কৃষিজীবীদের পদচারণায় মুখরিত কলকাতা

জয় কিষাণ ডেস্ক
লিখেছেন জয় কিষাণ ডেস্ক পড়ার সময় 2

হাজার হাজার কৃষকের যোগদানে মুখর হয়ে উঠল কলকাতার রাজপথ। যেন প্রকৃত অর্থেই ‘মিছিল নগরী’র সড়কে লাখো কৃষক আছড়ে পড়লেন প্রত্যয় ও দাবি নিয়ে। এদিন প্রথমে শহরের দুই প্রান্ত হাওড়া ও শিয়ালদহ স্টেশন থেকে দুটি মিছিল শহরের কেন্দ্র রানি রাসমণি রোডে জড়ো হয়। মিছিল শুরু হয় দুপুর ১ টা থেকে। সেই মিছিলেই বিপুল জমায়েত হয় কৃষকদের। তাঁরা তাঁদের দাবিতে শ্লোগান দিতে দিতে রানি রাসমণি রোডে সভামঞ্চ পর্যন্ত মিছিল করে যান।

শনিবার দুপুর ২টো নাগাদ রানি রাসমণি রোডে শুরু হয় এসকেএম-এর জনসভা। সভায় বক্তব্য রাখেন, অমল হালদার, কার্তিক পাল, সুভাষ নস্কর, অভীক সাহা, সমীর পূততুণ্ড, অনুরাধা দেব, অনুরাধা তলোয়ার, জয়তু দেশমুখ, গোপাল বিশ্বাস, ফরিদ মোল্লা, শৈলেন মিশ্র, নিরাপদ সরকার, রাম বচ্চন প্রমুখ। কৃষকদের প্রতি কেন্দ্রীয় সরকার তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ না করলে মোদি-শাহ সরকারকে চরম পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে বলে এদিন মোর্চার তরফে প্রায় প্রত্যেক বক্তাই তাঁদের বক্তব্যের মধ্যে উল্লেখ করেন। একইভাবে রাজ্য সরকারের প্রতিও হুঁশিয়ারি দেন কৃষক নেতারা। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার জাতীয় সমন্বয় সমিতির সদস্য অভীক সাহা এদিন বলেন, “রাজ্যের কৃষকেরা, সাধারণ মানুষেরা শান্তিতে নেই অথচ নেতারা শান্তিকুঞ্জ আর শান্তিনিকেতন নামে তাদের বাসভবনে শান্তিসুখ পেতে চাইছেন। এমনটা চলবে না, সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নিশ্চিত করার আইন বা এমএসপি আইনের যে খসড়া প্রস্তাব জমা দিয়েছিল রাজ্য সরকারের কাছে, ঐ খসড়ার ভিত্তিতে অবিলম্বে আইন প্রণয়ন করতে হবে রাজ্য সরকারকে। এছাড়াও সারের কালোবাজারি বন্ধ করা-সহ যেসকল দাবিগুলো উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো পূরণ করা না হলে কেন্দ্রের মতো রাজ্যের সরকারের কপালেও দুঃখ নাচছে।”

কৃষকদের সুনির্দিষ্ট দাবিগুলি পূরণের উদ্দ্যেশ্যেই শনিবার রাজ্যপালের কাছে স্মারকলিপি পেশ করা হয়। মোর্চার সভা থেকে একটি প্রতিনিধি দল এদিন রাজভবন যান। এই প্রতিনিধিদলে ছিলেন ভক্তরাম পান, প্রবীর মিশ্র, সজল অধিকারী, বেছু দলুই এবং আব্দুর রউফ।

এই নিবন্ধটি শেয়ার করুন
মতামত দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *