জয় কিষাণ: ৩ জানুয়ারি ২০২৩

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 5

জিন্দের মহাপঞ্চায়েতে চাষিদের আহ্বান জানালেন কৃষক নেতা রবি আজাদ

তিনটি কালা কৃষি আইনের বিরুদ্ধে দিল্লিতে ঐতিহাসিক আন্দোলন করেছিলেন কৃষকরা। সেই আন্দোলনের চাপে কেন্দ্রীয় সরকার বাধ্য হয় তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দিতে। পরবর্তীতে আরও কিছু দাবি সংযুক্ত করেন কৃষকরা। কেন্দ্রীয় সরকার আশ্বাস দিলেও কৃষকদের বিষয়ে উদাসীন।

এবার সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার নেতা রবি আজাদ হরিয়ানার জিন্দে হতে চলা মহাপঞ্চায়েতে কৃষক ও সকল শুভবুদ্ধি সম্পন্ন মানুষকে একজোট হওয়ার আহ্বান জানালেন। তিনি বলেন, “ন্যূনতম সহায়ক মূল্য-সহ অন্যান্য দাবিতে ২৬ জানুয়ারি কৃষকরা বিশাল মহাপঞ্চায়েত করবেন”। কৃষক নেতা রবি আজাদ স্মরণ করিয়ে দেন, ২০২১ সালের ২৬ জানুয়ারি কৃষকরা দেশের রাজধানীতে ট্র্যাক্টর মার্চ করেছিলেন। তারই দু’বছর পূর্তিতে এই মহাপঞ্চায়েত আয়োজন করা হয়েছে। কৃষকদের দাবি না মেটা পর্যন্ত কৃষকরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলেও জানান তিনি।  

সূত্র- সত্য খবর

বিশদে জানতে ভিডিওটি দেখুন

তামিলনাড়ুর পারান্দুরে বিমানবন্দরের বিরুদ্ধে আন্দোলন ১৫৯ দিনে পড়ল

তামিলনাড়ুর পারান্দুরে প্রস্তাবিত দ্বিতীয় বিমানবন্দরের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে কৃষক এবং অন্যান্য গ্রামবাসীরা একসঙ্গে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন। এই আন্দোলন সোমবার ১৫৯ দিনে পড়ল। কৃষকদের অভিযোগ, পারান্দুরে বিমানবন্দর তৈরি হলে জলাশয় এবং কৃষিজমির ভয়ানক ক্ষতি হবে। তার প্রভাব পড়বে পরিবেশের ওপর। কৃষকদের জল-জঙ্গল-জমি কেড়ে নেওয়ার এই চক্রান্তের বিরুদ্ধেই একজোট হয়েছেন কৃষক ও গ্রামবাসীরা।

প্রসঙ্গত পারান্দুর, ভালাথুর, কোদাভুর, নেলভয়, একানাপুরম, থান্ডালম, মাদাপুরম, সিঙ্গিলিপাদি, গুনাকারপাক্কাম, ইদাইয়ারপাক্কাম, আক্কামাপুরম, থিয়াগানাপুরম এবং মহাদেবীমঙ্গলম জুড়ে ৪৭৮৩ একরের বেশি জমি বিমানবন্দর প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। কৃষকদের মতে গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দর তাঁদের জীবন ও জীবিকাকে ধ্বংস করবে। আন্দোলনকারী কৃষকদের সাফ কথা, তাঁদের দাবি অনুযায়ী এই বিমানবন্দর প্রকল্পকে অন্যত্র না সরালে তাঁরা আন্দোলন আরও তীব্র করবেন।

সূত্র- টাইমস নাও

বিশদে জানতে ভিডিওটি দেখুন

পাঞ্জাবে আপ সরকারের বিরুদ্ধে উত্তাল কৃষক সমাজ

দিল্লির কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করে পাঞ্জাবে আপ সরকার ক্ষমতায় এসেছে। কিন্তু শাসন-ক্ষমতায় আসার পর কৃষকদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে না তারা। ফলে পাঞ্জাবের নানা প্রান্তে কৃষকরা আন্দোলনে ফেটে পড়েছেন। বৃহস্পতিবার পাঞ্জাবের কৃষিমন্ত্রী কুলদীপ সিং ধালিওয়াল একটি প্রেস বিবৃতি জারি করেছেন, সেখানে ধালিওয়াল কী করে কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তা বলা হয়েছে। ২০২০-২০২১ সালে আন্দোলনের সময় শহিদ হওয়া কৃষকদের আত্মীয়দের চাকরির ব্যাপারটি তিনি নিশ্চিত করেন এবং মুগ ডালের ওপর কীভাবে তিনি ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নির্ধারণ করেন – তা বলা হয় এই প্রেস বিবৃতিতে।

কৃষকরা ধালিওয়ালের এই বিবৃতিকে নাকচ করেছেন। তাঁরা জিরায় মদের কারখানা বন্ধ করার দাবি জানান। তাঁদের দাবি, এই কারখানার ফলে এলাকার মাটি, বায়ু এবং ভূগর্ভস্থ জল দূষিত হচ্ছে। জিরার মালব্রোস কারখানা বন্ধ করার দাবিতে ২৪ জুলাই থেকে ওই এলাকায় কয়েকটি কৃষক সংগঠন ধর্নায় নেমেছে। বিভিন্ন দাবিতে কৃষকরা পাঞ্জাবের নানা জায়গায় বারবার আন্দোলনে উত্তাল হয়ে উঠছেন আপ সরকারের বিরুদ্ধে।

সূত্র – দ্য প্রিন্ট

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

চাষিদের বিক্ষোভ মিছিল অমৃতসরে

এক মাসেরও বেশি সময় ধরে অমৃতসরের কৃষকরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বাইরে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে আসছেন। কৃষকরা জানান, ১ জানুয়ারি থেকে এই বিক্ষোভে আরও বেশি চাষি অংশগ্রহণ করছেন।

কিষাণ মজদুর সংঘর্ষ কমিটির সভাপতি সৎনাম সিং পান্নু বলেন, সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিক্ষোভরত কৃষকদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের সমস্যাগুলি সমাধান করার আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু তাঁরা এই বিষয়ে লিখিতভাবে কিছু জানাননি। সরকারের মৌখিক আশ্বাস কৃষকেরা বিশ্বাস করতে পারছেন না। কেএমএসসির সাধারণ সম্পাদক সারওয়ান সিং পান্ধের বলেন, এখন কৃষক আত্মহত্যার বার্ষিক হার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষকরা তাঁদের পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না। যার ফলে তাঁরা ঋণে জর্জরিত হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন।

সরকার চাষিদের সমস্যার সমাধান না করলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেয় কিষাণ মজদুর সংঘর্ষ কমিটি।

সূত্র- ট্রিবিউন ইন্ডিয়া

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ দাবি কৃষকদের

তামিলনাড়ুর নেভেলিতে চাষিদের জমি অধিগ্রহণ করে স্থাপিত হচ্ছে নেভেলি লিগনাইট কর্পোরেশন (এনএলসি) ইন্ডিয়া লিমিটেড। উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছেন কৃষকরা। ২৬ ডিসেম্বর সিপিআইএম, সিপিআই, ভিসিকে-সহ অন্যান্য দলগুলি এক বিশাল সমাবেশ ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।

কৃষকরা এই জমি অধিগ্রহণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। জীবন-জীবিকা এর ফলে অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। তাঁদের দাবি, উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ও স্থায়ী চাকরির বন্দোবস্ত করতে হবে রাজ্য সরকারকে। কৃষকদের সাফ কথা, ক্ষতিপূরণ ও স্থায়ী চাকরি না পেলে তাঁদের আন্দোলন আরও জোরদার হবে।   

সূত্র- নিউজ ক্লিক

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *