জয় কিষাণ: ৯ মার্চ ২০২৩

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 4

ফসলে আগুন দিয়ে চাষিদের প্রতিবাদ

অতিরিক্ত দাম কমেছে পেঁয়াজের। সঠিক দরে পেঁয়াজ বেচতে পারছেন না চাষিরা। এই চিন্তার পাশাপাশি চাষিদের বিধ্বস্ত করে রেখেছে সরকারের নানা নীতি। ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা বৃদ্ধির পাশাপাশি ন্যায্য দাম পাওয়ার অভাবে ধুঁকছেন মহারাষ্ট্রের নাসিকের পেঁয়াজ চাষিরা।

বারবার আন্দোলনে বসেও রেহাই নেই চাষিদের। সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এবার অভিনব প্রতিবাদ জানালেন নাসিকের পেঁয়াজ চাষিরা। নিজেদের ফলন করা ফসলেই আগুন ধরিয়ে দিলেন তাঁরা।

সূত্র- সিএনবিসি

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

সর্ষের দাম কম, বিপাকে হরিয়ানার কৃষকরা

নিজস্ব সংবাদদাতা: বাজারে সর্ষের তেলের দাম ব্যাপক হলে কী হবে, কৃষকরা সেই দামের কিছুই পাচ্ছেন না। এমনকি হরিয়ানা-সহ যে সব রাজ্যে প্রচুর ফলন হয় সর্ষের, সেখানে অন্য বছরের তুলনায় এ বছর আরও কম টাকা পাচ্ছেন কৃষকরা। অথচ এবার অত্যাধিক শীতের জন্য ফলনও কম হয়েছে তাঁদের। এমনি অভিযোগ বিরোধীদের।

এই অবস্থায় কৃষকরা মনে করছেন হরিয়ানার বিজেপি সরকার সব জেনেও ইচ্ছাকৃতভাবেই কৃষকদের পাশে না দাঁড়িয়ে কর্পোরেটদের পাশে দাঁড়াচ্ছে। কর্পোরেটরা কৃষকদের থেকে চাপ দিয়ে অনেক কম দামে কিনে নিয়ে যাচ্ছে সর্ষে।

তাঁদের অভিযোগ, বিজেপি বারবার কৃষকদের, মেহনতি মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেও বাস্তবে তারা এসবের ধারে কাছে নেই।  

অভিনব প্রতিবাদ, মোদিকে ডাকযোগে পেঁয়াজ পাঠালেন চাষিরা

মহারাষ্ট্রের খুচরো বাজারে পেঁয়াজের দাম প্রতি কেজিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, সেখানে কৃষকরা পেঁয়াজ বিক্রি করছেন ২ থেকে ৪ টাকা কেজি দরে। যার ফলে চাষের খরচই উঠছে না। এই অবস্থায় মহারাষ্ট্রের চাষিরা বিভিন্নভাবে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন।

এবার মহারাষ্ট্রের আহমেদনগরের একদল কৃষক প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে ডাকযোগে পেঁয়াজ পাঠালেন। ফসলের দাম কমে যাওয়া থেকে মুক্তি পেতে এবং পেঁয়াজের রফতানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবিতে কৃষকরা অভিনব কায়দায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

সোমবার একটি কৃষক সংগঠনের তরফে প্রধানমন্ত্রীকে পেঁয়াজ পাঠানো হয়েছে। কৃষকদের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারকে অবিলম্বে পেঁয়াজ এবং অন্যান্য কৃষিজাত পণ্য রফতানির উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে। এটি কৃষকদের জন্য আন্তর্জাতিক বাজার উন্মুক্ত করতে সাহায্য করবে। তাছাড়া, ক্ষতিপূরণেরও দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা।

সূত্র – হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

মোদির ‘গদ্দারি’র জবাব, দিল্লি অভিযানের পরিকল্পনা কৃষকদের

সংসদীয় বাজেট অধিবেশনের মধ্যেই ফের অবরুদ্ধ হতে চলেছে রাজধানী দিল্লি। আগামী ২০ মার্চ দিল্লির যন্তর-মন্তরে ও সারা দেশ জুড়ে কৃষক, শ্রমিক-মজদুরদের সমাবেশ ও প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিল প্রায় ৫০০ কৃষক সংগঠনের ঐক্যবদ্ধ মঞ্চ সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা।

সূত্রের দাবি, সেদিন সারা দেশ থেকে আগত হাজার হাজার কৃষকদের উপস্থিতিতে অবরুদ্ধ হতে পারে শাহি মসনদ। কিন্তু কেন এই কর্মসূচি? সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার দাবি, কোভিডকালে বর্ষব্যাপী আন্দোলন শেষ করতে কৃষকদের একগুচ্ছ দাবিদাওয়ায় মান্যতা দিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার, যার জেরে দিল্লি সীমান্তে চলা অবিচ্ছিন্ন আন্দোলনে যতি টেনেছিলেন আন্দোলনকারী কৃষকরা। মোদি সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কৃষকদের যাবতীয় দাবিদাওয়া সহানুভূতির সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে, পাশাপাশি তিন বিতর্কিত কৃষি আইনও সরকারের তরফে প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

কিন্তু প্রতিশ্রুতিই সার, আজ পর্যন্ত সে সব নিয়ে টু শব্দটিও করেনি এই সরকার। কোনও বক্তব্য রাখেননি প্রধানমন্ত্রীও, যা কোনও অংশে কৃষকদের সঙ্গে ‘গদ্দারি’ বা বিশ্বাসঘাতকতা থেকে কম নয়, এমনটাই মনে করছেন কৃষকরা। সেই কেন্দ্রীয় ‘বিশ্বাসঘাতকতা’র জবাব দিতেই, বাজেট পরবর্তী অধিবেশন চলাকালীন, দিল্লির পথে নেমে রাজধানী অবরূদ্ধ করার পরিকল্পনা নিলেন তাঁরা।

সূত্র – উত্তরবঙ্গ সংবাদ

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

রাস্তায় ঢ্যাঁড়শ ফেলে কৃষকদের বিক্ষোভ

বাজারে দাম নেই ভেন্ডি বা ঢ্যাঁড়শের। আর এবার তার ফলেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলেন চাষিরা। মহাজনরা চাষিদের থেকে ২৫ থেকে ৩০ টাকা কিলো করে ঢ্যাঁড়শ কিনছিলেন। বেলা গড়াতেই সেই ভেন্ডির দাম কমিয়ে ১৫ থেকে ১৭ টাকা করে নিচ্ছেন। যদিও সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন মুর্শিদাবাদের মহাজনরা। তাঁদের দাবি, প্রথম থেকেই কুড়ি টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।

এবার সেই কারণেই কৃষকরা রাস্তায় ঢ্যাঁড়শ ছড়িয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। তাঁদের দাবি, ৩০ টাকা কেজি করে ঢ্যাঁড়শ কিনতে হবে। কুইন্টাল প্রতি ১২ কেজি করে বাদ দেওয়া যাবে না।

আর সেই কারণেই হরিহরপাড়ার মিয়ারবাগান হাট সংলগ্ন এলাকায় চাষিদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। চাষিদের অভিযোগ, “বর্তমানে সার ও কীটনাশকের দাম যথেষ্টই বৃদ্ধি পেয়েছে। ঢ্যাঁড়শ বিক্রি করে কীটনাশকের দাম উঠবে না। তাই আমরা রাস্তায় সেই ভেন্ডি ফেলে দিচ্ছি”।

সূত্র – নিউজ ১৮ বাংলা

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *