জয় কিষাণ: ২৪ ডিসেম্বর ২০২২

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 7

সাড়ম্বরে পালিত হল জাতীয় কৃষক দিবস

শুক্রবার সারা দেশে সাড়ম্বরে পালিত হল জাতীয় কৃষক দিবস। ভারতের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী চৌধুরী চরণ সিংয়ের জন্মদিন উপলক্ষ্যে তাঁকে শ্রদ্ধায় স্মরণ করলেন সারা দেশের চাষিরা এবং কৃষক সংগঠনগুলি। এই উপলক্ষ্যে কর্ণাটকের উডুপিতে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে আর এন শেঠি অডিটোরিয়ামে জাতীয় কৃষক দিবসের উদ্বোধন করার পরে সেরাজ্যের উদ্যানপালন বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম অধিকর্তা জয়শীলা শেঠি বলেন, “কৃষক সমিতিগুলিকে কৃষকদের সমস্যাগুলি সম্পর্কে সচেতন হওয়া উচিত”। এছাড়াও বিভিন্ন রাজ্যে কৃষক সংগঠনগুলি আজ কিষাণ দিবস উদযাপন করে।  

বর্তমান সময়ে বিজেপি’র কৃষক-বিরোধী নীতির ফলে চাষিরা দুর্দশায় রয়েছেন। গোটা দেশ তো বটেই, বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যে কৃষকদের অবস্থা শোচনীয়ভাবে খারাপ। কর্পোরেটের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিজেপি সরকার দেশের কৃষিক্ষেত্র লুণ্ঠনের ষড়যন্ত্র করছে। বিভিন্ন জিএম শস্য উৎপাদনের ছাড়পত্র দিচ্ছে এই সরকার। অথচ বিজ্ঞানীরা বলছেন এইসব খাদ্য গ্রহণ করলে মানবদেহে ভয়ঙ্কর সমস্যা হতে পারে। কৃষকদের আত্মহত্যার বিষয় নিয়েও সরকার নীরব। দেশের বৃহৎ ব্যবসায়ীরা ঋণ খেলাপ করলেও সরকারের বদান্যতায় বিদেশে চলে যাচ্ছে। অথচ কৃষিঋণ মুকুবের সময় সরকার নীরব দর্শক। উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, কর্ণাটক, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, ত্রিপুরা-সহ বিজেপি শাসিত রাজ্যে কৃষক আত্মহত্যার পরিসংখ্যান চমকে দেওয়ার মতো। এছাড়াও দিল্লির কৃষক আন্দোলনের দাবি তিনটি কালা কৃষি কানুন রদ ছাড়াও পরবর্তীতে যে দাবি কৃষকরা সংযোজন করেছিলেন তা এখনও পূরণ করেনি ইউনয়ন সরকার।

তাই আমাদের ‘অন্নদাতাদের’ এই অবস্থায় সারা দেশে জাতীয় কৃষক দিবস পালনের মাধ্যমে পরবর্তীতে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের লক্ষ্যে মোদি সরকারকে আরেকবার হুঁশিয়ারি দিলেন চাষিরা।

সূত্র – ডাইজি ওয়ার্ল্ড

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

হরিয়ানার পাঁচকুলায় কৃষকদের ধর্না

হরিয়ানায় সরকারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করলেন চাষিরা। বৃহস্পতিবার পাঁচকুলার সেক্টর ৭ এবং সেক্টর ৮-এ কৃষকরা রাজ্যস্তরে প্রতিবাদে সামিল হলেন। তাঁরা গুরুদ্বার নাদা সাহেব থেকে তাঁদের প্রতিবাদ মিছিল শুরু করেন এবং বিভিন্ন সেক্টর পেরিয়ে চণ্ডীগড়ের হরিয়ানা বিধানসভার দিকে যাওয়ার আগেই সেক্টর ৭ এবং সেক্টর ৮-এ পুলিশ তাঁদের পথ অবরুদ্ধ করে।

পথ আটকানোয় তাঁরা ওই এলাকাতেই ধর্না শুরু করে দেন। প্রতিবাদের জেরে মৌলি জাগরণ ও কমান্ড হাসপাতাল লাইট পয়েন্ট থেকে সকল যানবাহন সরিয়ে দিতে বাধ্য হয় পুলিশ। বিকেইউ নেতা ধর্মবীর ধিন্ডসা বলেন, অবিলম্বে তাঁদের দাবি পূরণ করতে হবে। কৃষকদের সমস্যাদের প্রতি সরকার উদাসীন। এই উদাসীনতার বিরুদ্ধে তাঁরা রাস্তায় নেমেছেন।

সূত্র- ট্রিবিউন ইন্ডিয়া

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

ময়নাগুড়িতে জমির ধান পুড়ে যাওয়ায় চাষিদের অবরোধ

ময়নাগুড়িতে পাকা রাস্তা থাকার পরেও শুধুমাত্র হাইটবারের কারণে ঘটনাস্থলে পৌঁছতে দেরি করল দমকল। দেরির কারণে পুড়ে ধ্বংস হয়ে গেল সাত বিঘা কৃষিজমি। এই ঘটনার প্রতিবাদে ময়নাগুড়ির সাপ্টিবাড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের জাবরামালি এলাকায় রাস্তা অবরোধ করলেন ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা। পাশাপাশি নিকটবর্তী এলাকারও রাস্তা আটক করেন তাঁরা।

প্রসঙ্গত, বুধবার রাতে ময়নাগুড়ির সাপ্টিবাড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের চাচার বাড়ি এলাকায় ধানের গাদায় আগুন লাগে। এই দুর্ঘটনার জেরে প্রায় সাত বিঘা জমি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। দমকলকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পরেন। দমকল সূত্রে জানা যায়, রানিরহাট মোড়ে গিয়ে হাইটবারের কারণে অন্য রাস্তা দিয়ে গাড়ি ঘোরাতে বাধ্য হন কর্মীরা। এরপর ধারাইখুড়ি ব্রিজেও তাঁরা প্রতিবন্ধকতার শিকার হন। যার ফলে ঘটনাস্থলে পৌঁছতে দেরি করেন দমকলকর্মীরা।

এই ঘটনার জেরে হাইটবার তুলে দেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পূর্ত দপ্তর থেকে জানানো হয়, হাইটবার সংক্রান্ত যা অভিযোগ আছে তা জেলাশাসকের কাছে জমা দিতে হবে।

সূত্র – উত্তরবঙ্গ সংবাদ

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

হিমাচলপ্রদেশে আপেল চাষে ক্ষতির আশঙ্কা

মান্ডি এবং কুল্লু জেলার বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কম থাকায় হিমাচলপ্রদেশের আপেল চাষিদের মাথায় চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। তাঁদের আশঙ্কা, এই আবহাওয়া আপেল চাষের পাশাপাশি রবি ফসলের ওপরেও প্রভাব ফেলবে।

আপেল এবং রবি শস্য চাষের ক্ষেত্রে ঠান্ডা এবং আর্দ্র আবহাওয়া উপযুক্ত। মান্ডি এবং কুল্লু জেলায় বিশাল জমি জুড়ে আপেল চাষ হয় এবং এটি ওই এলাকার বাসিন্দাদের জীবিকার একমাত্র উৎস। মান্ডি জেলার সেরাজ উপত্যকার আপেল চাষি রবিন্দর সিং সিসোদিয়া জানান, শুষ্ক আবহাওয়া শুধু এই বছর না আগামী বছরেও এলাকার আপেল চাষকে প্রভাবিত করবে। এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে বৃষ্টি এবং তুষারপাত অত্যন্ত প্রয়োজন। এই আবহাওয়ার জন্য গম, ছোলা, মটর, সর্ষে ইত্যাদির মতো রবি শস্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

সূত্র- ট্রিবিউন ইন্ডিয়া

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষক বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে তেলেঙ্গানায় প্রতিবাদ

কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশিকা অনুসারে অনুমোদিত নয় এমন স্কিমগুলিতে তেলেঙ্গানা সরকারের মহাত্মা গান্ধি জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্প (MGNREGS)-কে ফান্ড থেকে স্কিমে পরিবর্তনের যে অভিযোগ কেন্দ্রীয় সরকার করেছে, তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার জন্য বিআরএসের কার্যকরী সভাপতি কে টি রামা রাও আহ্বান জানিয়েছেন পার্টি কর্মীদের। নির্দেশিকা থেকে বিচ্যুতির অভিযোগে কেন্দ্রীয় সরকার তেলেঙ্গানা রাজ্য সরকারকে ১৫১.৯ কোটি টাকা দিতে নোটিশ পাঠিয়েছে।

কে টি রামা রাও আরও অভিযোগ করেন যে বিজেপি সরকার কৃষকদের জন্য কিছুই করেনি এবং পরিবর্তে কৃষি ক্ষেত্রের উন্নয়নের স্বার্থে মহাত্মা গান্ধি জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্পের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে না পারার কারণে বিআরএস সরকারকে আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু করছে।

সূত্র- দ্য স্টেটসম্যান

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

ওড়িশায় পরিকাঠামোর অভাবে চাষিরা বিপাকে

বিজু জনতা দল ২০১৪ সালে ওড়িশায় ক্ষমতায় আসার আগে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ৩১৪টি ব্লকের প্রত্যেকটিতে একটি করে হিমঘর নির্মাণ করবে। কিন্তু সে প্রতিশ্রুতি এখনও অবধি পূরণ হয়নি। আর তারই খেসারত দিতে হচ্ছে ওড়িশার চাষিদের। সবজি উৎপাদনে ওড়িশা দেশের মধ্যে প্রথম সারির একটি রাজ্য। কিন্তু সংরক্ষণের অভাবে ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ ওড়িশার কৃষকদের।

চাষিদের বক্তব্য, সরকার যদি রাজ্যে ক্রীড়া ইভেন্ট আয়োজনের জন্য শত কোটি টাকা খরচ করতে পারে, ৩০০টি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করা বড় কথা নয়। ৭০ শতাংশের বেশি জনসংখ্যা নির্ভর করে যে কৃষির ওপর, তা নিয়ে সরকারের কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য নেই বা কৃষিজাত পণ্য বাজারজাত করার কোনো পরিকল্পনাও নেই। উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাবে ওড়িশায় চাষিদের অবস্থা বেহাল।

সংরক্ষণের সমস্যার কথা স্বীকার করে উদ্যানপালন বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন আধিকারিক বলেন, “কিছু সবজি পচনশীল হওয়ায় সংরক্ষণ করা যাচ্ছে না”। প্রসঙ্গত, সেরাজ্যে ২০১৪ সালে বেসরকারি খাতে ২৬টি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি হয়েছিল যা এখন বন্ধ হওয়ার অপেক্ষায়।

সূত্র – দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষকের থেকে লুট: ২২ ডিসেম্বর ২০২২

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *