জয় কিষাণ: ১১ ডিসেম্বর ২০২২

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 5

লখিমপুর খেরি হিংসায় ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি তুললেন রাষ্ট্রীয় লোক দলের সুপ্রিমো

গত বছর ঘটে যাওয়া উত্তরপ্রদেশের লখিমপুর খেরি হিংসার ঘটনায় আহত কৃষকদের অবিলম্বে ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং শহিদ চাষিদের পরিবারকে সরকারি চাকরি দেওয়ার দাবি শুক্রবার রাজ্যসভায় উত্থাপিত হয়। রাজ্যসভায় জিরো আওয়ারে রাষ্ট্রীয় লোক দলের সুপ্রিমো জয়ন্ত চৌধুরী বলেন, রাজ্য সরকার শহিদ কৃষকের পরিবারকে চাকরি দেওয়ার এবং আহতদের ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু এই সপ্তাহে উত্তরপ্রদেশের বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের দেওয়া উত্তর থেকে জানা গেছে যে প্রতিশ্রুতির বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

প্রসঙ্গত, ৩ অক্টোবর ২০২১ সালে ঐতিহাসিক কৃষক আন্দোলন চলাকালীন উত্তরপ্রদেশের উপ-মুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্যের ওই এলাকায় সফরের বিরুদ্ধে কৃষকদের বিক্ষোভ করার সময় একটি হিংসার ঘটনা ঘটে। লখিমপুর খেরির তিকুনিয়ায় আটজন কৃষক নিহত হন। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী অজয় মিশ্রের ছেলে আশিস মিশ্রের প্ররোচনায় কৃষকদের একটি এসইউভি গাড়ি চাপা দেয়। নিহত কৃষকদের আত্মীয়দের সরকারি চাকরি এবং আহত কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি ওঠে। যদিও সে দাবির ব্যপারে উত্তরপ্রদেশ সরকার এখনও উদাসীন।

সূত্র – এবিপি লাইভ

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করতে ব্যর্থ মোদি সরকার, বিস্ফোরক অশোক গেহলট

রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট শুক্রবার কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার প্রতিশ্রুতি পূরণ না করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আক্রমণ করলেন। গেহলট বলেন, কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের ‘বৈপ্লবিক পদক্ষেপ’ গ্রহণ করা উচিত। তিনি কৃষকদের সঙ্গে প্রাক-বাজেট বৈঠকের শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথোপকথনের সময় এই অভিযোগ করেন। কেন্দ্রের উচিত রাজ্যগুলির সঙ্গেও কৃষকদের ব্যাপারে আলোচনা করা বলে জানান তিনি।

জাতীয় কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ নেতা গেহলট আরও বলেন, “কেন্দ্র এবং রাজ্যগুলির একসঙ্গে এই পরিকল্পনা করা দরকার এবং এমন একটি চিন্তাভাবনা তৈরি করা প্রয়োজন যা কৃষকদের আয় দ্বিগুণ করতে সহায়তা করে”। এই বিষয় ছাড়াও রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমরা চাই কেন্দ্র এবং প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রত্যেককে ‘স্বাস্থ্যের অধিকার’ প্রদান করুন। মানুষকে চিকিৎসার জন্য অর্থ ব্যয় করতে বাধ্য করা উচিত নয়, সবার জন্য চিকিৎসা বিনামূল্যে হওয়া উচিত”।

সূত্র – দ্য প্রিন্ট

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

চাহিদার অতিরিক্ত ফলনে দুর্দশার মুখে ফুলকপি চাষিরা

অতিরিক্ত ফলনের কারণে বাজারে ফুলকপি প্রচুর। তাই লাভের মুখ দেখতে পারছেন না ব্যবসায়ী ও কৃষকরা। সারের দাম অত্যাধিক হয়ে যাওয়ায় সামান্য লাভটুকু পাচ্ছেন না চাষিরা।

চলতি বছরের আবহাওয়ার কারণে সব রাজ্যেই অতিরিক্ত ফলন হয়েছে ফুলকপির। ফলে বাইরের বাজারেও কপির ছড়াছড়ি। ফলে দাম কমেছে ফুলকপির। ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে খুবই সামান্য লাভে ফুলকপি বিক্রি করতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। বাইরের বাজারে ফুলকপির রফতানিতে হ্রাস ঘটায় ছিন্তার ভাঁজ পড়েছে কৃষকদের কপালে। পাইকারি ব্যবসায়ীদের আশা, বৃষ্টির আগমন হলে ফুলকপির দাম ও চাহিদা অপেক্ষাকৃতভাবে বাড়তে পারে।

চাষিরা বলছেন, বৃষ্টির আশায় বসে না থেকে সরকারের উচিত দ্রুত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া। যাতে ফুলকপি চাষি ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা দুর্দশা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। সারের দাম কমানোরও দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা।

সূত্র – নিউজ ১৮ বাংলা

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

অনাবৃষ্টিতে ক্ষতির মুখে তরাই-ডুয়ার্সের চা চাষিরা

উত্তরবঙ্গের তরাই-ডুয়ার্স অঞ্চলে চা চাষ ভয়ঙ্কর ক্ষতির মুখে। এর কারণ হিসেবে বৃষ্টির ঘাটতির পাশাপাশি সরকারি উদাসীনতাকেও দায়ী করছেন চা চাষিরা। দীপাবলির পর থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির দেখা নেই। যার ফলে বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ কমে গেছে। এর জেরে গাছের বাষ্পমোচনের হার বেড়ে যাওয়ায় ভূ-গর্ভস্থ জল বেরিয়ে গিয়ে শুষ্কতা তৈরি হচ্ছে। সঙ্গে যুক্ত হয়েছে হেলোপেলটিসের মতো রোগপোকার আক্রমণ। প্রকৃতির এমনই নানা বিরূপতার কারণে এবার ডুয়ার্সে নভেম্বরের মাসের চা উৎপাদন গতবারের থেকে মার খেল সাড়ে ৪ শতাংশেরও বেশি।

উল্লেখ্য, আর কয়েক দিন পরেই শেষ হতে চলেছে চা মরশুম। ফলে ঘাটতি যে পূরণ করা সম্ভব নয় এ ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত বিশেষজ্ঞরা। চা মালিকদের অন্যতম সংগঠন ডিবিআইটিএ-র সম্পাদক সঞ্জয় বাগচি বলেন, “চলতি মাসের ১৭ তারিখ থেকে বাগানগুলিতে কাঁচা পাতা তোলা বন্ধ হয়ে যাবে। যার অর্থ এবারের মরসুম প্রায় শেষ। ফলে সার্বিক ঘাটতি আর পূরণ হবে না বলেই ধারণা”। অনাবৃষ্টির সঙ্গে কেন্দ্র ও রাজ্য উভয় সরকারের নীরবতায় ক্ষতির মুখে পড়তে চলেছে চা শিল্পের সঙ্গে যুক্ত ক্ষুদ্র চাষিরা।

সূত্র – উত্তরবঙ্গ সংবাদ

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

আতপ চালের রফতানি বন্ধ হওয়ায় দুর্দশার মুখে চাষিরা

আতপচালের রফতানি বন্ধ হওয়াতে শীতের মরশুমে দুর্দশার মুখে পড়লেন চাষিরা। কেন্দ্রীয় সরকার চলতি বছরে ৮ সেপ্টেম্বর আতপ চালের রফতানির ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধি করায় বন্ধ হয়ে যায় আতপ চালের রফতানি। গোবিন্দভোগ-সহ, সীতা, স্বর্ণ, লঘু সব ধরনের আতপ চালের ওপরেই শুল্ক বৃদ্ধি করা হয়।

কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপের ফলে আতপ চাল চাষ রীতিমতো ধ্বংসের মুখে যেতে বসেছে। এছাড়া বর্ধমানে ১০০টির চালের মিলের মধ্যে ৩০টি মিল গোবিন্দভোগ চালের হওয়ার অতিরিক্ত ক্ষয়ক্ষতির মুখে মিল মালিকরা। এই দুর্দশা থেকে মুক্তি পেতে রাইসমিল অ্যাসোসিয়েশন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে শুল্ক কমানোর আবেদন জানিয়ে পিটিশন জমা দিয়েছে।

সূত্র- নিবিড়

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষকের থেকে লুট: ৯ ডিসেম্বর ২০২২

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *