জয় কিষাণ: ১৬ মার্চ ২০২৩

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 4

চাষিদের কল্যাণে অর্থ খরচে ব্যর্থ মোদি সরকার

দেশে কৃষকদের নানা কল্যাণমূলক প্রকল্পে বরাদ্দ ৪৪ হাজার কোটি টাকা খরচ করতে পারেনি কেন্দ্রের কৃষিমন্ত্রক। বিগত তিনটি আর্থিক বছরে এই খাতে বরাদ্দ অর্থের বড় অংশ অর্থমন্ত্রকে ফেরত দিয়েছে তারা। যার পরিমাণ ৪৪ হাজার কোটি টাকা। কোনও মন্ত্রকের এত বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে না পারার নজির সাম্প্রতিক অতীতে নেই।

সংসদের একটি কমিটি তাদের রিপোর্টে তাই কৃষি মন্ত্রককে পরামর্শ দিয়েছে, এই ব্যাপারে যথেষ্ট সতর্ক হতে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল যে তিন বছরের বরাদ্দ খরচে কৃষিমন্ত্রক ব্যর্থ হয়েছে, তার মধ্যে দু’ বছর তিন কৃষি আইনের বিরুদ্ধে দিল্লি এবং লাগোয়া পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশে কৃষকদের আন্দোলন চলছিল। আন্দোলন মোকাবিলায় নরেন্দ্র মোদি সরকার কৃষক কল্যাণে নানা সুবিধা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে তখন। চালু প্রকল্পগুলির কথাও বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রচার করা হয় সরকারের তরফে। অথচ, সেই সময়ই খরচ হয়নি বিপুল পরিমাণ অর্থ।

এই প্রসঙ্গে সামনে এসেছে দেশে কৃষক আত্মহত্যার বিষয়টিও। প্রতি বছরই ঋণগ্রস্ত কৃষকের আত্মহত্যার ঘটনা বাড়ছে। ৪৪ হাজার কোটি টাকা দরিদ্র কৃষকদের স্বল্প সুদে ধার হিসাবে দিলে বহু আত্মহত্যা আটকানো যেত, মনে করে কৃষক সংগঠনগুলি।

সূত্র- দ্য ওয়াল

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

মুম্বইয়ের দিকে চলেছে কৃষকদের লং মার্চ

নিজস্ব সংবাদদাতা: মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে দেখা না করলেও পথ চলা থেমে থাকেনি কৃষক-শ্রমিকদের। মঙ্গলবার শিন্ডের সঙ্গে দেখা করার কথা ছিল আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধি দলের। কিন্তু তিনি এদিন সময় দেননি। বুধবার দুপুর তিনটেয় দেখা করবেন বলেছেন। এদিন সিআইটিইউ নেতা ডিএল কারাদ বলেন, “সারা ভারত কিষাণসভার সাধারণ সম্পাদক অজিত নাওয়ালে, প্রাক্তন বিধায়ক জেপি গাভিত এই প্রতিনিধি দলে রয়েছেন। তাঁরা বুধবার দেখা করবেন শিন্ডের সঙ্গে।” মন্ত্রী দাদা ভুসের সঙ্গেও দেখা করেছেন আন্দোলনকারীরা।

পেঁয়াজ, তুলো, সয়াবিন, তুর, দুধ প্রভৃতির লাভজনক দামের দাবিই এবারের লং মার্চের মূল বিষয়। তবে মোট ১৭ দফা দাবি নিয়ে নাসিক থেকে মুম্বইয়ের দিকে হাঁটছেন কৃষকরা।

‘জমি ডাকাত’ তৃণমূলের বিরুদ্ধে ফুঁসছে নানুর

নিজস্ব সংবাদদাতা: সিঙ্গুরে ধ্বংস করা কারখানার জমিতে সরষে দানা ছড়িয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু চাষ হয়নি। নানুরে বৃদ্ধা সাইদা বিবি নিজের জমিতে সরষে চাষ করেছিলেন। সেই সরষে ফলেছিল। কিন্তু তৃণমূলিরা তুলতে দেয়নি বলে অভিযোগ। জমিটাই লিখিয়ে নিয়েছিল।

মঙ্গলবার সেই বৃদ্ধার মতো অনেক কৃষক, যাঁদের ভয় দেখিয়ে জমি কেড়েছে অনুব্রতর ঘনিষ্টরা, প্রবল বিক্ষোভ দেখালেন। “মোদের জমি ফেরত চাই” – আওয়াজ উঠল সেই জমির সামনেই।

আলুর দাম বাড়ানোর দাবি করছেন চাষিরা

কোনও বার আলুতে প্রচুর লাভ পান চাষিরা। কোনও বছর আবার চাষ করেও ঘর থেকে টাকা বেরিয়ে যায়। আলু চাষের সঙ্গে তাই জড়িয়ে থাকে ঝুঁকি। ক্ষতি সামলাতে আলুর দাম ন্যূনতম কুইন্টাল প্রতি হাজার টাকা করার দাবি উঠেছে।

গত বছর এমন সময় আলুর দাম ছিল ১৫০০ টাকা কুইন্টাল। আলু তোলার মরসুমে ওই দামে আলু বেচে ভালোই আয় হয়েছিল চাষিদের। গত বছর প্রথম থেকেই বাজারে খুচরো আলুর দামও ছিল নাগালের বাইরে। ২৫-৩০ টাকা কিলো দরে আলু কিনে হয়রান হয়েছিলেন আমজনতা। তার আগের বছর করোনা আবহে মাঠ থেকে আলু বিক্রি হয়েছিল ৭০০-৮০০ টাকা কুইন্টাল। সে বারেও চাষিদের লাভ হয়েছিল। কিন্তু এ বার প্রথম থেকেই উল্টো চিত্র। নতুন আলুর দাম নিম্নমুখী। তাতেই মাথায় হাত চাষিদের।

সূত্র- আনন্দবাজার পত্রিকা

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

বিএসএফ-এর চোখ রাঙানির বিরুদ্ধে কৃষক বিক্ষোভ

সীমান্তের জমিতে চাষের কাজে যাওয়ার সময় চোখ রাঙাচ্ছে বিএসএফ। এমনই অভিযোগে বিক্ষোভ করলেন কৃষকরা। ঘটনাটি ঘটেছে জলঙ্গির রানিনগর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বামনাবাদ এলাকায়।

কৃষকদের অভিযোগ, বিএসএফ-এর নিপীড়নে নানান সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে তাঁদের। এমনকি তাঁদের জমিতে বাংলাদেশি দুষ্কৃতীরা লুঠপাট চালালে বিএসএফ কোনও সহযোগিতা করে না। তাই তাঁদের দাবি, জিরো পয়েন্টে বিএসএফ ক্যাম্প বসাতে হবে।

সূত্র – খবর ২৪

বিশদে জানতে ভিডিওটি দেখুন

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *