জয় কিষাণ: ২২ অক্টোবর ২০২২

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 5

জমি থেকে ধান তুলে নিতে আর্জি, ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’ মোকাবিলায় সতর্ক প্রশাসন

ইতিপূর্বে যশ, আম্ফান, ফণী-সহ একের পর এক নানা প্রকার ঘূর্ণিঝড়ের সাক্ষী থেকেছে কলকাতা। আর তার ফলে বহুবার চাষ-আবাদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে। আবারও ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। রাজ্যের আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, কালীপুজোর মধ্যেই ধেয়ে প্রতি ঘণ্টায় ১১০ কিমি বেগে ধেয়ে আসতে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’। আর এর ফলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। সেই আঁচ পেয়ে ইতিমধ্যেই ক্ষেত থেকে ফসল কেটে রাখা শুরু করেছেন কৃষকেরা। রাজ্যের কৃষিমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ধান তুলে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন কৃষকদের।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এ বছর বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় ধান চাষ দেরিতে শুরু হয়েছে তার মধ্যে ঘূর্ণিঝড়ের ভ্রুকুটি কৃষকদের কপালে চিন্তার  ভাঁজ ফেলেছে। এদিন কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জরুরি ভিত্তিতে পুরসভার দফতরের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি বলেনম “দুই ২৪ পরগনায় মারাত্মকভাবে ঝড় আসবে। কলকাতায় ৯০ কি.মি. বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে।” তিনি রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে তৈরি থাকতেও নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে পুরসভার পাশাপাশি বিদ্যুৎ দফতরও বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রস্তুত। সেই সঙ্গে তারা হেল্পলাইন চালু করেছে । বিদ্যুৎ দফতরের তরফে চালু করা হেল্পলাইন নাম্বারটি হল – ৮৯০০ ৭৯৩৫০৩।

সূত্র- এবিপি আনন্দ

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষক আন্দোলনের ফল ঘরে তুলল সিপিএম, মহারাষ্ট্রে গ্রাম পঞ্চায়েত সভাপতি পদে বিপুল সাফল্য

দিল্লির কৃষক আন্দোলনে যোগ দিয়েছিল সিপিএমের কৃষক ফ্রন্ট। মহারাষ্ট্রেও কৃষকদের লং মার্চে বড় ভূমিকা রেখেছিল। কৃষক আন্দোলনের সঙ্গে এই সংশ্লিষ্টতার জেরেই মহারাষ্ট্রের মোট ৯২ টি গ্রাম পঞ্চায়েত সভাপতি পদে জয়ী হলেন সিপিএম প্রার্থীরা।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষকমুখী হওয়ার ফলেই সিপিএমের এই সাফল্য। উল্লেখ্য, দিল্লির কৃষক আন্দোলনের সাফল্য থেকে শিক্ষা নিয়ে সম্প্রতি সিপিএম দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, কৃষক-শ্রমিক-সহ দলের শ্রেণীভিত্তিক গণফ্রন্টগুলোকে নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলবে। টাটা-সালেমের থেকে মুখ ঘুরিয়ে ফের শ্রেণী রাজনীতির প্রতি তাদের আস্থা ফিরে আসার কারণেই তার ইতিবাচক ফলাফল মিলতে শুরু করেছে বলে ব্যাখ্যা রাজনৈতিক মহলের।

প্রসঙ্গত ‘শিল্পায়ন’-এর স্লোগানকে সামনে রেখে ২০০৬-০৭ সালে বাংলায় জমি অধিগ্রহণের সরকারি কর্মসূচীকে বাস্তবায়িত করতে গিয়েই ক্ষমতাচ্যুত হতে হয়েছিল সিপিএম নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট সরকারকে। সিপিএমের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, কৃষকের পাশ থেকে সরে গিয়ে পুঁজিপতিদের স্বার্থ সুরক্ষিত করার। যার জেরে ২০১১ সালে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল। এরপর জল অনেক দূর গড়িয়েছে। ক্রমে পশ্চিমবঙ্গে বামেদের আসন কমতে কমতে শূন্য হয়ে যায়।

কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ফের কৃষক-ক্ষেতমজুর ও শ্রমিক কেন্দ্রিক শ্রেণীভিত্তিকে রাজনীতির ভরকেন্দ্র হিসাবে গণ্য করার কারণেই সিপিএম ঘুরে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এর আগে বিহার বিধানসভা নির্বাচনে সিপিআইএমএল-লিবারেশন ও সিপিআই-এর পাশাপাশি অল্পসংখ্যক আসন পেয়েছিল সিপিএমও। এবার মহারাষ্ট্রের গ্রাম পঞ্চায়েত ভোটে বেশ কয়েকটি আসন পাওয়ায় জাতীয় রাজনীতিতে সিপিএম নতুন করে প্রাসঙ্গিকতা ফিরে পাচ্ছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল ।

সত্তর বছরে এই প্রথম কৃষকদের থেকে ফসল কিনতে ব্যর্থ পাঞ্জাব সরকার:পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি

গত বৃহস্পতিবার পাঞ্জাবের প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অমরিন্দর সিং রাজা পাঞ্জাব সরকার আপকে আক্রমণ করে বলেছেন, রাজ্য সরকার রাজ্যের কৃষকদের থেকে ধান কিনতে ব্যর্থ হয়েছে। কৃষকেরা বাধ্য হয়েছেন তাঁদের উৎপাদিত চাল পার্শ্ববর্ত্তী রাজ্য হরিয়ানায় বিক্রি করতে। এটা পাঞ্জাবি কৃষকদের আত্মসম্মানের ওপর আঘাত  এবং ৭০ বছরের মধ্যে এই প্রথমবার এই ঘটনাটি ঘটেছে এই বলে তিনি আপ সরকারকে আক্রমণ করেন। তিনি আরো বলেন, এই সরকার, কৃষকদের থেকে উৎপাদিত পণ্য ক্রয় এবং সঠিক অর্থ প্রদানের ব্যাপারে তাদের দায়িত্ব ভুলে গেছে।

সূত্র- ইন্ডিয়া টুডে

বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে আরো এক কৃষকের মৃত্যু!

পাঞ্জাবে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভরত অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন এক আরো কৃষক। তাঁর নাম কার্নাইল সিং (৬৫)। এর আগে আন্দোলনরত আরও এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছিল পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনেই।

প্রসঙ্গত, গত ৯ অক্টোবর থেকে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভাগবন্ত মানের বাড়ির সামনে অনির্দিষ্টকালীন অবস্থান করছেন কৃষকেরা। এদিকে আন্দোলনকারীরা জানিয়েছেন, যতক্ষণ না তাঁদের দাবি পূরণ হচ্ছে এবং মৃত কৃষকদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ না দেওয়া হচ্ছে, ততক্ষণ অবস্থান বিক্ষোভ প্রত্যাহার তো দূরের কথা মৃত কৃষকের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়াও সম্পন্ন করা হবে না।

উল্লেখ্য, গত ১৭ অক্টোবর এই অবস্থান বিক্ষোভ চলাকালীন আরেক কৃষক সাপের কামড়ে মারা  যান। ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন (উগ্রাহান)-এর রাজ্য প্রেস সচিব জগতার কালাঝার বলেন যে পাঞ্জাব সরকার এই আন্দোলনরত কৃষকদের মৃত্যুর জন্য দায়ী। রাজ্য সরকারকে আমাদের ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ, ঋণ মুকুব এবং মৃত কৃষকদের পরিবারের একজনকে সরকারি চাকরি দিতে হবে। এই দাবি মানা হলে তবেই মৃত কৃষকদের দেহ সৎকার করা হবে বলে জানান তিনি।

সূত্র- দ্য ট্রিবিউন


বিশদে পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কৃষকের থেকে লুট: ২১ অক্টোবর ২০২২

ট্যাগ করা হয়েছে:
এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *