জয় কিষাণ: ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 5

গ্রেটার নয়ডায় জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে চাষিরা

উত্তরপ্রদেশের গ্রেটার নয়ডার কৃষকরা প্রশাসনের জমি অধিগ্রহণ পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। জনগণের প্রতিবাদের কারণে প্রশাসনকে পিছিয়ে যেতে হচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, জেলার চাষিদের বিভ্রান্ত করতে গ্রেটার নয়ডা প্রশাসন সংবাদপত্রে সমস্যা সমাধানের মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করেছে। এসব খবরের আড়ালে কৃষকদের পৈতৃক বসতি ভাঙার তৎপরতা চলছে।

কৃষকরা জানান, বৃহস্পতিবার বিসরাখ গ্রামে প্রশাসন বেআইনিভাবে কৃষকদের বসতভিটা ভেঙে দিয়েছে। একইভাবে দস্তা গ্রাম হয়বতপুর ইতেদাতেও ভাঙচুর করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এখন গ্রেটার নয়ডার কৃষকরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে তাঁরা প্রশাসনের কাছে পৌঁছাবেন এবং পুরো বিষয়টি নিয়ে কর্তৃপক্ষের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবেন। ৭ ফেব্রুয়ারি কৃষক আন্দোলন হবে। সমস্যা সমাধান না হওয়ায় কৃষকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারির আন্দোলনে বিপুল সংখ্যক কৃষক অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। কৃষক সভার নেতা-কর্মীরা গ্রামে গ্রামে পথসভা করে কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছানোর আবেদন করছেন।

সূত্র- নিউজ ৭ নয়ডা

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

বাজেট নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করল সর্বভারতীয় কৃষক সভা

অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের কেন্দ্রীয় বাজেট ধনীদের জন্য কর্পোরেট ক্রোনিদের নির্দেশে প্রস্তুত করা হয়েছে এবং এটা কৃষক, দরিদ্র ও মেহনতি জনগণের স্বার্থের পরিপন্থী বলে একটি বিবৃতিতে জানায় সর্বভারতীয় কৃষক সভা। কৃষি ও গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য প্রকৃত বরাদ্দের ক্ষেত্রে এটি একটি ফাঁপা বাজেট বলেও জানায় কৃষক সংগঠনটি। তাদের বক্তব্য, বিজেপি সরকার স্বামীনাথন কমিশনের সি২+৫০ শতাংশের সুপারিশ অনুসারে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বাস্তবায়ন করতে অস্বীকার করেছে। যার ফলে কৃষকদের দুর্দশা বাড়ছে। এই বাজেট কৃষকদের দুর্দশার সামাল দিতে কিছুই করেনি।

সর্বভারতীয় কৃষক সভা তার সমস্ত ইউনিটকে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের বিশ্বাসঘাতকতা ফাঁস করতে সমস্ত কৃষক ও শ্রমিকদের সাথে একত্রিত হয়ে এই কৃষক-বিরোধী, শ্রমিক-বিরোধী, কর্পোরেট-সমর্থক বাজেটের প্রতিবাদে আন্দোলনে নামার আহ্বান জানিয়েছে।

সূত্র- পিপলস ডেমোক্র্যাসি

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

আলুর বাজারে মন্দা, লোকসানের মুখে চাষিরা

এবার বেড়েছে আলুর ফলন। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বাজারে উপযুক্ত দাম মিলিছে না। চাষের খরচ ওঠেনি কৃষকদের ঘরে। একজন চাষি বলেন, “যা পরিস্থিতিতে আছি, সংসার চালানো মুশকিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন আলুর বাজার প্যাকেটে ১৫০ টাকা। আমাদের প্রায় ১৮ হাজার টাকা বিঘেতে খরচা হয়েছে। এমনিতেই বেচা কেনা নেই। আমাদের প্রায় বিঘে প্রতি ৭ /৮ হাজার টাকা লোকসান হচ্ছে”।

আরেক কৃষকের কথায়, “সাত /আট বিঘে জমিতে আলু চাষ করেছি। প্রতি বিঘেতে ৮/৯ হাজার টাকা লোকসান হচ্ছে আমার”। এছাড়াও যে সমস্ত কৃষকরা ঋণ নিয়ে আলু চাষ করেছেন তাঁদের আশঙ্কা, ঋণ তো মিটবেই না। তাঁদের প্রশ্ন, আলু বিক্রির বাজারে এত লোকসান হলে ঋণের টাকা তাঁরা কোথা থেকে দেবেন? কৃষকদের অভিযোগ, সংকটে পাশে দাঁড়াচ্ছে না সরকার।

আলু চাষিদের এই দুর্দশায় সংগ্রামের ডাক দিয়েছে জয় কিষাণ আন্দোলন। জয় কিষাণ আন্দোলনের বাঁকুড়া জেলা সভাপতি ননী রায় বলেন, “এখনও পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক নেতা, মন্ত্রী কেউ আলু চাষিদের পাশে এসে দাঁড়াননি। আপনাদের কাছে অনুরোধ , সরকারের কাছে অনুরোধ, কৃষকরা আলুতে যেন আর লোকসান না করে সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি”।

বিশদে জানতে ভিডিওটি দেখুন

মনরেগা তহবিল হ্রাসের বিরুদ্ধে আদিবাসীদের প্রতিবাদ

ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভূম জেলার সোনুয়া ব্লকের ১০০ জনেরও বেশি আদিবাসী গ্রামবাসী কেন্দ্রীয় বাজেটে মনরেগা তহবিল হ্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে একটি প্রতিবাদপত্রও পাঠিয়েছেন।

মনরেগা তহবিল হ্রাসের ফলে বেশ কয়েকজন মানবাধিকার কর্মী আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে সরকার গ্রামীণ কাজের গ্যারান্টি প্রকল্পটি বন্ধ করার চেষ্টা করছে। যা কোভিড মহামারী চলাকালীন গ্রামে ফিরে আসা অভিবাসী শ্রমিকদের উপার্জনের মূল ভিত্তি ছিল।

পশ্চিম সিংভূমের আদিবাসী শ্রমিকরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সম্বোধন করে একটি চিঠি তৈরি করেন এবং ঝাড়খণ্ড এনআরইজিএ ওয়াচ এবং এনআরইজিএ সংঘর্ষ মোর্চার নেতৃত্বে সোনুয়া ব্লক অফিসে গিয়ে সোনুয়া ব্লক উন্নয়ন অফিসারের কাছে জমা দেন।

মনরেগা তহবিল হ্রাসের ফলে শ্রমিকদের পাশাপাশি কৃষকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এর ফলে কৃষকদের পরিবারগুলিও বিপাকে পড়বে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। কারণ, এই অঞ্চলের শ্রমিকরা হলেন কৃষক পরিবারগুলিরই সদস্য।

সূত্র- দ্য টেলিগ্রাফ

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

ভয় দেখিয়ে জলাভূমি ভরাট, বিপাকে চাষিরা

সমাজ-বিরোধীদের দিয়ে কৃষকদের ভয় দেখিয়ে হাঁসার বিল ও যশোর রোডের পাশে নয়ানজুলি বেআইনিভাবে ভরাট করার অভিযোগ উঠল বনগাঁ পৌরসভার এক তৃণমূল কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে। এলাকার বাসিন্দারা বিডিও অফিসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

কৃষকদের অভিযোগ, বেআইনি ভরাটের ফলে অসংখ্য চাষির কৃষি জমির ফসল বর্ষার মরশুমে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। পাশাপাশি গাইঘাটা ব্লকের দোগাছিয়া, মণ্ডলপাড়া, মনমোহনপুর এলাকার বিস্তীর্ণ এলাকার কৃষকরা বড়সড় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন।

ওই কাউন্সিলর অভিযোগ অস্বীকার করলেও বিরোধীদের চাপের মুখে শাসক দলের গাইঘাটা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি গোবিন্দ দাস বলেন যে,”এই ধরনের বেআইনি কাজ দল কোনোভাবে বরদাস্ত করবে না। আইনের ঊর্দ্ধে কেউ নয়। আইন আইনের পথে চলবে”।

সূত্র- আমাদের ভারত

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *