জয় কিষাণ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 5

চিনিকল খোলার দাবিতে আখ চাষিদের বিক্ষোভ

অন্ধ্রপ্রদেশের থুম্মাপালায় চিনি কারখানা পুনরায় চালু করার দাবি উঠেছে। বুধবার চিনি কারখানা পুনরায় চালু করা এবং কালো গুড়ের উপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে আখ চাষিরা আনাকাপল্লে টাউন রিং রোড জংশন থেকে আরডিও অফিস পর্যন্ত একটি সমাবেশ করেন।

এই সমাবেশে বক্তৃতা দিতে গিয়ে টিডিপি আনাকাপল্লে কেন্দ্রের ইনচার্জ এবং প্রাক্তন বিধায়ক পিল্লা গোবিন্দ সত্যনারায়ণ মুখ্যমন্ত্রী ওয়াইএস জগন মোহন রেড্ডিকে আনাকাপল্লেতে তার নির্বাচনী প্রচারের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলি সম্পর্কে প্রশ্ন করেন। তিনি অভিযোগ করেন, তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী তাঁর নির্বাচনী এলাকার কৃষকদের সমস্যা সমাধানের পরিবর্তে কমিশনের দিকে বেশি নজর দিচ্ছেন। তিনি বলেন, কালো গুড়ের আড়ালে আবগারি দফতরের আধিকারিকরা আখ চাষিদের হয়রানি করছেন।

সূত্র – নিউজলিড ইন্ডিয়া

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

৯ ফেব্রুয়ারি কালা দিবস পালন করলেন কৃষকরা

এআইকেএস এবং এআইএডাব্লুইউ-এর যৌথ আহ্বানে কৃষক ও শ্রমিক বিরোধী বাজেটের প্রতিবাদে কৃষকরা সারা দেশে বৃহস্পতিবার কালা দিবস পালন করলেন। দেশের প্রায় ১২ হাজার গ্রামে এবং ৩০০টি জেলায় বাজেটের প্রতিলিপি পোড়ানোর মধ্যে দিয়ে কৃষকরা তাঁদের কর্মসূচি পালন করলেন। কিছু জায়গায় প্রধানমন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।

এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বৃহস্পতিবার বিপুল সংখ্যক কৃষক ও শ্রমিক যোগদান করেন। কৃষিখাতে বাজেটে কেন্দ্রের বরাদ্দ কমানো হয়েছে, এই অভিযোগ সামনে রেখে বৃহস্পতিবার কালা দিবস পালন করলেন কৃষকরা। কৃষিখাতে বাজেটে কেন্দ্রের বরাদ্দ কমানোর ফলে কৃষক এবং শহরের দরিদ্র মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। কেরালা এবং তামিলনাড়ুতে যথাক্রমে ১৩ এবং ১১ ফেব্রুয়ারি কালা দিবস পালিত হবে বলে এদিন জানা গেছে।

সূত্র – ইউনাইটেড নিউজ অফ ইন্ডিয়া

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

জল সেচের ব্যবস্থা না থাকায়, সর্ষে চাষিরা বিপাকে

সেচ ব্যবস্থা না থাকায় সর্ষে চাষ করে ক্ষতির মুখে পড়লেন কৃষকরা। আলিপুরদুয়ারের কালচিনি ব্লকের ঘটনা এটি। পরিস্থিতি এমন জায়গায় গিয়ে পৌঁছেছে যে চাষের খরচ উঠছে না। এই পরিস্থিতিতে মাথায় হাত পড়েছে গরিব কৃষকদের।

কালচিনির কৃষকদের অভিযোগ, সেচের অসুবিধার কথা জানিয়ে তাঁরা বারবার কৃষি দফতরকে জানানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু দফতরের আধিকারিকদের দেখাই পাওয়া যায়নি। কোন‌ও কৃষক দু’বিঘা আবার কেউ ৭ বিঘা জমিতে সর্ষে চাষ করেছেন। এই অবস্থায় তাঁদের আশঙ্কা, লাভ তো দূরের কথা হয়ত চাষের খরচটুকুও উঠবে না।

সূত্র- নিউজ ১৮ বাংলা

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

ক্ষতিপূরণের দাবিতে সেতুর রাস্তা কেটে প্রতিবাদে কৃষকরা

পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রামের সাকরাইল ব্লকের বাঁকরা থেকে ভালকিশোর গ্রামের মাঝে কেলেখাই নদীর ওপর তৈরি হয়েছে সেতু। সেতুর রাস্তা কেটে প্রতিবাদে শামিল গ্রামের মানুষরা। কিন্তু এর কারণ কী? জানতে হলে পিছিয়ে যেতে হবে বেশ কয়েক বছর।

সেতু এবং সংলগ্ন রাস্তা তৈরি করার জন্য গ্রামের চাষিদের থেকে জমি নেওয়া হয়েছিল। সরকার থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল কৃষকরা এই জমির জন্য ন্যায্য ক্ষতিপূরণ পাবেন। কিন্তু ৬ বছর অতিক্রান্ত হলেও এখনও ক্ষতিপূরণের টাকা চাষিদের ঘরে ঢোকেনি। আর তাই স্থানীয় কৃষকরা সেতুর রাস্তা কেটে দিয়ে সেতুকে অকেজো করে রেখেছেন

গ্রামবাসীরা অভিযোগ করলেও সেতুটি যে অকেজো হয়ে পরে আছে বা চাষিরা জমির দাম পাননি তা জানেনিই না জেলা শাসক। উত্তর নেই তাঁর কাছে। যদিও বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

সূত্র – টিভি ৯ বাংলা

বিশদে জানতে ভিডিওটি দেখুন

হলদিয়া বন্দরে কৃষকদের জমিতে স্মার্ট সিটির পরিকল্পনা কেন্দ্রের

নিজস্ব সংবাদদাতা: হলদিয়া বন্দরে নাব্যতা কমে যাওয়ায় বড় জাহাজ ঢোকার অসুবিধা র‍য়েছে। খিদিরপুরের সমস্যাও একই। এর মধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকার হলদিয়া বন্দরের ১৭০ একর জমিতে স্মার্ট সিটি করার পরিকল্পনা করছে। বন্দরের জমি প্রমোটারদের হাতে তুলে দেওয়ার বিরুদ্ধে বিরোধীরা একজোট হয়েছে।

বিরোধীদের অভিযোগ, হলদিয়া বন্দর নির্মাণের জন্য একসময় স্থানীয় কৃষকদের থেকে নামমাত্র মূল্যে জমি নিয়েছিল সরকার। এইভাবে ক্রমাগত জল-জঙ্গল-জমি লুঠ হয়ে চলেছে।

ভুয়ো মামলায় আটক গ্রাম প্রধানদের সমর্থনে চাষিদের বিক্ষোভ

বৃহস্পতিবার পাঞ্জাবের ফতেহগড় সাহিবের কিষাণ সংঘর্ষ কমিটির সদস্যরা সিরহিন্দ ব্লক উন্নয়ন ও পঞ্চায়েত আধিকারিক (বিডিপিও)-এর অফিসের বাইরে জল্লা গ্রামের গ্রাম প্রধান এবং আরও ২০ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন। তাঁদের বক্তব্য, ‘রাজনৈতিক চাপে’ মিথ্যা মামলা করা হয়েছে গ্রাম প্রধানদের বিরুদ্ধে।

আন্দোলনকারীরা দাবি করেছেন যে বিডিপিওর এই পদক্ষেপ সরপঞ্চদের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করেছে। তাঁরা এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ও এসএসপির কাছে স্মারকলিপি পেশ করেন এবং এফআইআর বাতিল না হলে অন্যান্য কৃষক সংগঠনের সঙ্গে আন্দোলন শুরু করার হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।

আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, দুর্নীতির অভিযোগে থাকা বিডিপিও রাজনৈতিক নেতাদের প্ররোচনায় গ্রাম প্রধানদের মানহানির চেষ্টা করছেন। তাঁরা আরও বলেন যে একটি পরিবর্তন আনতে একটি নতুন সরকারকে নির্বাচিত করেছেন, পরিবর্তে এটি পূর্ববর্তী শাসনের লাইনকে অনুসরণ করছে। গ্রাম প্রধানদের বিরুদ্ধে এফআইআর বাতিল না হলে তাঁরা আরও বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

সূত্র- দ্য ট্রিবিউন

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *