জয় কিষাণ: ১৭ অক্টোবর ২০২২

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 7

আলু বীজ ও সারের কালোবাজারি রুখতে হুগলিতে জয় কিষাণ আন্দোলনের পদযাত্রা

বীজ ও সারের কালোবাজারি অবিলম্বে বন্ধ করা এবং সব ফসলের ন্যায্য মূল্য আইন প্রণয়ন করার দাবিতে পযযাত্রায় সামিল হলেন কৃষকেরা। এই দাবির ভিত্তিতে বিধানসভায় আইন প্রণয়নেরও আওয়াজ উঠল কৃষকদের তরফ থেকে। রবিবার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত চলা জয় কিষাণ আন্দোলনের ডাকে খন্ন্যান জি টি রোড হাটতলা থেকে বৈঁচি জি টি রোড চৌমাথা পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তা ধরে কৃষকেরা পদযাত্রায় পা মেলালেন।

শুরু হচ্ছে আলু চাষের মরশুম। কিন্তু আলু বীজ ও সারের ব্যপক কালোবাজারি দুশ্চিন্তায় ফেলেছে চাষিদের। অসন্তোষ তীব্র হয়েছে চাষিদের মনে। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে কালোবাজারির ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিক সরকার। অভিযোগ, প্রশাসনের তরফে কোন পদক্ষেপই নেওয়া হচ্ছে না। কোনো চাষির নিজস্ব জমি রয়েছে, কেউ বা ক্ষেতমজুর। খরচ অত্যাধিক বেড়ে গেলে তাঁদের অনেকেই আর চাষ করতে পারবেন না।

রাজ্যে সার ও বীজ নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ বহুদিনের। কৃষকরা ন্যূনতম সহায়ক মূল্য থেকেও বঞ্চিত। সারা দেশে কৃষকদের জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে জয় কিষাণ আন্দোলন। পশ্চিমবঙ্গেও তারা চাষিদের রুটিরুজি, জল-জমি-জঙ্গলের ওপর অধিকার, ঋণ থেকে মুক্ত হওয়ার লড়াই এবং কর্পোরেট লোভ থেকে খাদ্য উৎপাদন ও বণ্টন ব্যবস্থাকে বাঁচাতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।

পদযাত্রায় হাজির ছিলেন জয় কিষাণ আন্দোলনের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি প্রবীর মিশ্র, সংগঠনের হুগলি জেলা সভাপতি সুশান্ত কাঁড়ি, পান্ডুয়া ব্লক সভাপতি শ্যামলকান্তি সিকদার, পোলবা দাদপুর ব্লক সভাপতি গৌরচন্দ্র দাস, উত্তর দিনাজপুর জেলা সভাপতি শম্ভুলাল রায়, কৃষক আন্দোলনের বিশিষ্ট নেতা বীরেন সাবুই প্রমুখ।

‘মোদি সরকার চায় কৃষকেরা চাষাবাদ ছেড়ে দিন’: টিআরএস নেতা কেটি রামারাও

মোদি সরকারের একের পর এক কৃষক ও জনবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে এবার বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন টিআরআস নেতা ও তেলেঙ্গানার শিল্পমন্ত্রী কেটি রামারাও। তাঁর সাফ বক্তব্য, “কেন্দ্রের মোদি সরকার চায় না কৃষকেরা আর চাষাবাদ করুক। কৃষকদের থেকে শস্য সংগ্রহ প্রক্রিয়া বেসরকারি সংস্থার হাতে চলে গেলে কৃষকরা ন্যূনতম সহায়ক মূল্যও দাবি করতে পারবেন না।”

গত শনিবার তেলেঙ্গানার হায়দ্রাবাদে মান্নেগুড়ায় একটি কৃষক সমাবেশে কেটি রামারাও বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, সংস্কারের আড়ালে কেন্দ্রীয় সরকার বিদ্যুতের বেসরকারিকরণ করার চেষ্টা করছে। এর ফলে রাজ্য সরকারগুলোর বিদ্যুতের মূল্যের ওপর কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। তাঁর বক্তব্য, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন খাতায় কলমে থাকলেও এ বিষয়ে তাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। রামা রাও আরও বলেন, বিজেপিকে একটি সহবৎ শেখানোই হবে কৃষকদের মূল কাজ।

সূত্র- তেলেঙ্গানা টুডে

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

বীজতলা নষ্ট হয়ে পেঁয়াজ চাষে ক্ষতি, উদ্বিগ্ন কৃষকেরা

রাজ্যের কৃষি দফতরের বক্তব্য, বৃষ্টির কারণে মাটির তলায় জল জমার ফলে তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে। রাতের তাপমাত্রাও তেমন কমছে না, আর তাই ছত্রাকঘটিত চারা ধসা রোগের প্রকোপ বাড়ছে পেঁয়াজ চাষের বীজতলায়। যার ফলে পূর্ব বর্ধমানের পেঁয়াজ চাষিরা সঙ্কটের মুখোমুখি।

এই বিষয়ে আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত একটি সংবাদ প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, সাড়ে তিন হাজার হেক্টর জায়গা জুড়ে পূর্ব বর্ধমানের কালনায় পেঁয়াজ চাষ হয়। অক্টোবরের শেষ থেকে পেঁয়াজ চাষ শুরু হয়। কিন্তু এ বছর বীজতলাতেই চারা শুকিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পূর্ব বর্ধমানের চাষিদের। বীজতলার পাটকাঠির আস্তরণ সরিয়ে দেখা যাচ্ছে, পেঁয়াজের চারা নষ্ট হয়ে গেছে। নান্দাই-সহ দক্ষিণ দুর্গাপুর, ধাত্রীগ্রাম, নাগরগাছি, বেলকুলি, পিণ্ডিরা, বোয়ালিয়া, কুশডাঙা, রাহাতপুর, কেলনই-সহ বেশ কিছু এলাকার চাষিদের অভিযোগ।

জেলা উদ্যানপালন আধিকারিক রাহুল চক্রবর্তী আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিনিধিকে বলেন, “পেঁয়াজের চারা মারা যাচ্ছে বলে কালনা, পূর্বস্থলী থেকে বেশ কিছু অভিযোগ পেয়েছি। যে সমস্ত জমিতে রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে, সেখানে রাসায়নিক ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করতে হবে।”

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

নকশালবাড়িতে ধানচাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত, বুনো হাতির পেটে ধান

নকশালবাড়ির মেচি নদী অববাহিকার বড় মনিরাম এলাকায় সম্প্রতি বুনো হাতির তাণ্ডবে প্রায় ৩০-৩৫ বিঘা ধানের জমির ফসল হাতির পেটে। ধানচাষিদের মাথায় হাত। কৃষকদের অভিযোগ, বনদফতর শুধু দেখে, কোনো ব্যবস্থা নেয় না। ক্ষুব্ধ কৃষক প্রভারানি সিনহা জানান, বারবার বুনো হাতির তাণ্ডবে যদি এরকম ঘটে তবে তাঁরা মরে যাবেন। আরো এক কৃষক নীরেন্দ্রনাথ সিনহা জানান এই ঘটনা ক্রমান্বয়ে ঘটতে থাকলে তাঁদের পক্ষে বাঁচা মুশকিল হয়ে যাবে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বুনো হাতির তাণ্ডব এ এলাকায় নতুন নয়। প্রতি বছর হাতির তাণ্ডবে এ এলাকায় এক মুঠো ধানও ঘরে তোলা মুশকিল হয়ে পড়ে। ঋণ নেওয়া থেকে ধানি জমিতে প্রচুর খরচ করার পরেও ফসল না পেয়ে মাথায় হাত কৃষকদের। আগামীর কথা ভেবে শঙ্কিত কৃষকেরা। বনদফতরের ভূমিকা নিয়েও তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন।

সূত্র- নিউজ১৮ বাংলা

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

অন্ধ্রপ্রদেশের রাজামুন্ড্রিতে কৃষকদের মিছিল

‘এক রাজ্য এক রাজধানী’ স্লোগানকে সামনে রেখে অন্ধ্রপ্রদেশের অমরাবতী থেকে কৃষকদের একটি বিশাল পদযাত্রা সোমবার রাজামুন্ড্রিতে পৌঁছানোর কথা। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, রাজমুন্ড্রির দিকে এগিয়ে চলেছে। এর আগে কৃষকদের এই পদযাত্রা কোভভুরে পৌঁছায় এবং গত রবিবার এই পদযাত্রার বিরতির দিন ধার্য হয়। যদিও অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তানেটি ভানিতার কোভভুর বাস স্ট্যান্ডে সভা থাকার কারণে গ্যামন সেতুতে রাস্তা অবরুদ্ধ রাখা হচ্ছে।

কৃষক নেতা গাড্ডে তিরুপতি রাও জানিয়েছেন, কোনো অবস্থাতেই কৃষকেরা এই পদযাত্রা থেকে পিছু হঠবেন না, প্রয়োজন পড়লে তাঁরা কোর্টের অনুমতি আদায়ের চেষ্টা করে এই পদযাত্রা সফল করে তুলবেন।

সূত্র- দ্য হান্স ইন্ডিয়া

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

ট্র্যাক্টর উল্টে মৃত্যু কৃষকের, এলাকায় শোকের ছায়া

গত রবিবার জলপাইগুড়িতে নিজের ট্র্যাক্টরে চাপা পড়ে মৃত্যু হল এক মধ্যবয়স্ক কৃষকের। মৃত কৃষকের নাম ভরণী রায়। এই ঘটনায় জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ ব্লকের মান্তাদাড়ি এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

প্রতিদিনের মতো ঐ কৃষক নিজের ট্র্যাক্টর নিয়ে মান্তাদাড়ি এলাকায় চাষের কাজে যান। চাষের কাজ সেরে ট্রাক্টর চালিয়ে বাড়ি ফেরার পথে একটি ডাম্পার কে পাশ কাটাতে গিয়ে তিনি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। ট্র্যাক্টরটি উলটে যায় নয়ানজুলিতে। তার নিচে চাপা পড়েন তিনি। দুর্ঘটনাগ্রস্ত কৃষকের চিৎকার শুনে স্থানীয় মানুষজন ছুটে আসে তাঁকে উদ্ধারের জন্য কিন্তু ততক্ষণে সব শেষ। গত রবিবার জলপাইগুড়িতে নিজের ট্র্যাক্টরে চাপা পড়ে মৃত্যু হল এক মধ্যবয়স্ক কৃষকের। মৃত কৃষকের নাম ভরণী রায়।

উদ্ধার করা কৃষকের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা আইছামূল রহমানের বক্তব্য, “ভরণীবাবুর ওখানে জমি রয়েছে। ওখানেই চাষের কাজে গিয়েছিলেন। কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। তখনই ডাম্পারকে সাইড দিতে গিয়ে ট্রাক্টরটি পড়ে যায় বলে শুনি। চিৎকার চেঁচামেচি শুনে আমরা ছুটে যাই। ওনাকে বাঁচানোর জন্য আমরা প্রাণপণ চেষ্টাও করি। কিন্তু ওনাকে বাঁচাতে পারিনি। পরবর্তীতে জেসিবি এসে ট্র্যাক্টরটিকে সরিয়ে নিয়ে যায়। দেহটাকেও বের করা হয়।”

সূত্র- টিভি-নাইনবাংলা

কৃষকের থেকে লুট: ১৫ অক্টোবর ২০২২

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *