিসি, দাদরির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে জমির ক্ষতিপূরণ বাড়ানো বা কৃষক পরিবারকে কর্মসংস্থান দেওয়ার সম্ভাবনা নেই। বিকেপি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তাঁদের দাবি না মানা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

সূত্র- হিন্দুস্তান টাইমস

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

আন্দোলনকারীদের নামে কুৎসা ছড়াচ্ছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী, অভিযোগ

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান আন্দোলনরত কৃষকদের নামে কুৎসা ছড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন কৃষক নেতারা। শুক্রবার আন্দোলনরত কৃষকদের ব্যাপারে আপ-এর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রাস্তা অবরোধ, ধর্ণা এগুলি করে কৃষক এবং তাঁদের সহযোগী সংগঠনগুলি রাজ্য সরকারকে ব্ল্যাক মেইল করছে।” তাঁর দাবি, কিছু কৃষক সংগঠন আর্থিক লেনদেনে জড়িয়ে আছে। স্বাভাবিকভাবেই মুখ্যমন্ত্রীর এ ধরণের বক্তব্যকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং কৃষকবিদ্বেষী বলে অভিযোগ করেছে একাধিক কৃষক সংগঠন।

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষকের থেকে লুট: ১৮ নভেম্বর ২০২২

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *