জয় কিষাণ: ১২ জানুয়ারি ২০২৩

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 5

অর্থের অভাবে ভিক্ষা চেয়ে স্ত্রীর শেষকৃত্য করলেন চাষি

উত্তরপ্রদেশে অর্থের অভাবে ভিক্ষা করে স্ত্রীর শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে বাধ্য হলেন এক কৃষক। ঘটনাটি শাহজাহানপুরে ঘটে। নেট মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওর মাধ্যমে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে। দরিদ্র এই কৃষকের নাম গঙ্গারাম।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অতিরিক্ত ঠান্ডার কারণে ওই কৃষকের স্ত্রীর মৃত্যু ঘটে। স্ত্রীর মৃত্যুর পর শেষকৃত্যটুকু করার ক্ষমতা তাঁর ছিল না। গঙ্গারাম জানান, তিনি কোনোরকম সরকারি সুযোগ সুবিধা পান না। এমনকি তাঁর সরকারি রেশন কার্ডটুকু নেই। তবে সরকার পুরো দায় অস্বীকার করেছে। প্রশাসন থেকে জানানো হয়, খাদ্যের অভাবে মৃত্যু হয় গঙ্গারামের স্ত্রীর।

উত্তরপ্রদেশের কোণায় কোণায় কৃষকদের এমন করুণ হাল। তারপরেও কৃষকদের সাহায্য করার জন্য কোনোরকম পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি যোগী সরকারের তরফ থেকে।

সূত্র – নিউজ ১৮ উত্তরপ্রদেশ

বিশদে জানতে ভিডিওটি দেখুন

বিহারে কৃষক বিক্ষোভে নিপীড়ন চালাল পুলিশ

বিহারে বিক্ষোভকারী কৃষকদের ওপর অত্যাচার করল পুলিশ। ঘটনাটি বক্সার জেলায় ঘটে। ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে বুধবার রাতে পুলিশ ভ্যান পোড়ালেন এবং সরকারি গাড়ি ভাঙচুর করলেন কৃষকরা।

সংবাদ মাধ্যমের সূত্র অনুসারে জানা যায়, কৃষকরা চৌসা পাওয়ার প্ল্যান্টের জন্য অধিগ্রহণ করা জমির উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবিতে বিক্ষোভে নামেন। স্থানীয় কৃষকরা অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার রাতে পুলিশ বিক্ষোভকারী এক কৃষকের বাড়িতে ঢুকে মারধোর করে। এছাড়া পুলিশকর্মীরা নারীদেরও আক্রমণ করে। তাঁরা জানান, মুফাসিল থানার একজন সিনিয়র অফিসার অমিত কুমারের নির্দেশে এই অত্যাচার করা হয়। ঘটনার প্রতিবাদ জানাতেই তাঁরা বুধবার রাতে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করেন।

সূত্র- ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

বাংলায় সরকারি মান্ডিতে ধান বিক্রি করতে গিয়ে বিপাকে চাষিরা

পূর্ব মেদিনীপুরের এগরাতে কৃষকদের বিক্ষোভ। তাঁদের অভিযোগ, সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান ক্রয় কেন্দ্রগুলিতে নির্ধারিত পরিমাণের তুলনায় কৃষকদের কাছ থেকে কম ধান কেনা হচ্ছে। রসিদ থাকা সত্ত্বেও রাতারাতি ফোন করে কৃষকদের ধান কম নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হচ্ছে। বাড়তি ধান নিয়ে গেলে তা ফেরত পাঠানোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সরকারি মান্ডিতে খারিফ মরসুমে ধান বিক্রি করতে গিয়ে বিপাকে কৃষকেরা।

উল্লেখ্য, নিয়ম অনুযায়ী একজন নথিভুক্ত কৃষক মরসুমে সর্বোচ্চ ২৫ কুইন্টাল ধান সরকারি মান্ডিতে বিক্রি করতে পারবেন। কিন্তু অভিযোগ, কয়েক দিন ধরে এগরা মহকুমায় সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান ক্রয় কেন্দ্রগুলিতে তার তুলনায় কম পরিমাণ ধান নেওয়া হচ্ছে। যদিও জেলা প্রশাসন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

সূত্র- আনন্দবাজার পত্রিকা

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

মন্ডকোলায় কৃষকদের বিক্ষোভ ১০ দিনে পড়ল

২ জানুয়ারি থেকে হরিয়ানার মন্ডকোলায় শুরু হওয়া অনির্দিষ্টকালীন ধর্না বুধবার ১০ দিনে পড়ল। কৃষক এবং গ্রামবাসীদের দাবি, দিল্লি-মুম্বই এক্সপ্রেসওয়েতে মন্ডকোলা এবং নৌরঙ্গাবাদ কাট নির্মাণ করতে হবে। বুধবার এই ধর্নায় কৃষক নেতা রাকেশ টিকেয়েতের ভাই গৌরব টিকায়েত, কৃষক নেতা রবি আজাদ, চৌধুরি ধরমবীর সিং ডাগর-সহ অন্যান্য নেতৃবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এই অনির্দিষ্টকালীন ধর্না প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে চৌধুরি ধরমবীর সিং ডাগর বলেন, “২৫ ডিসেম্বর আমাদের সভা হয় এবং আমরা সেদিনই ধর্নার সিদ্ধান্ত নিই। যতক্ষণ না পর্যন্ত কাট নির্মাণ না হচ্ছে, ততক্ষণ ধর্না চলবে”। ধর্নায় সংহতি জানাতে গিয়ে কৃষক নেতা গৌরব টিকায়েত বলেন, “কৃষকদের স্বর গত ৮ বছরে দমানোর চেষ্টা চলছে। আমরা এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে এই ধর্নাকে সমর্থন জানাচ্ছি”।

সূত্র- সমাচার ক্যেয়ারি হিন্দি নিউজ

বিশদে জানতে ভিডিওটি দেখুন

কামারেড্ডিতে বৃহত্তর কৃষক আন্দোলনের প্রস্তুতি তুঙ্গে

তেলেঙ্গানায় প্রস্তাবিত শিল্পাঞ্চলের মাস্টার প্ল্যান বাতিলের দাবিতে কামারেড্ডিতে সাতটি গ্রামের কৃষকরা একজোট হয়ে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যদিও স্থানীয় প্রশাসন সেকশান ৩০ ধারার অধীনে জমায়েত নিষিদ্ধ করেছে, তবুও কৃষকদের যৌথ অ্যাকশন কমিটি পৌরসভা অফিসের সামনে একটি দিনব্যাপী বিক্ষোভ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রস্তাবিত শিল্প অঞ্চলের মাস্টার প্ল্যান বাতিলের চূড়ান্ত সময়সীমা ১১ জানুয়ারি শেষ হওয়ার কারণে কৃষকরা তাঁদের প্রতিবাদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সূত্র- ডেকান ক্রনিক্যাল

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

চাষিরা শিল্পের বিরুদ্ধে নয়, দূষণের বিরুদ্ধে – জিরা প্রসঙ্গে জানাল এসকেএম

পাঞ্জাবের জিরায় মদের ইউনিট স্থায়ীভাবে বন্ধ করার দাবিতে অনির্দিষ্টকালীন ধর্নার ১৭১তম দিনে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা (এসকেএম)-এর ব্যানারে কৃষক ইউনিয়নগুলি ঘোষণা করে যে তারা শিল্পের বিরুদ্ধে নয়, যারা দূষণ ঘটাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে। ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের (ডাকাউন্ডা) ভাতিন্দা ইউনিটের সভাপতি গুরদীপ সিং রামপুরা বলেন, “একটি মিথ্যে কথা রটানো হচ্ছে যে কৃষক এবং যারা মদ ইউনিটের প্রতিবাদ করছেন তাঁরা সবাই শিল্পবিরোধী। আসলে, তাঁরা শিল্পের বিরুদ্ধে নয়, দূষণের বিরুদ্ধে। যে কোনও শিল্প যা কোনও ধরণের দূষণ ঘটায় তা আমাদের রাজ্যে প্রয়োজন নেই। তাই কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই প্রশ্নটি ভাবতে হবে, পরিবেশ দূষণের মূল্যে কি কর্মসংস্থান হওয়া উচিত? এছাড়াও, শিল্পের কি দূষণের নিয়ম মানার দায়িত্ব নেই?”

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার ভাতিন্দা থেকে কৃষকদের নতুন দল ফিরোজপুরের জিরাতে বিক্ষোভের জায়গায় ভিড় করেছে। কৃষকদের সাফ কথা, তাঁদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

সূত্র- দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *