জয় কিষাণ: ২০ ডিসেম্বর ২০২২

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 5

এমএসপি বৃদ্ধি না পাওয়ায় ক্ষতির মুখে তামিলনাড়ুর এলাচ চাষিরা

ন্যূনতম সহায়ক মূল্য বৃদ্ধি না হওয়ায় প্রবল দুর্দশার শিকার হচ্ছেন তামিলনাড়ুর থেনি জেলার এলাচ চাষিরা। চলতি বছরের জুন-জুলাই মাসে ফসলে নানারকম রোগের সৃষ্টি হয়। পাশাপাশি অতিবৃষ্টির ফলে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন চাষিরা। অতিবৃষ্টির জন্য ফসলের গোড়ায় পচন ধরেছে। ফলন খুবই কম পরিমানে হয়েছে।

কৃষকদের দাবি, এমএসপি বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন করলেও সরকার কোনোভাবেই কর্ণপাত করেনি। ভারতের মশলা বোর্ড এলাচের এমএসপি ঠিক করে। কৃষকরা হাজার আবেদন করা সত্ত্বেও ভারতের মশলা বোর্ড এ নিয়ে কোনোরকম পদক্ষেপ করেনি।

এলাকার এক এলাচ কৃষক লেনিন বলেন, যদি ফলন কম হয় এবং এমএসপি বেশি হয় তাহলে কৃষকরা লাভের মুখ দেখতে পাবেন। কিন্তু এই বছর ফলন কম এবং এমএসপিও যথেষ্ট কম। এরফলে কৃষকরা প্রবল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

সূত্র- নিউজ ক্লিক

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষক আন্দোলনের জেরে উপগ্রহ সমীক্ষার প্রতিবেদন সংশোধন কেরলে

মানব বসতি, কৃষি এলাকা এবং বন বাফার জোন চিহ্নিত করার জন্য হওয়া কেরালা সরকারের উপগ্রহ সমীক্ষার চরম বিরোধিতা করেন সেরাজ্যের কৃষকরা ও নানা রাজনৈতিক সংগঠন। রাজ্য জুড়ে ক্রমবর্ধমান আন্দোলনের জেরে এই সমীক্ষার রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টে জমা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন কেরালার বনমন্ত্রী এ কে সাসেন্দ্রন। রবিবার তিনি এই ঘোষণাটি করেন।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক উপগ্রহ সমীক্ষার ভিত্তিতে বানানো রিপোর্টটি কোর্টে জমা দেওয়া হবেনা। জনগণের দাবি অনুযায়ী সমীক্ষা আবার নতুন করে করা হবে এবং প্রতিবেদনটি সংশোধন করা হবে। এবং এ বিষয়ে জনগণের মতামত জানানোর সময়কালও বৃদ্ধি করা হবে। সেই সময়সীমার মধ্যে সকল নাগরিক তাঁদের মতামত জানিয়ে আবেদন করবেন।

সূত্র- দ্য স্টেটসম্যান

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

সাঙ্গরুরে খনি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে চাষিদের বিক্ষোভ

বালি বোঝাই একটি ট্রাক্টর-ট্রেলার আটক করার প্রতিবাদে খনি দফতরের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে সাঙ্গরুরের কৃষকরা বিক্ষোভ দেখালেন শনিবার।

খনি আধিকারিকরা অভিযোগ করেছিলেন যে গাড়িটি অবৈধ খননে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে বিক্ষোভকারীরা জানান এক কৃষক তাঁর ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য নিজের ক্ষেত থেকে বালি নিয়েছেন এবং আধিকারিকরা গাড়িটি আটকে ভুল করেছেন।

ভবানীগড় ব্লকের বিকেইউ (উগ্রাহান) সহ-সভাপতি হরজিৎ সিং বলেন, “১৫ ডিসেম্বর যখন কৃষক রুপিন্দর সিং তাঁর ক্ষেত থেকে নিজের বাড়িতে বালি নিয়ে যাচ্ছিলেন, খনি দফতরের আধিকারিকরা তাঁর গাড়িটি আটক করেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধ খননে জড়িত থাকার অভিযোগ করেন”।

খনি বিভাগের আধিকারিকরা গাড়িটিকে ছেড়ে দিলে কৃষকরা বিক্ষোভ তুলে নেন।

সূত্র – দ্য ট্রিবিউন

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

অজানা জন্তুর হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত সর্ষে চাষিরা

অজানা জন্তুর আক্রমণে দুর্দশার শিকার হলেন সর্ষে চাষিরা। ঘটনার কেন্দ্রস্থল চাঁচল ১ ব্লকের খানপুর-হুলাসপুর মৌজার দ্বিফসলি মাঠ। এই অজানা জন্তুর হাত থেকে নিজেদের জমিকে রক্ষা করার জন্য ওই জন্তুকে জালে ফেলার দাবি নিয়ে ব্লক আধিকারিকের কাছে অভিযোগ জানালেন কৃষকরা।

দিঘাবসতপুর এলাকার কৃষক চাষি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এমনভাবে সর্ষে ক্ষেত ধ্বংসাত্মক অবস্থায় পরিণত হয়েছে, মনে হবে এটা কোনো মানুষের কাজ। কিন্তু আসলে এটা কোনো অজানা জন্তুর কাজ। তাঁরা স্বচক্ষে তা দেখেছেন।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, তাঁরা ঋণ নিয়ে জমি চাষ করেন। এই অবস্থায় তাঁরা কীভাবে ঋণ পরিশোধ করবেন তা নিয়ে তাঁরা খুবই চিন্তিত। ওই এলাকায় ১০০ হেক্টর জমির মধ্যে প্রায় ৬০ হেক্টর জমিতে সর্ষে চাষ করা হয়। ফলে বিশাল সংখ্যক কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। ওই ব্লকের সহ কৃষি অধিকর্তা দীপঙ্কর দেব বলেন, তাঁরা বনদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। যত শীঘ্রই সম্ভব ওই জন্তুকে জালে ধরা হবে।

উল্লেখ্য, সরকার জল-জঙ্গল-জমি কেড়ে নিয়ে গরিব মানুষের সঙ্গে বহু পশুপাখিদেরও উচ্ছেদ করেছে। আর তার ফলে বাসস্থান ও খাদ্যের অভাবে বার বার এভাবে বন্য প্রাণীরা লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে। জন্তুদের আনাগোনায় চাষিদের ফসল নষ্টের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। কিন্তু প্রশাসনের উদাসীনতায় আরও একবার চাষিদের শ্রমার্জিত ফসল নষ্ট হল।

সূত্র- উত্তরবঙ্গ সংবাদ

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

আরও খবর

পাঞ্জাবে তুলো চাষে বিপর্যয়

এই মরশুমে পাঞ্জাবের তুলো চাষ ব্যাপক হ্রাস পেয়েছে। সেখানে তুলো উৎপাদন এই বছর সর্বনিম্ন বলে অনুমান করছেন কৃষকরা।

গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবছর ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত মন্ডিতে প্রায় ৭৩ শতাংশ কম তুলো এসেছে। শুধু উৎপাদনই কমেছে তাই নয়, কমিশন এজেন্ট এবং কটন কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (সিসিআই) এর আধিকারিকরা অভিযোগ করেছেন, এবারের তুলো অনেক খারাপ মানের। ফাইবারের উজ্জ্বলতা এবং দৈর্ঘ্য আগে রেকর্ড করা গুণমানের তুলনায় কম।

বিশেষজ্ঞদের মতে জুলাই এবং আগস্ট মাসে তাপমাত্রার অতিরিক্ত ওঠানামার কারণে এ বছর ফলন কমে গেছে। গাছগুলি সঠিক আকারে বাড়তে পারেনি। এছাড়া গোলাপি বোলওয়ার্মের ব্যাপক আক্রমণও বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ বলে জানা গিয়েছে।

সূত্র – দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষকের থেকে লুট: ১৭ ডিসেম্বর ২০২২

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *