জয় কিষাণ: ৩০ ডিসেম্বর ২০২২

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 6

কর্ণাটকে অভিনব প্রতিবাদ করে আটক কৃষকরা

কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসভরাজ বোম্মাইয়ের মূর্তির উপর রক্ত ছিটিয়ে এক অভিনব প্রতিবাদে শামিল হন কর্ণাটকের কৃষকরা। এই ঘটনায় অন্তত ২৫ জন কৃষককে মাণ্ড্য পুলিশ আটক করেছে। পুলিশ কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, আইন অনুযায়ী কারও বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার পদ্ধতি আছে। রক্ত ছেটানো কোনো পদ্ধতি নয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহের সফরের পরিপ্রেক্ষিতে কৃষকদের এই ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকা উচিত।

বুধবার কৃষকরা বিশ্বেশ্বরাইয়া মূর্তির সামনে বিক্ষোভ করেন। কৃষকদের দাবি, আখ এবং দুধের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বাড়াতে হবে। তাঁরা বলেন যে রাজ্য সরকার তাঁদের দাবি পূরণ করেনি আর তারই প্রতিবাদে কৃষকরা কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রীর মূর্তির উপর তাঁদের রক্ত ছিটিয়ে দেন। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশরা কৃষকদের পুলিশ প্যারেড গ্রাউন্ডে নিয়ে যায়।

পরে পুলিশ আটক রাখা কৃষকদের ছেড়ে দেয়। চাষিদের আটক করা প্রসঙ্গে কর্ণাটক রাজ্য রায়থা সংঘের সভাপতি বাদাগালাপুরা নগেন্দ্র বলেন, “পুলিশ চলমান বিক্ষোভকে ব্যাহত করতে চায়। তাই তারা অনুষ্ঠানস্থল থেকে কৃষক নেতাদের শামিয়ানা ও ছবি সরিয়ে ফেলে। আমাদের বিভিন্ন দাবি পূরণ এবং সরকারকে চাপ দেওয়ার জন্য আমরা শান্তিপূর্ণভাবে ৫০ দিনের জন্য বিক্ষোভ-অবস্থান চালাচ্ছি”। বুধবার তাঁদের বিক্ষোভের ৫০তম দিন পূর্ণ হয়।

সূত্র- হিন্দুস্তান টাইমস

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

চাষিরা কর্পোরেট আগ্রাসনের শিকার: রাকেশ টিকায়েত

বুধবার ভাটিন্ডায় কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েত বলেন, কৃষকরা কর্পোরেটের আগ্রাসনের শিকার। পিপলস লিটারারি ফেস্টিভ্যালের শেষ দিন কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েত কৃষক আন্দোলনের সাফল্যের পরে তার চ্যালেঞ্জগুলির ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে একথা বলেন। নতুন আইন তৈরি করে চাষিদের কৃষি থেকে বাদ দেওয়ার আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় কৃষক নেতা বলেন যে, “স্বামীনাথন রিপোর্ট বাস্তবায়নের জন্য কৃষকদের আরও একটি বৃহৎ আন্দোলনের প্রয়োজন”। এছাড়াও মোদি সরকারকে চাষিদের অবশিষ্ট দাবিগুলি পূরণ করার দাবিও জানান প্রবীণ কৃষক নেতা। উল্লেখ্য, কৃষক নেতা জোগিন্দর সিং উগ্রাহান এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, “কৃষক আন্দোলনের সাফল্যের আসল কৃতিত্ব মানুষের। মানুষের চাপেই কেন্দ্রীয় সরকার পিছু হঠেছে। এই আন্দোলন ৬০০টি ছোট-বড় সংগঠনকে একত্রিত করেছিল”।

সূত্র- দ্য ট্রিবিউন

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

পাঞ্জাবের স্কুল পাঠ্যসূচিতে জায়গা করে নিচ্ছে দিল্লির কৃষক আন্দোলন

দিল্লি সীমান্তে বছরব্যাপী কৃষকদের ঐতিহাসিক আন্দোলনকে স্কুল পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করতে চলেছে পাঞ্জাব সরকার। বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষাবিদদের সমন্বয়ে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানা গেছে। এ প্রসঙ্গে পাঞ্জাব রাজ্যের স্কুল শিক্ষামন্ত্রী হরজোত সিং বেন্স জানান, “অবশ্যই কৃষক আন্দোলন স্কুল পাঠ্যক্রমের একটি অংশ হবে কারণ এটি আমাদের সময়ের একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নেবে যে এটি কোন শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হবে”।

তরুণ প্রজন্মকে ‘ঐতিহাসিক লড়াই এবং এর আসল নায়কদের’ সম্পর্কে সচেতন করার পদক্ষেপকে সমর্থন করে আরেক কৃষক নেতা ও বিকেইউ-কাদিয়ানের জাতীয় মুখপাত্র রবনিত ব্রার জোর দেন, “কৃষক নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে অধ্যায়টি চূড়ান্ত করা উচিত। কৃষক আন্দোলন ছিল কালা আইনের বিরুদ্ধে একটি বছরব্যাপী ঐতিহাসিক আন্দোলন। এটা ছিল প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক মানুষের অধিকারের লড়াই। আমরা মনে করি এটি একটি দুর্দান্ত উদ্যোগ কারণ আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এই ঐতিহাসিক লড়াই এবং এর প্রকৃত নায়কদের সম্পর্কে সচেতন করা উচিত”।

সূত্র- দ্য পাইওনিয়ার

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

সবজি ফলনে ঘাটতি, চিন্তায় দক্ষিণবঙ্গের কৃষকরা

প্রত্যাশিত শীত না পড়ায় কুয়াশার কারণে সবজি ফলনে ঘাটতি হচ্ছে। ক্যাপসিকাম, লঙ্কা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ওলকপি, আলু-সহ অন্যান্য ফসলের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন চাষিরা। ইতিমধ্যেই গত বছর অতিবৃষ্টির কারণে সবজির ফলন কম হয়। সেই ক্ষতিপূরণ না হতেই আবার ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন দক্ষিণবঙ্গের কৃষকরা।

ভাঙড় ২ ব্লকের পানাপুকুর, কাঁঠালিয়া, ভুমরু গ্রামের কৃষকদের দাবি, এক দিকে কপির প্রত্যাশিত দাম পাওয়া যাচ্ছে না। অপরদিকে শীত না পড়ার কারণে কপি পচে যাচ্ছে। পাশাপাশি ভাইরাসের আক্রমণে সবজির গাছ মরে যাচ্ছে, ফসলে দাগ আসছে। এই সকল কারণে বাজারে সবজির দাম পাওয়া যাচ্ছে না। এই দুর্দশার ফলে দেনায় ডুবে আছেন এলাকার কৃষকরা।

সরকার এই এলাকার কৃষকদের দুর্দশার কথা জানলেও তারা এই বিষয়ে কোনো তৎপরতা দেখায়নি। কৃষকদের সমস্যা সমাধান করতেও অক্ষম সরকার। দক্ষিণবঙ্গের কৃষকরা ক্ষতিপূরণ না পেয়ে দিন দিন দুর্দশার তলানিতে চলে যাচ্ছেন তাও সরকার নির্বাক ভূমিকাই পালন করছে।

সূত্র- আনন্দবাজার

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

অজানা রোগের হানায় ক্ষতিগ্রস্ত কমলালেবু, বক্সা পাহাড়ের চাষিরা বিপাকে

অজানা রোগের হানায় পাকার আগেই খসে পড়ে যাচ্ছে কমলালেবু। বিপাকে পড়েছেন বক্সা পাহাড়ের চাষিরা। প্রথম দিকে কমলালেবুর ফলন ভালো হলেও হঠাৎই অজানা রোগে খসে যাচ্ছে লেবু। বক্সা পাহাড়ের বাসিন্দাদের জীবিকার একমাত্র মাধ্যম কমলালেবু। ১৯৯৩ সালের বন্যার পর এমনিতেই এই এলাকায় কমলালেবুর ফলন কমে যায়। তার আগেও আশির দশকে এই এলাকায় প্রচুর পরিমান কমলা গাছ কেটে ফেলা হয়। বিভিন্ন কারণে এলাকায় কমলার ফলন কমে গেলেও এখনও কমলালেবু চাষই তাঁদের জীবনধারণের একমাত্র মাধ্যম।

এই অজানা রোগ নির্ণয় করতে অক্ষম হচ্ছে রাজ্য সরকার। চাষিদের বক্তব্য, সরকারের তৎপরতার অভাবেই কৃষকরা এইরকম দুর্দশার শিকার হচ্ছেন। এই রোগ নিরাময় করা তো দূর, কেন পাকার আগেই ফল খসে পড়ছে তার কারণই বুঝে উঠতে পারেনি সরকার। এলাকার কৃষকরা চলতি বছর এই রোগের জন্য লাভের মুখ দেখার বদলে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। জেলার উদ্যান ও বাগিচা বিভাগের আধিকারিকদের দাবি, তাঁরা কমলালেবুর বাগানগুলি সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা করছেন।

সূত্র- কৃষি জাগরণ

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষকের থেকে লুট: ২৮ ডিসেম্বর ২০২২

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *