জয় কিষাণ: ১৫ ডিসেম্বর ২০২২

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 5

২০ ডিসেম্বর পদযাত্রার ডাক দিল হরিয়ানার কৃষক সংগঠনগুলি

শামলাত জমির মালিকানা অধিকারের দাবিতে আম্বালা থেকে চণ্ডীগড় পর্যন্ত কৃষক সংগঠনগুলি ২০ থেকে ২২ ডিসেম্বর এক পদযাত্রার ডাক দিয়েছে। এই পদযাত্রার মাধ্যমে শামলাত জমি নিয়ে আইন প্রণয়নের জন্য চাপ দিতে ২২ ডিসেম্বর কৃষকরা হরিয়ানা বিধানসভা অভিযান করবেন।

মঙ্গলবার চণ্ডীগড়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে কৃষক নেতারা বলেন, “১২ সেপ্টেম্বর চণ্ডীগড়-পাঁচকুলা সীমান্তে বিক্ষোভ চলাকালীন সরকার শামলাত জমির মালিকানা সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের বিষয়ে কৃষকদের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা সরকারকে স্মরণ করাতে রাজ্যের রাজধানীতে ২২ ডিসেম্বর তাঁরা আসবেন”।

প্রসঙ্গত, যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে কৃষক নেতা মনদীপ নাথওয়ান, সুরেশ কোঠ, জগদীপ সিং আউলখ, কর্নাইল সিং এবং ধরমবীর ধিন্ডসা এই বিষয়ে ঘোষণা করেছেন। কৃষক নেতারা জানান যে কৃষকরা ২০ ডিসেম্বর আম্বালার পাঞ্জোখরা সাহেব গুরুদ্বার থেকে চণ্ডীগড় যাওয়ার জন্য তাঁরা পদযাত্রা শুরু করবেন।

সূত্র- দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কাশ্মীরের আপেল চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত

আপেল উৎপাদনে কাশ্মীরের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। কিন্তু চলতি বছরে চাষিরা গত বছরের তুলনায় কম দামে আপেল বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন। রিপোর্ট অনুযায়ী কাশ্মীর দেশের মোট আপেলের প্রায় ৭৫ শতাংশ উৎপাদন করে এবং এটিকে কাশ্মীরের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

আপেল উৎপাদনের মরশুমে ভূমিধসের কারণে শ্রীনগর-জম্মু জাতীয় মহাসড়ক ঘন ঘন বন্ধ হয়ে যাওয়া, ফল বোঝাই ট্রাক আটকে থাকা এবং চাষিদের বাজারে আসতে দেরি হওয়ার কারণে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। ২০২১ সালের তুলনায় এই মরসুমে কাশ্মীর থেকে আসা আপেলের হার কম ছিল এবং এর ফলে চাষিরা এই বছর বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।

এক আপেল চাষি জানান, “চলতি মরশুমে ব্যাপক ফলন হলেও প্যাকেজিং ও পরিবহন খরচ গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। যেহেতু সরবরাহ বেশি, তাই আপেলের দাম কমেছে”। কাশ্মীরের আপেল চাষিরা নিরুপায় হয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে সাহায্য চাইলেও তা পাবেন কিনা সে ব্যাপারে এখনও নিশ্চিত নন।

সূত্র- ব্রাইটার কাশ্মীর

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

তেলেঙ্গানার ৩৬ শতাংশ ভাগচাষি কোনো সরকারি সাহায্য পান না

রিথু স্বরাজ্য বেদিকা নামের এক সংস্থা গোটা তেলেঙ্গানা জুড়ে সম্প্রতি কৃষক সমাজের ওপর একটি সমীক্ষা চালায়। তাতে দেখা যায় তেলেঙ্গানার প্রায় ৩৬ শতাংশ ভাগচাষি কোনো রকম সরকারি সাহায্য ছাড়াই তাঁদের জীবিকা নির্বাহ করেন। ২০টি জেলার ৩৪টি গ্রামে সমীক্ষা চালিয়ে উঠে এসেছে, ৭৭৪৪ জন কৃষকের মধ্যে ২৭৫৩ জন কৃষক লিজ নিয়ে জমি চাষ করেন। তাঁদের মধ্যে আবার ৯.৫০ শতাংশ কৃষক মহিলা।

এই সংস্থার ২০২১ সালের একটি প্রতিবেদনে বলা হয় তেলেঙ্গানায় কৃষক আত্মহত্যার মধ্যে ৮০ শতাংশ কৃষক ভাগচাষি। এই তথ্য সামনে আসার পর এই বিষয়টি নিয়ে মাথা ঘামাতে শুরু করে নানা কৃষক সংগঠন। তেলেঙ্গানা সরকার থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়, সরকারি সহায়তা শুধুমাত্র জমির মালিক কৃষকদের প্রদান করা হবে।

২০১৫ সালের পর এই আইন কার্যকর করা বন্ধ হলেও অলিখিতভাবে তেলেঙ্গানায় এই আইনই চলে আসছে। সরকারের রাইথুবন্ধু প্রকল্প থেকে মাত্র ১০ জন ভাড়াটে কৃষক সরকারি সহায়তা পেয়েছেন।

সূত্র- সিয়াসত

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

টাকার অভাবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণে প্রতিবন্ধকতার শিকার কৃষককন্যা

টাকার অভাবে পুরুলিয়ার কৃষককন্যার বিশ্বকাপে যোগদান অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এই প্রতিভার নাম মিকি মাহাতো। পিররা গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার দু-নম্বর ব্লকের চাকিরবন গ্রামের বাসিন্দা। বিগত আট বছর ধরে কিউকোসিন ক্যারাটের লাইট ওয়েট বিভাগের জন্য সে অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছে।

মিকি মাহাতো ২০১৩ সাল থেকে নানা পুরস্কার এনে পুরুলিয়ার নাম উজ্জ্বল করেছে। এমনকি আন্তর্জাতিক স্তরেও তার প্রতিভার নিদর্শন দেখিয়েছে সে। কিন্তু এবার বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করায় তার প্রধান প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে দারিদ্রতা। তার বাবা পেশায় একজন স্থানীয় চাষি। কোনমতে জীবিকা নির্বাহ করে সংসার চালানোই তাঁর সামর্থ্য। দেশের নাম উজ্জ্বল করার লক্ষ্যে এই প্রতিভা শুধুমাত্র টাকার অভাবে আজ হারিয়ে যাওয়ার মুখে।

সূত্র- নিউজ ১৮ বাংলা

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

পঞ্চায়েত ভোটে কৃষকদের দাবিদাওয়া গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে

পশ্চিমবঙ্গে আসতে চলেছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। কৃষকদের দাবিদাওয়া এই ভোটে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠছে।

মঙ্গলবার পশ্চিম খয়েরবাড়িতে কিষাণ ক্ষেতমজুর তৃণমূল কংগ্রেসের মাদারিহাট বীরপাড়া ব্লক কমিটির কর্মী সম্মেলনে বিজেপি ও প্রধানমন্ত্রীর তীব্র সমালোচনা করলেন নেতারা। বললেন, কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষকবিরোধী নীতির ফলে কৃষকদের অবস্থা সংকটজনক। মোদি সরকারের কৃষকবিরোধী এই অবস্থানই যে এবারের পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলের হাতিয়ার হতে চলেছে এ ব্যাপারে স্পষ্ট করেছেন তৃণমূলের নেতারা।

এই সংগঠনের রাজ্য সভাপতি পূর্ণেন্দু বসুর অভিযোগ, নরেন্দ্র মোদি দেশের ক্ষতি করছেন। দেশকে বিক্রি করে দিচ্ছেন। রেল, স্টিল কারখানা-সহ অনেক কিছুই বিক্রি হয়ে যাচ্ছে।

সূত্র- উত্তরবঙ্গ সংবাদ

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষকের থেকে লুট: ১৩ ডিসেম্বর ২০২২

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *