জয় কিষাণ: ১১ মার্চ ২০২৩

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 5

কমছে আমের ফলন, বিপাকে চাষিরা

যতই গরম বাড়ছে ততই দেশে শাক-সবজি ও ফলের উৎপাদন কমছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী দিনে ফল ও সবজির দাম আকাশচুম্বী হতে চলেছে। এর কারণ হল অকালে অতিরিক্ত তাপমাত্রা। এর ফলে ফল ও সবজির উৎপাদন ৪০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

আলফানসো আমের ওপর এখনই এর প্রভাব দেখা যাচ্ছে। চাষিরা জানিয়েছেন, এবার আমের মুকুল ও ফলন অনেকটাই কমেছে। পাশাপাশি গরমের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে লিচু, লেবু, তরমুজ, কলা ও কাজু ইত্যাদি ফসলের। দেশে ফেব্রুয়ারির মাসে গড় তাপমাত্রা ছিল ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটা একটা রেকর্ড।

কৃষি বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এখন উপচে পড়া সরবরাহের অর্থ, বছরের পরবর্তী মাসগুলিতে সবজির সরবরাহ এক ধাপে অনেকটা কমে যেতে পারে। আর সরবরাহ কমে যাওয়ায় অর্থ চড়চড়িয়ে বাড়বে শাক-সবজির দাম। ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন চাষিরাও।

সূত্র – ডাউন টু আর্থ

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

পোস্ত চাষ নিয়ে মৌন কেন্দ্রীয় সরকার

রাজ্যে পোস্ত চাষের অনুমতি চেয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় তিনি নিজেই এই তথ্য জানিয়েছেন।

এদিন খাদ্য বাজেট নিয়ে আলোচনার সময় উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তখন তিনি প্রশ্ন তোলেন পোস্ত চারটে রাজ্যে কেন চাষ হবে? আমাদের কেন চাষ করতে দেওয়া হবে না? সব পোস্ততে নেশার জিনিস তৈরি হয় না।

এর আগেও পোস্ত চাষ নিয়ে কেন্দ্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা হয়েছিল রাজ্যের। যদিও  কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও জবাব পাওয়া যায়নি। পশ্চিমবঙ্গে পোস্তর দাম অনেকটাই বেশি। সেই কারণেই সরকার চায়, রাজ্য নিজেই ফলন করুক। তাতে সেই দাম অনেকটাই কমবে। চাষিদেরও বাড়বে রোজগার।

সূত্র – কলকাতা টিভি

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

রাস্তায় আলু ফেলে বাম কৃষক সংগঠনের প্রতিবাদ

জেলায় জেলায় আলু চাষিদের অসন্তোষের দৃশ্য ফুটে উঠছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভের ছবি দেখা যাচ্ছে। আলু চাষিদের একাংশের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। এই ধরনেরই এক ব্যাপক বিক্ষোভের সাক্ষী থাকল হুগলি জেলা। আলুর ন্যায্য মূল্যের দাবিতে রাস্তায় আলু ফেলে ডানকুনি-আরামবাগ রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন বাম কৃষক সংগঠনের সদস্যরা।

ডানকুনি-আরামবাগ অহল্যাবাই রোডে তারকেশ্বরের পিয়াসারা এলাকায় আলু ফেলে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান হুগলি জেলা কৃষক সমিতির সদস্যরা।তাঁদের মূলত দাবি, সরকারের তরফ থেকে ৬৫০ টাকা কুইন্টাল প্রতি আলুর যে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে, তা বর্ধিত করে অবিলম্বে কুইন্টাল প্রতি হাজার টাকা দাম ধার্য করতে হবে।

সূত্র – এই সময়

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

হিমঘর খোলার দাবিতে কৃষকদের বিক্ষোভ

হিমঘর খোলার দাবিতে নকশালবাড়ি বিডিও অফিসের সামনে বিক্ষোভে শামিল কৃষকরা। বৃহস্পতিবার নকশালবাড়ি, মণিরাম, হাতিঘিসা গ্রাম পঞ্চায়েতের আলু চাষিরা বিক্ষোভ দেখান। দ্রুত হিমঘর খোলার দাবিতে তাঁরা নকশালবাড়ি বিডিও, নকশালবাড়ি কৃষি আধিকারিক, খড়িবাড়ি থানা, খড়িবাড়ি বিডিও এবং খড়িবাড়ি ব্লক কৃষি আধিকারিককে লিখিত অভিযোগ জানান।

জমিতে আলু তোলা শুরু হলেও হিমঘর খোলার এখনও কোনও নির্দেশিকা আসেনি। এর ফলে জমিতেই অনেক কৃষকের আলু পচতে শুরু করেছে। শিলাবৃষ্টিতেও আলু ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা কৃষকদের।

এক কৃষক জানান, “হিমঘর খোলার আগেই আলু চাষিদের অগ্রিম টাকা দিতে হচ্ছে। হিমঘরের মালিকদের এই টাকা আমাদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ হিমঘরে আলু রাখার আগেই প্রতি বস্তা ৫০ টাকা দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়”।

সূত্র – উত্তরবঙ্গ সংবাদ

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

বাংলার কৃষি শ্রমিকরা পাড়ি দিচ্ছেন ভিনরাজ্যে

কৃষি শ্রমিকের আকাল। ধান তো বটেই, সর্ষে ঝাড়াই করতেও তাই ভরসা মেশিন। এলাকা ছাড়ছেন দিনমজুররা। আলিপুরদুয়ার জেলার মাদারিহাট-বীরপাড়া, ফালাকাটা ব্লক থেকে দলে দলে মানুষ পাড়ি দিচ্ছেন ভিনরাজ্যে কিংবা প্রতিবেশী দেশ ভুটানে। ফলে কৃষিকাজে শ্রমিক পেতে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

মুশকিল আশান করেছে মেশিন। মাঠ থেকে সর্ষে তুলে ঝাড়াইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। ট্র্যাক্টরের পেছনে ঝাড়াই মেশিন লাগিয়ে মাঠে মাঠে ঘুরছেন মেশিন মালিকরা। কাজ হচ্ছে দ্রুত। দু’পয়সা লাভের মুখ দেখছেন মেশিন মালিকরাও।

মাদারিহাটের এক মেশিন মালিক জানান,  ওই মেশিনের সাহায্যে সারাদিনে কমপক্ষে ২৫ বিঘা জমির সর্ষে ঝাড়াই করা যায়। ১ বিঘা জমির সর্ষে ঝাড়াই করতে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা নিচ্ছেন তাঁরা।

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, শ্রমিক নিয়োগ করে সর্ষে কাটা ও ঝাড়াই করতে যে খরচ, মেশিনে খরচ তার চেয়ে খুব একটা কম নয়। তবে, আর্থিক সাশ্রয় না হলেও কৃষি শ্রমিক না মেলায় জনপ্রিয় হচ্ছে মেশিন।

সূত্র – উত্তরবঙ্গ সংবাদ

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষকের থেকে লুট: ৯ মার্চ ২০২৩

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *