জয় কিষাণ: ১৫ মার্চ ২০২৩

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 5

আলুর দাম কমায় উদ্বেগে চাষিরা

রাজ্য বিধানসভায় সোমবার আলু নিয়ে হইচই হয়েছে। এ দিকে, উত্তরবঙ্গে, বিশেষ করে গৌড়বঙ্গের তিন জেলায় চাষিদের মূল সমস্যা হল আলু চাষের পরে তা মজুত করে রাখা। মালদহ এবং উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুরে আলুর উৎপাদনের তুলনায় পর্যাপ্ত হিমঘর নেই। আলু মজুত করে রাখার জায়গা খুব কম। আর তা বাড়ছে না কেন, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।

প্রতি বছর ফেব্রুয়ারির পরে আলুর দাম পড়তে শুরু করে। এ বারেও তাই হয়েছে গৌড়বঙ্গে। বাজারে খুচরো আলুর দর ১০-১২ টাকার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে। কিন্তু সেই তুলনায় চাষি দাম পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ। তা নিয়ে তিন জেলাতেই সম্প্রতি কৃষকসভা আন্দোলন করেছে। উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের মতো এলাকায় আলুর বন্ড নিয়ে ব্যাপক সমস্যা রয়েছে। তা নিয়ে রোজই ঝামেলা হচ্ছে বলে অভিযোগ। 

সূত্র- আনন্দবাজার পত্রিকা

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

চাষিদের যন্ত্রণার কথা মানল না পশ্চিমবঙ্গ সরকার

নিজস্ব সংবাদদাতা: রাজ্য জুড়ে রাস্তায় আলু ফেলে কৃষকসভার সড়ক অবরোধের পরও আলু চাষিদের জীবনযন্ত্রণা নিয়ে টনক নড়ল না রাজ্য সরকারের!

সোমবার বিধানসভায় রাজ্যের কৃষি মন্ত্রী জানিয়ে দিলেন, আলু চাষে ক্ষতির মুখে পড়ে চলতি মরশুমে একজন কৃষকও আত্মঘাতী হননি। কৃষি মন্ত্রীর থেকে এক ধাপ এগিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রীসভার আরও এক সহকর্মী। পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেছেন, “এখানে কোনও আলু চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হননি। গত বছর আলুতে প্রতি কেজিতে ১৪ থেকে ১৫ টাকা দাম পেয়েছেন কৃষকরা। মাঠ থেকে জ্যোতি ৮ টাকা প্রতি কেজি এবং চন্দ্রমুখী প্রতি কেজি ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।”

প্রায় মাসখানেক ধরেই আলু চাষে দাম না পেয়ে ভয়ানক ক্ষতির মুখে পড়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিম মেদিনীপুর ও পূর্ব বর্ধমান জেলা মিলিয়ে ৬ জন আলু চাষি আত্মঘাতী হয়েছেন। আলু চাষিদের স্বার্থে ন্যূনতম ১০ টাকা কেজি দর দিয়ে সরকারকে আলু কেনার দাবি নিয়ে গত শনিবারই রাজ্যের ৮০টি জায়গায় সড়ক অবরোধ করে পশ্চিমবঙ্গ প্রাদেশিক কৃষকসভা।

মহারাষ্ট্রে ফের কৃষকদের লং মার্চ

নিজস্ব সংবাদদাতা: ১৭ দফা দাবিকে সামনে রেখে ফের একবার লং মার্চে শামিল হলেন মহারাষ্ট্রের কৃষকরা। সারা ভারত কৃষক সভার নেতৃত্বে সোমবার নাশিক থেকে শুরু হয়েছে ১০ হাজার কৃষকের মিছিল। মিছিল এগোবে মুম্বই অবধি। সেখানে সাধারণ মানুষ এবং সরকারের সামনে মহারাষ্ট্রের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের কৃষকদের দুর্দশার কথা তুলে ধরা হবে।

কৃষকসভা জানিয়েছে, এই লং মার্চের মূল দাবি, মহারাষ্ট্র সরকারকে পেঁয়াজের দামে সহায়ক মূল্য দিতে হবে। একইসঙ্গে তুলো, সোয়াবিন, তুর ডাল, দুধ এবং হিরদা’র মতো খাদ্য পণ্যেও সহায়ক মূল্যের দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা। প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রের কৃষকরা পেঁয়াজের জন্য কুইন্টাল পিছু ২ হাজার টাকা সহায়ক মূল্য ঘোষণার দাবি জানাচ্ছে।

সহায়ক মূল্যের পাশাপাশি কৃষি ঋণ মুকুবের দাবিও জোরালোভাবে তুলে ধরছে কৃষকসভা। একইসঙ্গে বিদ্যুৎ বিল মুকুব এবং দিনে কমপক্ষে ১২ ঘণ্টা নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সংযোগের দাবিও জানিয়েছেন কৃষকরা। মহারাষ্ট্রের কৃষকরা অনিয়মিত বৃষ্টিপাত-সহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগে নিয়মিতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। সেই প্রশ্নেও ক্ষতিপূরণের দাবি জানাচ্ছেন কৃষকরা। 

সার কিনতে কেন্দ্রের পোর্টালে জানাতে হচ্ছে জাত

নিজস্ব সংবাদদাতা: সার কেনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের অনলাইন পোর্টালে নিজেদের জাত লিখতে হচ্ছে। মহারাষ্ট্রের সাঙ্গলি জেলার কৃষকরা এই ঘটনা জানিয়েছেন। শুক্রবার এই নিয়ে মহারাষ্ট্র বিধানসভায় সরব হয়েছেন বিরোধী দলের বিধায়করা। এদিন মহারাষ্ট্র বিধানসভায় এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার বিষয়টি উত্থাপন করেন।

তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের পোর্টালের মাধ্যমে সার কেনার আগে বাধ্যতামূলকভাবে নিজের জাত জানাতে হচ্ছে কৃষকদের। এরপরই কংগ্রেসের পৃথ্বীরাজ চৌহান বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের পোর্টালে যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে সেটা শুধু মাত্র একটি জেলার জন্য সীমাবদ্ধ থাকবে না। সামগ্রিকভাবে সব জায়গার জন্যই হবে। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীও দাবি তোলেন, রাজ্য সরকারকে এই বিষয়ে জবাব দিতে হবে।  

ফসল বাজারে নিয়ে যেতে পারছেন না চাষিরা

মালদা জেলায় ফুলবাড়িয়া পঞ্চায়েতের বালুপুর, বিনপাড়া-সহ বেশ কয়েকটি গ্রামে ব্যবহারের একমাত্র রাস্তা খানাখন্দে ভরা। প্রায় কুড়ি হাজার মানুষ এই রাস্তার উপর নির্ভর করে যাতায়াত করেন। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে বালুপুর থেকে অমৃতি রাজ্য সড়কের টানা দু’কিলোমিটার রাস্তা মারণ ফাঁদ হয়ে আছে। প্রতিদিন ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ১৫ হাজার মানুষের যাতায়াত।

ফুলবাড়িয়া পঞ্চায়েতের এই এলাকাজুড়ে আছে কয়েক একর আমবাগান। আমের মরশুমে বেহাল রাস্তা দিয়ে আমের গাড়ি যাতায়াত করতেও সমস্যায় হয়। অনেক সময় বেহাল রাস্তার কারণে বড় গাড়ি ভেতরে ঢুকতে পারে না। ফলে অতিরিক্ত টাকা খরচ করে আম চাষিদের ছোট গাড়িতে করে আম নিয়ে যেতে হয় রাজ্য সড়কের উপর। চাষিরা উৎপন্ন ফসল এই রাস্তার কারণেই বাজারে নিয়ে গিয়ে ঠিক করে বিক্রি করতে পারেন না।

সূত্র- নিউজ ১৮ বাংলা

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষকের থেকে লুট : ১৩ মার্চ ২০২৩

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *