জয় কিষাণ: ১৮ ডিসেম্বর ২০২২

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 6

কেরলে উপগ্রহ সমীক্ষার রিপোর্টকে চ্যালেঞ্জ জানালেন কৃষকরা

কেরালা সরকার থেকে মানব বসতি এবং কৃষি এলাকা চিহ্নিত করার জন্য একটি উপগ্রহ সমীক্ষা করা হয়। এই সমীক্ষার রিপোর্টের সমালোচনা করল কংগ্রেস এবং বিভিন্ন কৃষক সংগঠন। এখানে ৫০,০০০ কাঠামো জমিকে পরিবেশ-সংবেদনশীল অঞ্চলের আওতাভুক্ত করা হয়েছে।

কৃষকদের দাবি, এই চিহ্নিতকরণে হাজার হাজার কাঠামো জমির কথা উল্লেখ করা হয়নি। কেরালা ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান অ্যালেক্স ওঝুকাইল বলেন, এই সমীক্ষাটি একদমই সঠিক নয়। এখানে এই অঞ্চলের অর্ধেক বাড়ি এবং অন্যান্য কাঠামো জরিপ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টে পেশ করা হলে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাও বাফার জোনের আওতায় চলে আসবে।

শুক্রবার কংগ্রেস থেকে এই সমীক্ষার ফলাফলের বিরুদ্ধে অন্যান্য কৃষক সংগঠনের সঙ্গে মিলে আগামী মঙ্গলবার কোঝিকোড়ে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়।

সূত্র- ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

পাঞ্জাবে কৃষকদের ধর্না ২২ দিনে পড়ল

পাঞ্জাবের জলন্ধরে উপ-জেলাশাসকের দফতরের বাইরে কিষাণ মজদুর সংঘর্ষ কমিটির অনির্দিষ্টকালীন ধর্না শনিবার ২২ দিনে পড়ল। অন্যদিকে, কৃষক সংগঠনের রাজ্য সম্পাদক সুখবিন্দর সিং সাবরা এবং রাজ্য সভাপতি সালবিন্দর সিং জানিয়ার নেতৃত্বে কৃষকদের অবস্থান বিক্ষোভের ফলে কাহওয়া ওয়ালা পুলের টোল প্লাজা তৃতীয় দিনের জন্য করমুক্ত ছিল।

ধর্না চলাকালীন কৃষকদের উদ্দেশ্যে সংগঠনের নেতারা বলেন, “পাঞ্জাব সরকার বিধানসভা নির্বাচনের আগে কৃষকদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখতে ব্যর্থ হয়েছে”। কৃষকদের দাবিদাওয়া পূরণ না হওয়া অবধি এই প্রতিবাদ আন্দোলন চলবে বলে তাঁরা স্পষ্ট করেন ।

প্রসঙ্গত, কৃষকরা ভাগচাষিদের জন্য স্থায়ী জমির অধিকার, স্বামীনাথন রিপোর্ট বাস্তবায়ন, সুতলেজ, বিয়াস, চিট্টি বেইন এবং অন্যান্য জলাশয়ের জল পরিষ্কার এবং নদী থেকে বর্জ্য পরিষ্কার করার দাবি জানিয়েছেন। কৃষি জমি সেচের জন্য খালের জল ব্যবহারের দাবিও তাঁরা জানান। এছাড়াও কৃষক সংগঠনগুলি জি-২০ বৈঠকেরও বিরোধিতা করে। ইতিমধ্যে, এই অবস্থান বিক্ষোভ চলাকালীন রাজ্যের কৃষকরা ১০টি জেলার ১৮টি টোল প্লাজাকে করমুক্ত করেছেন। যদিও এখনও পর্যন্ত পাঞ্জাব সরকার কৃষকদের দাবি-দাওয়া নিয়ে কোনো উচ্চবাচ্য করেনি। কৃষকরা জানিয়েছেন তাঁদের দাবি পূরণ না হলে ভবিষ্যতে আন্দোলন আরও তীব্র এবং জোরদার হবে।

সূত্র – দ্য ট্রিবিউন

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কর্ণাটকে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত আম চাষ 

কর্ণাটকে সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় জনিত বৃষ্টিপাতের ফলে আম গাছে ছত্রাকবাহিত রোগ দেখা দিয়েছে। ফলত কর্ণাটকের আম চাষিরা যাঁরা গ্রীষ্মকালে ভালো ফলনের আশায় ছিলেন তাঁরা আশাহত হয়েছেন। আসন্ন গরমের মরশুমে আমের ফলন কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কর্ণাটক রাজ্যের আম চাষিদের দুর্দশার কথা বর্ণনা করে শুক্রবার রামনগরের কায়সাপুরার এক কৃষক বালাকৃষ্ণ সংবাদ সংস্থাকে জানান যে তিনি বাদামি, রাসপুরি, সিন্দুরা, তোথাপুরির মতো আমের জাত চাষ করেন এবং ইতিমধ্যেই তিনি তাঁর জমিতে ছত্রাকের আক্রমণ লক্ষ্য করেছেন। এর ফলে আম চাষিরা বিপুল ক্ষতির মুখোমুখি হতে চলেছেন।

বালাকৃষ্ণ আরও বলেন, “রামনগর জেলার আম সাধারণত প্রথম বাজারে আসত কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঘূর্ণিঝড় জনিত বৃষ্টিপাতের কারণে আম বাজারে আসতে দেরি হয়েছে এবং ফলস্বরূপ কৃষকরা তাঁদের উৎপাদিত পণ্যের ভালো দাম পাননি”।

রাজ্যের আম চাষিদের দুর্দশার কথা বলতে গিয়ে কর্ণাটক স্টেট ম্যাঙ্গো ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড মার্কেটিং কর্পোরেশন লিমিটেড, বেঙ্গালুরু-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডাঃ সি.জি. নাগরাজ বলেন, “সাত বছর ধরে আমের ভালো ফলন হয়েছে এবং চাষিরা আশা করছিলেন যে আগামী মরশুমে ভাল ফলন হবে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি আমাদের জন্য ক্ষতিকর হয়েছে”।

সূত্র- ডেকান ক্রনিক্যাল

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

পাঞ্জাবের কৃষিমন্ত্রীর কাছে চাষিদের দাবি তুলে ধরলেন জগজিৎ সিং ডাল্লেওয়াল

ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের (একতা সিধুপুর) সভাপতি জগজিৎ সিং ডাল্লেওয়াল শুক্রবার পাঞ্জাবের কৃষিমন্ত্রী কুলদীপ সিং ধালিওয়ালের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন। বৈঠকে পাঞ্জাব সরকারের কাছে কৃষকদের বিভিন্ন দাবিদাওয়া পর্যালোচনা করার প্রসঙ্গ উত্থাপিত হয়।

প্রসঙ্গত, ডাল্লেওয়াল সম্প্রতি কৃষকদের দাবিতে অনশন করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডাল্লেওয়াল বলেন, “আমরা রাজ্য সরকারের কাছে বিভিন্ন দাবি উত্থাপন করেছি এবং শুক্রবার এই দাবিগুলির অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেছি। কৃষকদের জমির মালিকানা দেওয়া, যে কোনো কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের ক্ষতিপূরণ বাড়ানো-সহ অন্যান্য দাবির বিষয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়”।

উল্লেখ্য, কৃষক নেতা ডাল্লেওয়াল কৃষকদের দাবির বিষয়ে বরাবরই সরব। কৃষক আন্দোলনে তাঁর অগ্রণী ভূমিকা অনস্বীকার্য।  

সূত্র- দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

ভাটিন্ডায় বিনিয়োগ দুর্নীতির বিরুদ্ধে কৃষকদের প্রতিবাদ

ভাটিন্ডায় বিনিয়োগ দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিকেইউ-এর সদস্যরা প্রতিবাদে নামলেন। ১৬ জনের একটি দলের বিরুদ্ধে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে কৃষকদের থেকে লক্ষ লক্ষ টাকার প্রতারণা করার অভিযোগ উঠল। তাদের গ্রেফতারের দাবিতে ভাতিন্ডা ক্যান্টনমেন্ট থানার বাইরে চাষিরা বিক্ষোভ করেন।

তাঁদের দাবি, যত শীঘ্রই সম্ভব সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার করতে হবে, এবং অবিলম্বে কৃষকদের টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা নিতে হবে। সংগঠনের এক প্রবীণ নেতা রেশম সিং বলেন, ১৬ জনের ওই দলটি কৃষকদের থেকে প্রায় দু’কোটির বেশি টাকা প্রতারণা করেছে। পুলিশ চলতি বছরের অক্টোবরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করলেও এখন পর্যন্ত তারা কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা এখনও অবধি কৃষকদের সঙ্গে প্রতারণা করে যাচ্ছে। এই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হলেও তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ভাটিন্ডার এসএসপি জে এলানচেজিয়ান জানান, বিষয়টি তদন্ত করার জন্য ইতিমধ্যে একটি এসআইটি গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি সিনিয়র আধিকারিকরা ঘটনাটি পরিচালনা করছেন। মামলার তদন্ত শেষ হলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্র- দ্য ট্রিবিউন

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষকের থেকে লুট: ১৬ ডিসেম্বর ২০২২

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *