জয় কিষাণ: ২১ জানুয়ারি ২০২৩

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 5

কৃষক আন্দোলনের জেরে পাঞ্জাবে মদের কারখানা বন্ধ

পাঞ্জাবের ফিরোজপুর জেলার জিরার মনসুরওয়াল গ্রামে একটি বেসরকারি মদের কারখানা থেকে হওয়া দূষণের বিরুদ্ধে কৃষকদের দীর্ঘকালীন আন্দোলনের জেরে সেরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান মঙ্গলবার সেই কারখানা বন্ধ করার নির্দেশ দিতে বাধ্য হলেন।

উল্লেখ্য, ৪০টিরও বেশি গ্রামের কৃষক এবং জিরা শহরের বাসিন্দারা গত ছয় মাস ধরে কারখানাটির বর্জ্য মাটি, জল এবং বায়ু দূষিত করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে আসছিলেন। গত বছরের ২৪ জুলাই থেকে তাঁরা এর বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছিলেন।

ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের (বিকেইউ) সাধারণ সম্পাদক হরিন্দর সিং লাখোয়াল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন সঠিকভাবেই কৃষকরা তাঁদের কৃষি জমি এবং ভূগর্ভস্থ জলের ক্ষতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছিলেন। পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন এবং তীব্র শৈত্যপ্রবাহ পরিস্থিতি সত্ত্বেও কৃষকরা তাঁদের প্রতিবাদ অব্যাহত রেখেছিলেন। তাই আন্দোলনে সাফল্য এসেছে।

সূত্র- দ্য ফ্রি প্রেস জার্নাল

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

রাস্তায় ধান ছড়িয়ে চাষিদের প্রতিবাদ ওড়িশায়

ওড়িশার খুরদা, জাজপুর, জগৎসিংপুর, ভদ্রক, কেওনঝড়-সহ অন্যান্য জেলার কৃষকরা বৃহস্পতিবার কালেক্টর অফিসের সামনে ধানের হতাশাজনক বিক্রির প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখান। কৃষকরা রাস্তায় ধান ছড়িয়ে এবং কালেক্টর অফিসের সামনে ধানের বস্তা জড়ো করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। নবনির্মাণ কৃষক সংগঠনের নেতৃত্বে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি কৃষকরা পালন করেন।

আন্দোলনরত কৃষকরা দাবি করতে থাকেন যে অবিক্রীত ধান রাজ্য সরকারের বেঁধে দেওয়া ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে ওড়িশা সরকার সংগ্রহ করুক। নবনির্মাণ কৃষক সংগঠনের রাজ্য আহ্বায়ক সেশাদেব নন্দা বলেন, “প্রতি ক্যুইন্টাল ধান ন্যূনতম সহায়ক মূল্য ২০৪০ টাকায় সরকারকে সংগ্রহ করার দাবিতে বৃহস্পতিবার ওড়িশা রাজ্যের ২০টি জেলায় এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালিত হয়”। তিনি স্পষ্ট করে বলেন সরকার কৃষকদের দাবিগুলি না মানলে আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করবে। উল্লেখ্য, এই প্রতিবাদ কর্মসূচি চলাকালীন প্রায় ৩০ জন কৃষক গ্রেফতার হন।

সূত্র- দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

সবংয়ে কৃষিজমি বাঁচাতে বিক্ষোভ

নিজস্ব সংবাদদাতা: পশ্চিম মেদিনীপুরের সবংয়ের চাষিদের অভিযোগ, তিন ফসলা কৃষিজমিতে ভেড়ি চালু করতে না পেরে রাতের অন্ধকারে নদীর নোনা জল ঢুকিয়ে সেই কৃষি জমি অকেজো করার চেষ্টা করছে তৃণমূল মদতপুষ্ট রাজ্যের সিন্ডিকেট বাহিনী। এই ঘটনার প্রতিকার চেয়ে বৃহস্পতিবার সবং ব্লক ভূমি ও ব্লক প্রশাসন দফতরে কৃষকদের তুমুল বিক্ষোভ-সহ ঘেরাও কর্মসূচি হয়।

কেন্দ্র-রাজ্য উভয়ের ‘কৃষক-বিরোধী’ জাঁতাকলে পড়ে চাষিদের অবস্থা শোচনীয়। যদিও চাষিদের এই স্বতঃস্ফূর্ত বিক্ষোভের চাপে পুলিশ ও ব্লক প্রশাসন মাইক হাতে নিয়ে ঘোষণা করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নোনাজল ঢোকানো বন্ধ করা-সহ এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আগামী ২৭ জানুয়ারি ব্লক দফতরে কৃষকদের নিয়ে জেলা ও মহকুমা প্রশাসনিক কর্তাদের উপস্থিতিতে চাষিদের দাবিগুলি নিয়ে আলোচনার কথাও ঘোষণা করে সবং ব্লক প্রশাসন। এরপর অবস্থান-বিক্ষোভ প্রত্যাহার করা হয়।

হরিয়ানায় জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে সরব কৃষক নেতা বীরেন্দর ডাগর

হরিয়ানার ঝাজ্জারের বাদলিতে জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে একটি বড় কৃষক আন্দোলন শুরু হয়েছে। ৫ জানুয়ারি মান্দাউথি গ্রামের কাছে কেএমপি টোলে কৃষকদের বিক্ষোভ শুরু হয়। এই আন্দোলন ঝাজ্জার এবং সোনিপাত জেলার কৃষকদের থেকে শুরু হয় এবং ধীরে ধীরে সমগ্র হরিয়ানার কৃষকরা এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। এই আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা কৃষক নেতা ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রমেশ দালাল সরকারের কাছে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জমি নেওয়ার আইন বাতিল এবং কৃষকদের চার গুণ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

এই প্রসঙ্গে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকের মুখোমুখি হয়ে দিল্লির কৃষক নেতা বীরেন্দর ডাগর বলেন, “আমরা সরকারের কাছে এই দাবি করছি যে কৃষকদের জমি ছিনিয়ে নিয়ে কোনো প্রকল্প করা যাবে না। এক সপ্তাহ বাদে গুড়িয়া খাপ যা সিদ্ধান্ত নেবে দিল্লি প্রদেশ এবং ডাগর খাপ তাতে সম্মতি জানাবে। আপনাদের মাধ্যমে আমরা সরকারকে জানাতে চাইছি কৃষকদের এই লড়াই হকের লড়াই। হরিয়ানা সরকার দ্রুত কৃষকদের দাবি মেনে নিক”। অন্যথায় কৃষকরা আন্দোলন আরও তীব্র করবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।  

সূত্র- সমাচার কেয়ারি হিন্দি নিউজ

বিশদে জানতে ভিডিওটি দেখুন

পাঞ্জাবের আবোহারে উচ্ছেদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে কৃষকরা

পাঞ্জাবের আবোহারে কৃষকদের জমি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। এই অভিযোগকে সামনে রেখে জামহুরি কিষাণ সভা, দেহাতি মজদুর সভা এবং কুলহিন্দ কিষাণ সভার কর্মীরা সোমবার সেই রাজ্যের সরকারের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন।

উল্লেখ্য, কৃষকদের ভূমি থেকে উচ্ছেদ করে সেখানে পাঞ্জাব কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সেখানে বীজ খামার চালানোর জন্য কৃষি বিভাগকে শত শত একর জমি বরাদ্দ করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। কিছু কৃষককে ভাড়াটে হিসাবে খামারের শ্রমিক হিসাবে কাজ করার জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল। যদিও তাঁরা পরে তারা অজিত নগর, ধানি কাড়াকা সিং এবং বুর্জমুহার গ্রামে বসতি স্থাপন করেন।

সূত্র- দ্য ট্রিবিউন

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *