জয় কিষাণ: ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 5

উত্তরপ্রদেশ বাজেটের বিরুদ্ধে তোপ দাগল এআইকেএমএস

নিজস্ব সংবাদদাতা: বুধবার ঘোষিত উত্তরপ্রদেশ বাজেটের তীব্র সমালোচনা করল কৃষক সংগঠন এআইকেএমএস। তাদের বক্তব্য, বাজেটে অনেক ধুমধাম করে দাবি করা হয়েছে যে সংযোগ-সহ নলকূপের জন্য ১০০ শতাংশ ভর্তুকি নিশ্চিত এবং বিনামূল্যে বিদ্যুতের জন্য ১৫০০ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। গত বছর ইউপি পাওয়ার কর্পোরেশনের ৫০ শতাংশ ভর্তুকির বিল ছিল ২০০০ কোটি টাকা। যা এই বছর সর্বনিম্ন ৪০০০ কোটি টাকা হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু তার জায়গায় মাত্র ১৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

এআইকেএমএস জানিয়েছে, সরকার কৃষকদের সমস্যা উপেক্ষা করার কারণে ইউপি’র কৃষকরা চাপে পড়েছেন। আখ চাষিদের পাওনা বাকি রয়েছে। আখের দাম সর্বশেষ বাড়ানো হয়েছিল ২ বছর আগে। তারপরে সরকার প্রতি কুইন্টাল ৩০০ টাকা উৎপাদন খরচ নির্ধারণ করেলেও এসএপি ৩৫০ টাকায় স্থির থাকে।

গ্রামীণ দরিদ্ররা প্রতি মাসে ৩০০ ইউনিট বিনামূল্যে ঘরোয়া বিদ্যুতের দাবি করেন এবং কেন্দ্রের উজ্জ্বলা যোজনার অধীনে বিনামূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার পূরণের দাবি করেন। কিন্তু সরকার এসব উপেক্ষা করেছে বলে অভিযোগ এআইকেএমএস-এর। সব মিলিয়ে বাজেটটি বিনিয়োগকারীদের পক্ষে বলে তারা দাবি করেছে। কর্পোরেট হাউস এবং বহুজাতিক সংস্থার ১.৮ লক্ষ কোটি টাকা, প্রায় ২৭ শতাংশ পরিকাঠামোর ক্ষেত্রে সুবিধার জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে। গ্রামীণ এলাকায় মানুষের আরও সরকারি স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল দরকার। এগুলি বেশিরভাগই উপেক্ষা করা হয়েছে সাম্প্রতিক উত্তরপ্রদেশ বাজেটে বলে জানিয়েছে এআইকেএমএস।

নদীর মাটি চুরির ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চাষের জমি

মুর্শিদাবাদে ভৈরব নদীর পার থেকে মাটি তুলে পাচার করা হচ্ছে ইটভাটায়। এরকমই অভিযোগ করলেন স্থানীয় কৃষকরা। তাঁরা বলেন, প্রতিদিনই মাটি চুরি হয় এখানে। এতে যেমন চাষের জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তার সঙ্গে বাড়ছে নদী ভাঙনের সম্ভাবনা।

বার বার ভূমি রাজস্ব দফতরের দ্বারস্থ হয়েছেন গ্রামবাসীরা। কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি সেখান থেকে। তবে হরিহরপাড়া ব্লক আধিকারিক ঘটনার খবর পেয়েই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। সম্প্রতি থানায় জানানো হলে পুলিশ একটি জেসিবি মেশিন ও দুটি ট্রাক্টর আটক করেছে।

সূত্র – নিউজ ১৮ বাংলা

বিশদে জানতে ভিডিওটি দেখুন

গোরক্ষকদের হামলায় নিহতদের বাড়ি গেলেন কৃষক নেতারা

নিজস্ব সংবাদদাতা: গরু পাচারের অভিযোগ করে হরিয়ানায় তুলে নিয়ে গিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে মারার ঘটনায় দুই নিহত যুবকের বাড়িতে গিয়ে বৃহস্পতিবার তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করলেন কৃষক ও ক্ষেতমজুর আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত মনু মানেসার এবং তার সঙ্গীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজনৈতিক লড়াইও চালিয়ে যাওয়া হবে বলে নিহত যুবকদের পরিবারকে আশ্বস্ত করেন কৃষক নেতারা।

হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ছাড়াও নিহতদের পরিবারকে ১ কোটি টাকা করে ক্ষতিপূরণের দাবিও জানিয়েছেন কৃষক ও ক্ষেতমজুর সংগঠনের নেতারা। স্বঘোষিত গোরক্ষক বাহিনীকে নিষিদ্ধ করার দাবিও জানিয়েছেন তাঁরা। এই ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নীরবতা নিয়েও নিন্দা করেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

উল্লেখ্য, রাজস্থানের ভরতপুরের ঘাটমিকা গ্রামের বাসিন্দা নাসির (২৫) ও জুনেইদ (৩৫) কে হরিয়ানায় তুলে নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করে গাড়ির ভেতর জীবন্ত পুড়িয়ে মারে স্বঘোষিত গোরক্ষকরা। গত, ১৫ ফেব্রুয়ারি একটি অনুষ্ঠানে হরিয়ানায় গিয়েছিলেন তাঁরা। ঐ দিনই তাঁদের অপহরণ করা হয় এবং পরের দিন সকালে অগ্নিদগ্ধ গাড়ি থেকে ঐ দুই যুবকের দেহ উদ্ধার হয়।

হাতির দাপট রুখতে সরকারের বিরুদ্ধে অভিনব প্রতিবাদ

মানুষের সঙ্গে সঙ্গে বন্যপ্রাণীদের থেকেও জল-জঙ্গল-জমির অধিকার কেড়ে নিচ্ছে রাজ্য-কেন্দ্র উভয় সরকার। তার ফলেই বন্যপ্রাণীদের থাকার জায়গার অভাব এবং খাদ্যের অভাবে বারেবারে হাতির হানা ঘটছে লোকালয়ে।

বাঁকুড়ার কৃষকরা হাতির দাপটে বিপর্যস্ত। বড়জোড়া, সোনামুখী ও গঙ্গাজলঘাঁটি এই তিনটি ব্লকের বিভিন্ন জঙ্গলে মোট ৭৪টি হাতি রয়েছে এখন। খাবারের অভাবে তারা মাঝে মাঝে চাষের জমিতে হানা দিচ্ছে। বিঘের পর বিঘে জমির ফসল নষ্ট হচ্ছে। হাতিরা কখনও বা চড়াও হচ্ছে গ্রামবাসীদের বাড়িতে। প্রাণহানির খবরও পাওয়া গিয়েছে। চাষিদের অভিযোগ, হাতিদের তাণ্ডব রুখতে বন দফতর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

প্রতিবাদ জানাতে গ্রামবাসীরা মঙ্গলবার বাঁকুড়ার বড়জোড়া রেঞ্জের সংগ্রামপুর বিট অফিসের বনকর্মীদের ভেতরে আটকে রেখে বন দফতরের অফিসের দরজায় তালা লাগিয়ে দিলেন। পাশাপাশি বিক্ষোভেও শামিল হন তাঁরা। প্রতিবাদের মুখে পড়ে বন দফতর হাতিগুলিকে অন্যত্র সরানোর আশ্বাস দিয়েছে।

সূত্র – টিভি ১৮ বাংলা

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

মেমারিতে আলু চাষিদের অবরোধ কর্মসূচি

আলুর ক্ষতিপূরণ না পেয়ে মেমারির চাষিরা বুধবার হিমঘরের সামনে বাঁশ দিয়ে ব্যারিকেড তুলে অবরোধ করেছেন বলে জানা গেছে। তাঁদের অভিযোগ, গত বছর পূর্ব বর্ধমানের রসুলপুরে তিরুপতি হিমঘর কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে ১,১৫,৬৬৩ প্যাকেট আলু নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তখন থেকে আন্দোলন শুরু করেছেন চাষিরা।

স্থানীয় এক কৃষক জানিয়েছেন, ২৫টি গ্রামের প্রায় ১৮০০ জন চাষি ক্ষতির শিকার হয়েছেন। দশ মাস পেরিয়ে গেলেও তাঁরা ক্ষতিপূরণ পাননি। বুধবার বিকেলে রসুলপুর কৃষি সংহতি মঞ্চের আহ্বানে চাষিরা জিটি রোড অবরোধ করেন। তাঁরা হুঁশিয়ারি দেন, ক্ষতিপূরণ না পেলে হিমঘর খুলতে দেওয়া হবে না।

সূত্র – আনন্দবাজার

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষকের থেকে লুট: ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *